চকরিয়া চিরিঙ্গা সোসাইটি শাহী জামে মসজিদে মুসল্লিদের দুগ্রপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মুসল্লিদের উত্তেজনা থামাতে এলাকাবাসী চকরিয়া থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে ৫ আগস্ট শুক্রবার। মসজিদ কমিটির কর্তৃত্ব নিয়ে এ ঘটনার উৎপত্তি বলে মুসল্লিরা জানিয়েছে। বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা যায়, চকরিয়া উপজেলার ব্যস্ততম শহর চিরিঙ্গায় অবস্থিত সোসাইটি শাহী জামে মসজিদটি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে সাবেক চকরিয়া পৌর চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাকীম দুলাল ও মোহাম্মদ হোছাইন সওদাগরের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি মসজিদটি পরিচালনা করে আসছিল। ধারাবাহিকভাবে মসজিদ কমপ্লেক্সকে বাণিজ্যিক বহুতল ভবন নির্মানের দায়িত্ব নেন ওই কমিটি। যথারীতি সাইমা প্রপার্টিজ লিঃ নামক একটি কোম্পানীর সাথে ২ বৎসরের চুক্তিতে কাজ আরম্ভও করেন তারা। কিন্তু সায়েমা প্রপার্টিজ এর পুরো কাজ শেষ না হতেই চুক্তিকারী পক্ষ দুলাল-হোছাইন সওদাগর কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় বিগত ছয় মাস আগে। তাই চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাং জাকির হোসেনের রেফারেন্সে বিগত ২৯ জুলাই ২০১১ইং তারিখ জুমার নামাজের শেষে নিজেকে আহ্বায়ক ঘোষনা করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষনা করেন চকরিয়ার পৌর মেয়র নুরুল ইসলাম হায়দর। মসজিদ কমপ্লেক্স এর কাজ পরোপুরি শেষ না হতেই পুরানোদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি ঘোষনাকে কেন্দ্র করে জুমার নামাজে হৈ হুল্লা সহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। নামাজ শেষে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে চকরিয়া থানার দারোগা (ওসি তদন্ত) আনোয়ার ও এস আই কামরুলের নেতেৃত্বে একদল পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে মুসল্লিরা জানায়, মসজিদের কতিপয় মুসল্লিরা চায় মসজিদ মার্কেটের পুরো কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত পুরানো কমিটি কাজ চালাবে। আবার মেয়র নুরুল ইসলাম পক্ষের মুসল্লিরা চায় যেহেতু পুরানো কমিটির মেয়াদ বিগত ছয়মাস পূর্বে শেষ হয়েছে নিয়ামনুযায়ী নতুন কমিটি আসবে এবং তারাই মসজিদের দেখভাল করবে। এ বিষয় নিয়ে বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় যে কোন মুহুর্তে অপ্রিতিকর ঘটনার আশংকা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

0 Comments