Advertisement

মহেশখালীতে আধিপত্য নিয়ে দু’সন্ত্রাসী গ্র“পের দফায় দফায় গুলি বর্ষণ। আহত-১০


নয়ন কক্স নিউজ ডেস্ক: মহেশখালীতে এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তারকে   কেন্দ্র করে দুই সন্ত্রাসী গ্র“পের মধ্যে দফায় দফায় প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপি গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় এলাকার লোকজন ছটাছুটি করতে গিয়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার গভীর রাতে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘটনার বিবরন ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, রবিবার রাত ৩ ঘটিকার সময় ও সোমবার বিকালে উপজেলার ক্রাইমজোন হিসেবে খ্যাত কালারমারছড়া ইউনিয়নের নোনাছড়ি গ্রামের খলিল,মতি,মনজুর গ্র“প ও মৃত রশিদ গ্র“পের লোকজনের মধ্যে এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উভয় গ্র“পের মধ্যে কয়েক দফায় প্রায় দু’ঘন্টা ব্যাপী গুলি বিনিময় হয়। এসময় দু’গ্র“পের মধ্যে প্রায় শতাধিক রাউন্ড গুলি বর্ষণ হয়। প্রচন্ড গোলাগুলির শব্দ শুনে মাঝ রাতে মানুষ অতংক হয়ে দিকবেদিক ছুটাছুটি করতে গিয়ে ১০ জন আহত হয়। জানা যায়, গত শনিবার রাত্রে খলিল গ্র“পের লোকজন গফুর গ্র“পের একজন আতœীয় মৃত ছৈয়দ আহমদের মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্র মীর কাশেমকে ব্যাপক মারধর করে একটি দেশীয় তৈরী একটি অকেজো বন্দুক দিয়ে পুলিশকে খবর দিলে একদল পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে আহত অবস্থায় মাদ্রাসা ছাত্র মীর কাশেমকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে গতকাল মহেশখালী থানার অফিসার্স ইনর্চাজ হুমায়ুন কবির ঘটনার প্রকৃত কারন ও তদন্ত করতে গেলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। এলাকাবাসী জানান, খলিল গ্র“পের প্রধান খলিল ওই মাদ্রাসা ছাত্রকে বাজার থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর করে তাদেরই ব্যবহিৃত একটি অকেজো এলজি ও তিন রাউন্ড গুলি তার শরীরে সাথে বেধে দিয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে আহত অবস্থায় মাদ্রাসা ছাত্র মীর কাশেমকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার অফিসার্স ইনর্চাজ হুমায়ুন কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অস্ত্রের ব্যাপারটা সাজানো হওয়ায় তাকে অস্ত্রমামলা দেওয়া হয়নি। অস্ত্রটি পরিত্যক্ষ দেখানো হয়েছে। তবে ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে অন্য একটি মারামারি মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়। বিজ্ঞ আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরন করেন। এরই সুত্র ধরে গতকালের গুলি বিনিময়ের ঘটনার সুত্রপাত বলে এলাকাবাসীরা জানান। সুত্রে প্রকাশ খলিল/মতি বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার লোকজন অতিষ্ট হয়ে উঠছে। এলাকাবাসী উক্ত সন্ত্রাসী গ্র“পের হাত থেকে রক্ষার জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেণ।

Post a Comment

0 Comments