মো: ফারুক, পেকুয়া:
বরইতলি-পেকুয়া-মগনামা সড়কের পেকুয়া চৌমহুনী চৌরাস্তা হইতে মগনামা লঞ্চঘাট ষ্টেশন পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপদ প্রকৌশল অধিদপ্তর। গত ৫মার্চ এ অংশে সংস্কারের জন্য ১৭ কোটি টাকার ই-টেন্ডার নোটিশ জারী করেছে সংশ্লিষ্ট এ দপ্তরটি। সংস্কারের উদ্যোগ নেয়ায় চরম ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয়
পেকুয়া ও মগনামাবাসী।
জানা গেছে, বরইতলি-পেকুয়া-মগনামা সড়কের চৌমহুনী হয়ে মগনামা লঞ্চঘাট পর্যন্ত এ সড়কটির দৈর্ঘ্য ৮ কি.মি। রয়েছে তিন শতাধিক ছোট বড় গর্ত। মাঝে মধ্যে ইট দিয়ে গর্ত সংস্কার করলেও চরম ভোগান্তিতে ছিল পথচারী ও গাড়ি চালকরা। সড়কের এই অংশে পেকুয়া উপজেলার সদর ও প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেকুয়া বাজারের অবস্থান। তাই ভোগান্তি একটু বেশি মাত্রায় পোহাতে হচ্ছিল সড়ক ব্যবহারকারীদের। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে ছিল স্কুল মাদ্রাসা ও কলেজ শিক্ষার্থীদের। বৃষ্টি হলেই স্কুল যাতায়ত বন্ধ ছিল তাদের। যার কারণে সরকার এ সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেন। এছাড়া এ রাস্তা দিয়ে কুতুবদিয়ার জনগনও যাতায়ত করে থাকে। যার কারণে বিশেষ গুরুত্ব পায় এ সড়কের সংস্কার কাজ।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পেকুয়া চৌমহুনী থেকে আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজার এর শেষ অংশ পর্যন্ত আরসিসি ঢালাই করে শক্ত করে সংস্কার করা হবে। বাজার থেকে মগনামা লঞ্চঘাট ষ্টেশন পর্যন্ত পিস ঢালাই দিয়ে সংস্কার হবে। গত ৫মার্চ এ নিয়ে সহকারী প্রকৌশলী চট্রগ্রাম ও নির্বাহী প্রকৌশলী চট্রগাম সাক্ষরিত ই-টেন্ডার নোটিশ জারী করেন। এর সংস্কার ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ কোটি টাকা। এছাড়াও একতা বাজার থেকে পহরচাঁদা পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজও সীগ্রয় শুরু হবে জানা গেছে।
সংস্কারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়ক বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ আজিজ মাহবুব বলেন, এ সড়কের বেহাল দশার দৃশ্য বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে স্বচিত্র সংবাদ পরিবেশন হচ্ছিল। এলাকার এ পরিবেশের জন্য খারাপও লাগছিল। সর্বশেষ সকলের প্রচেষ্টায় সরকারের পক্ষ থেকে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেন। সড়ক ও জনপদ প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ই-টেন্ডার হওয়ায় শীগ্রয় কাজ শুরু হবে। ভোগান্তি কমবে এলাকাবাসীর।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের চকরিয়া কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু আহসান মো: আজিজুল মুস্তফা বলেন, পেকুয়া বাজার থেকে মগনামা ঘাট পর্যন্ত দরপত্র আহবান করা হয়েছে। সীগ্রয় কাজ শুরু করা হবে।
বরইতলি-পেকুয়া-মগনামা সড়কের পেকুয়া চৌমহুনী চৌরাস্তা হইতে মগনামা লঞ্চঘাট ষ্টেশন পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপদ প্রকৌশল অধিদপ্তর। গত ৫মার্চ এ অংশে সংস্কারের জন্য ১৭ কোটি টাকার ই-টেন্ডার নোটিশ জারী করেছে সংশ্লিষ্ট এ দপ্তরটি। সংস্কারের উদ্যোগ নেয়ায় চরম ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয়
পেকুয়া ও মগনামাবাসী।
জানা গেছে, বরইতলি-পেকুয়া-মগনামা সড়কের চৌমহুনী হয়ে মগনামা লঞ্চঘাট পর্যন্ত এ সড়কটির দৈর্ঘ্য ৮ কি.মি। রয়েছে তিন শতাধিক ছোট বড় গর্ত। মাঝে মধ্যে ইট দিয়ে গর্ত সংস্কার করলেও চরম ভোগান্তিতে ছিল পথচারী ও গাড়ি চালকরা। সড়কের এই অংশে পেকুয়া উপজেলার সদর ও প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেকুয়া বাজারের অবস্থান। তাই ভোগান্তি একটু বেশি মাত্রায় পোহাতে হচ্ছিল সড়ক ব্যবহারকারীদের। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে ছিল স্কুল মাদ্রাসা ও কলেজ শিক্ষার্থীদের। বৃষ্টি হলেই স্কুল যাতায়ত বন্ধ ছিল তাদের। যার কারণে সরকার এ সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেন। এছাড়া এ রাস্তা দিয়ে কুতুবদিয়ার জনগনও যাতায়ত করে থাকে। যার কারণে বিশেষ গুরুত্ব পায় এ সড়কের সংস্কার কাজ।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পেকুয়া চৌমহুনী থেকে আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজার এর শেষ অংশ পর্যন্ত আরসিসি ঢালাই করে শক্ত করে সংস্কার করা হবে। বাজার থেকে মগনামা লঞ্চঘাট ষ্টেশন পর্যন্ত পিস ঢালাই দিয়ে সংস্কার হবে। গত ৫মার্চ এ নিয়ে সহকারী প্রকৌশলী চট্রগ্রাম ও নির্বাহী প্রকৌশলী চট্রগাম সাক্ষরিত ই-টেন্ডার নোটিশ জারী করেন। এর সংস্কার ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ কোটি টাকা। এছাড়াও একতা বাজার থেকে পহরচাঁদা পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজও সীগ্রয় শুরু হবে জানা গেছে।
সংস্কারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়ক বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ আজিজ মাহবুব বলেন, এ সড়কের বেহাল দশার দৃশ্য বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে স্বচিত্র সংবাদ পরিবেশন হচ্ছিল। এলাকার এ পরিবেশের জন্য খারাপও লাগছিল। সর্বশেষ সকলের প্রচেষ্টায় সরকারের পক্ষ থেকে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেন। সড়ক ও জনপদ প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ই-টেন্ডার হওয়ায় শীগ্রয় কাজ শুরু হবে। ভোগান্তি কমবে এলাকাবাসীর।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের চকরিয়া কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু আহসান মো: আজিজুল মুস্তফা বলেন, পেকুয়া বাজার থেকে মগনামা ঘাট পর্যন্ত দরপত্র আহবান করা হয়েছে। সীগ্রয় কাজ শুরু করা হবে।


0 Comments