Advertisement

অ-লিখিত চাউলের কার্ড?

মহেশখালী পৌরসভায় ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ নিবন্ধিত জেলেদের ২ ধাপে ৪৬ কেজী বিশেষ চাউল বিতরণের জন্য জেলেদের মাঝে বিতরন কার্ড। সাধারন জেলেদের মাঝে বিতরনকৃত চাউলের দেওয়া হয়েছে সে কার্ডে কোন গ্রাহকের নাম ঠিকানা নেই।প্রথম পৃষ্টায় মেয়র মহোদয়ের স্বাক্ষরের শীলযুক্ত,অপর পৃষ্টায় (ঈদ উপহার)লিখা সম্বলিত। কার্ডে নেই কোন ক্রমিক নং, ওয়ার্ড নং, কার্ড নং, গ্রাহকের নাম,পিতা,মাতা,গ্রাম,বিতরণের স্থান বা তারিখ।তাহলে কি এ ধরনের খালি
মেয়রের স্বাক্ষর যুক্তকার্ড যে কোন গ্রাহক বহন করে বিতরণ স্থানে উপস্থিত হলেই কি চাউল পাবে?এমন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে সাধারন মানুষের মাঝে। উপজেলা মৎস্য অফিসেরর সুত্র মতে, মহেশখালী উপজেলায় ৮ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১১৪২২জন জেলে নিবন্ধন হয়েছে। তাদের মধ্যে যে সকল জেলে নিবন্ধন হওয়ার পর ও কার্ড পায়নি বা টোকেন হারিয়েছে।ছবি তোলা তুলতে পারেনি তারা সকলে ৪৬ কেজী করে চাউল পাবে। মহেশখালী পৌরসভার কয়েকজন নিবন্ধিত জেলে জানান তার ছবি তোলার পর এখনো জেলে নিবন্ধন কার্ড পায়নি কিন্তুু প্রথম ধাপে চাউল পেয়েছে এখন তাদেরকে কার্ড না দেওয়ার অভিযোগ তুলেন। খালি কার্ড বিতরণ করা হলে কত বিতরণ হল,অবশিষ্ট কত বিতরণ বিহীন থাকবে সে বিষয়ে তথ্য বিভ্রাট হতে পারে।অনেক জন ফটো স্ক্যানিং করে জেলেদের নামে বরাদ্ধকৃত চাউল নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার ভূমি অংগজাই মারমা বলেন,খালি কার্ড বিতরণের বিষয়টি অামার জানা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।
সূত্র: মহেশখালীর সব কন্ঠ

Post a Comment

0 Comments