চীনের জিনজিয়ানে গেলে এক দৃষ্টিসুখকর দৃশ্য চোখে পরে। একটি সাদা বুলেট
ট্রেন নিত্যনতুন শহর আর উপত্যকা চিরে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে
প্রদেশটিতে হাজারো পর্যটক আর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসছে। এই ট্রেন
এই অঞ্চলকে বেইজিং এর আরো কাছে নিয়ে এসেছ। ফলে জিনজিয়ানে সরকারি নিয়ন্ত্রণ
আর নির্যাতন দুটিই বেড়েছে। সিএনএন
এই ধরনের বিনিয়োগের আছে বিশাল এক নেতিবাচক দিক। জিনচিয়ানে হান চাইনজ অভিবাসনের স্রোত বয়ে গেছে। কিছু কিছু এলাকা বিশেষত শহরগুলোতে তারাই সংখ্যাগুরু। যা স্বভাবতই বেইজিং এর পক্ষে যাচ্ছে। হিমালয়ের এপারে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জনগনও তীব্র শঙ্কা নিয়ে জিনজিয়ান এবং তিব্বতের উপর নজর রাখছেন। কারণ দিল্লি রাজ্যটির বিশেষ মর্যাদা বিলুপ্ত করেছে। ফলে মুসলিম অধ্যুসিত অঞ্চলে হিন্দু বসতি স্থাপনের দুয়ার খুলে গেছে। কাশ্মীর এবং জিনজিয়ানের ব্যপক মিল রয়েছে। উপয়েরই স্বাধীকার নিয়ে নিজস্ব দাবিদাওয়া আছে। আছে বিরোধীতাপূর্ণ দখলদারিত্ব। দুই এলাকায়ই মসিলিমরা সংখ্যালঘু, যাদের নিয়ন্ত্রণ করে অমুসলিম রাষ্ট্র। এবং হ্যাঁ, দুই অঞ্চলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর বর্বরতা ব্যবহার হয়।
হান চায়নিজদের প্রভাবে অনেক শহরেই উইঘুর মুসলিমরা এখন সংখ্যালঘু। এই
হানদের সঙ্গে তারা প্রতিযোগিতায়ও টিকতে অক্ষম। ২০ লাখের বেশি উইঘুরকে
তথাকথিত শিক্ষা শিবিরের নামে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে।
উইঘুররা বলছেন, বেইজিং তাদের এলাকায় সংস্কৃতিক গণহত্যা চালাচ্ছে। নিজেদের
সংস্কৃতি এমনকি ভাষা ব্যবহারের অধিকারও পাচ্ছেন না সংখ্যালঘু উইঘুররা।
কাশ্মীরও একই সম্ভাবনার দিকে আগাচ্ছে। বহুদিন ধরেই ডানপন্থী হিন্দুগ্রুপগুলো কাশ্মীরে বসতি স্থাপনের অধিকার চাচ্ছে।
বর্তমান পরিবর্তনে তা বাস্তবে পরিণত হওয়ার অপেক্ষায়। হিন্দুদের যুক্তি হচ্ছে কাশ্মীরি পন্ডিতদের জম্মুতে ফেরার অধিকার রয়েছে। যারা তথাকথিত ইসলামি সংঘাতে নিজ ভুমি ছেড়েছিলেন। কাশ্মীর একমাত্র ভারতীয় রাজ্য যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগুরু। বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সেটি পছন্দ হওয়ার কথা নয়। তাই তারা সেটেলারে কাশ্মীর সংলাব করবে তা নিশ্চিতই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এজন্য বেছে নিয়েছেন চীনের উদাহরণকে।
এই ধরনের বিনিয়োগের আছে বিশাল এক নেতিবাচক দিক। জিনচিয়ানে হান চাইনজ অভিবাসনের স্রোত বয়ে গেছে। কিছু কিছু এলাকা বিশেষত শহরগুলোতে তারাই সংখ্যাগুরু। যা স্বভাবতই বেইজিং এর পক্ষে যাচ্ছে। হিমালয়ের এপারে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জনগনও তীব্র শঙ্কা নিয়ে জিনজিয়ান এবং তিব্বতের উপর নজর রাখছেন। কারণ দিল্লি রাজ্যটির বিশেষ মর্যাদা বিলুপ্ত করেছে। ফলে মুসলিম অধ্যুসিত অঞ্চলে হিন্দু বসতি স্থাপনের দুয়ার খুলে গেছে। কাশ্মীর এবং জিনজিয়ানের ব্যপক মিল রয়েছে। উপয়েরই স্বাধীকার নিয়ে নিজস্ব দাবিদাওয়া আছে। আছে বিরোধীতাপূর্ণ দখলদারিত্ব। দুই এলাকায়ই মসিলিমরা সংখ্যালঘু, যাদের নিয়ন্ত্রণ করে অমুসলিম রাষ্ট্র। এবং হ্যাঁ, দুই অঞ্চলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর বর্বরতা ব্যবহার হয়।
কাশ্মীরও একই সম্ভাবনার দিকে আগাচ্ছে। বহুদিন ধরেই ডানপন্থী হিন্দুগ্রুপগুলো কাশ্মীরে বসতি স্থাপনের অধিকার চাচ্ছে।
বর্তমান পরিবর্তনে তা বাস্তবে পরিণত হওয়ার অপেক্ষায়। হিন্দুদের যুক্তি হচ্ছে কাশ্মীরি পন্ডিতদের জম্মুতে ফেরার অধিকার রয়েছে। যারা তথাকথিত ইসলামি সংঘাতে নিজ ভুমি ছেড়েছিলেন। কাশ্মীর একমাত্র ভারতীয় রাজ্য যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগুরু। বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সেটি পছন্দ হওয়ার কথা নয়। তাই তারা সেটেলারে কাশ্মীর সংলাব করবে তা নিশ্চিতই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এজন্য বেছে নিয়েছেন চীনের উদাহরণকে।


0 Comments