Advertisement

মাতামুহুরী নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালি উত্তোলন করছে প্রভাশালীরা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চকরিয়া মাতামুহুরী নদীর শাখাস্থ বাটাখালী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ১০/১২টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে একটি প্রভাবশালী মহল বালি উত্তোলন করায় আশেপাশে বসতবাড়ি, হাল চাষের জমি সহ বিভিন্ন ফসলীয় জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। বালি উত্তোলনকারীরা এলাকার এক জনপ্রতিনিধির আত্মীয় হওয়ায় ভয়ে ক্ষতিগ্রস্থ
এলাকাবাসী কিছুই বলতে না পারায় তারা বেপরোয়া হয়ে এ বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। তবে, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিত্বে সদ্য বিদায়ী চকরিয়া উপজেলার এসিল্যান্ড ঐ সব ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ভেঙ্গে দেয়ায় দীর্ঘদিন বালি তোলা বন্ধ ছিল। উক্ত এসিল্যান্ড বদলী হওয়ার পর পরই একই কায়দায় ঐ সিন্ডিকেট আবার ও পুরো দমে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। ফলে, দিনের পর দিন ভেঙ্গে খান্খান্ হয়ে যাচ্ছে ঐ এলাকার বহু ঘরবাড়ী।
জানা যায়, চকরিয়া পৌরসভার প্রভাবশালী এক জনপ্রতিনিধির নেতৃত্বে মাতামুহুরী নদী শাখার বাটাখালীর ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা থেকে রামপুর বাজার পর্যন্ত বয়ে যাওয়া নদীতে গত ৪/৫ মাস ধরে ১০/১২টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। ফলে ঐ নদীর আশেপাশে হাল চাষের জমি সহ বহু ঘরবাড়ী নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে সদ্য বিদায়ী চকরিয়া উপজেলার এসিল্যান্ড ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বালি তোলার মেশিন সহ সরঞ্জমাদি ভেঙ্গে দেয়। এতে ক্ষণিকের জন্য বালি তোলা বন্ধ রাখে ঐ সিন্ডিকেট। কিন্তু ঐ এসিল্যান্ড বদলী হওয়ার সাথে সাথে আবারো ঐ সিন্ডিকেট পুরো দমে বালি উত্তোলন অব্যাহত রাখায় ঐ এলাকার ফসলী জমি খান্খান্ হয়ে ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী প্রভাবশালী ঐ জনপ্রতিনিধির ভয়ে এ সব নিরবে সহ্য করে যাচ্ছে। এভাবে আগামী কয়েকমাস বালি উত্তোলন অব্যাহত এলাকার ২ শতাধিক বসতবাড়ি ও ২০ একর জমি নদীগর্ভে বিলিন হবার আশংকা করেছেন এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন। এ ব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আমিনকে রাত ৮.৫৪ মিনিটে তাহার মুটোফোন ০১৭১২৫৩৯১৬৫ নাম্বারে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Post a Comment

0 Comments