নিজস্ব প্রতিবেদক:স্থানীয়দের দাবী কলাতলী স্যান্ডি বে-রিসোর্ট হোটেলে জড়তি রাঘববোয়ালরা?
কক্সবাজার শহরের হোটেল মোটেল জোনে অপরিকল্পিত আর যাচ্ছে তাই ভবন নির্মান এখন নিত্য নৈমিত্যিক বিষয়। প্রশাসনের নাকের ডগায় গড়ে উঠেছে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা আর বহুতল ভবন। যেন এ বিষয়গুলো দেখার কেউ নেই এমন অভিযোগ সচেতন মহলের। এধরনের বেশ কয়েকটি ভবন গড়ে উঠেছে নিষিদ্ধ সৈকত আবাসিক জোন এলাকায়। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অফিস আর গন-পূর্তের মতো প্রশাসনিক অফিসের কয়েক গজের মধ্যে নতুন ভাবে ভবন নির্মান করা হলেও এসব প্রশাসনের কর্মকর্তারা যেন ঘুমিয়ে দিন কাটাচ্ছে অথবা চলার সময় ওদিকে টাকার দেয়াল আছে এমনই অভিযোগ অনেকের। কলাতলী প্রধান সড়কের খুব পাশ দিয়ে তোল হচ্ছে এসব ভবন। সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সামনে সৈকত আবাসিক জোনে নির্মান কাজ চালাচ্ছে স্যান্ডি বে-রিসোর্ট নামের একটি হোটেলের দ্বিতল ভবনের কাজ। এ হোটেলের মালিক সাতকানিয়া লোহাগাড়ার প্রফেসর ঈসমাইল বলে জানালেন ঐ এলাকার এক হোটেল ব্যবসায়ী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ ব্যবসায়ী বলেন, প্রফেসার ঈসমাইলের হাত অনেক লম্বা। জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্রের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা তার সাথে উঠাবসা বলে জানান। জেলার এক প্রভাবশালী সাংবাদিকও ঐ হোটেল ম্যানেজমেন্টের আত্মিয় বলে ও জানান তিনি। মোট কথা রাঘববোয়ালদের হাতে স্যান্ডি বে-রিসোর্ট। হয়তো এ কারনে (কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) কিংবা অন্য কোন প্রশাসন সেদিকে খেয়াল দিচ্ছেনা এমনটি বলেন তারা। আবার অনেকে বলেন, কউকের কর্মকর্তারা তাদের কাছ থেকে উপরি নিয়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। তাছাড়া পাশে আরো একটি নতুন হোটেলের নির্মান কাজ চলছে। সর্বোপরি কক্সবাজার হোটেল মোটেল জোনে অপরিকল্পিত ভবন আর স্থাপনা নির্মান হলেও অদৃশ্য কারনে কর্তৃপক্ষ নিরব থাকাটা সাধারন মানুষের মাঝে প্রশ্নের উদ্রেক হচ্ছে । আর এ প্রশ্নর জবাব মিলবে সামনে কি হচ্ছে তার উপর এমনটি জানালেন এলাকার সাধারন সচেতন মানুষ।
এ বিষয়ে জানতে স্যান্ডি বে রিসোর্টের ম্যানেজার সেকান্দরকে বার বার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেঃ কর্নেল (অবঃ) ফোরকান আহমদ বলেন, বিষয়টি সম্পুর্ন অবগত হয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


0 Comments