হারুনর রশিদ, মহেশখালী:
মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করেছিল।অপহরণের শিকার ছাত্রী হোয়ানক পদ্মাপুকুর পাড় এলাকার ছৈয়দ মিয়ার মেয়ে। মেয়েটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মহেশখালী থানা সূত্রে জানা যায়, মার্চ মাসের ২৫তারিখ রাত ৯টার সময়
হোয়ানক ইউপিস্থ ফকিরাকাটা এলাকার জাফর আলমের ছেলে আশেক(১৯) এর নেতৃত্বে তার সহযোগী সালমান ও তারেক এর যোগসাজেসে মাদ্রাসায় পড়–য়া ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
ওই ঘটনায় অপহৃতা ছাত্রীর বড় ভাই শফিকুর রহমান বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় ৬এপ্রিল একখানা অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে মহেশখালী থানার এএসআই সজিব সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী আশেক এর খালাত ভাই হোয়ানকের রাজুয়ারঘোনা এলাকার বেলালের বাড়ী থেকে ৬এপ্রিল বিকাল ৩টার সময় অপহৃতাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ ব্যাপারে এএসআই সজিব জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অপহরণের শিকার মাদ্রাসার ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করেছিল।অপহরণের শিকার ছাত্রী হোয়ানক পদ্মাপুকুর পাড় এলাকার ছৈয়দ মিয়ার মেয়ে। মেয়েটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মহেশখালী থানা সূত্রে জানা যায়, মার্চ মাসের ২৫তারিখ রাত ৯টার সময়
হোয়ানক ইউপিস্থ ফকিরাকাটা এলাকার জাফর আলমের ছেলে আশেক(১৯) এর নেতৃত্বে তার সহযোগী সালমান ও তারেক এর যোগসাজেসে মাদ্রাসায় পড়–য়া ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
ওই ঘটনায় অপহৃতা ছাত্রীর বড় ভাই শফিকুর রহমান বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় ৬এপ্রিল একখানা অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে মহেশখালী থানার এএসআই সজিব সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী আশেক এর খালাত ভাই হোয়ানকের রাজুয়ারঘোনা এলাকার বেলালের বাড়ী থেকে ৬এপ্রিল বিকাল ৩টার সময় অপহৃতাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ ব্যাপারে এএসআই সজিব জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অপহরণের শিকার মাদ্রাসার ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।


0 Comments