শাহেদ মিজান
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহামদ বলেছেন, কক্সবাজারকে আধুনিক ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গঠন করা হয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সব ঝঞ্ঝা দূর করে কক্সবাজারকে স্বপ্নের সেই আধুনিক ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে
কাজ শুরু করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সেই স্বপ্নের নগরীর শতভাগ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম। বুধবার কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ‘মাস্টার প্ল্যান ও ইমরাত নির্মাণ বিধিমালা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কউক চেয়ারম্যান এই কথা বলেন।
সকাল ১১টায় কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় করেন কউক চেয়ারম্যান। সেখানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ। পরে বিকাল ৪টায় কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামের ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন কউক চেয়ারম্যান। সেখানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাম মোহন। উভয় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কউকের সদস্য (প্রকৌশল) লে. কর্ণেল আনোয়ার উল ইসলাম। — শীর্ষক নগর পরিকল্পনা বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন কউকের উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ সারেয়ার উদ্দীন।
কউক চেয়ারম্যান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, ‘আগামী কক্সবাজার হবে বিশ্বমানের একটি নগরী। যেখানে আধুনিক জীবনের সব ধরণের নাগরিক সুবিধা বিদ্যমান থাকবে। তোমাদের মতো যারা আাগামী প্রজন্ম আছো তারাই এই সর্বাধুনিক শতভাগ সুবিধা পাবে। আমরা সেই স্বপ্নের নগরী গড়তে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের এই অগ্রযাত্রায় তোমাদেরও অংশ গ্রহণ করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। এই জন্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্ত আমার একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। এই জন্য সবার সহযোগিতা দরকার। তার মধ্যে তোমাদের সহযোগিতাও দরকার। তোমাদের অনেক কাজ রয়েছে। তার মধ্যে এই শহরের প্রধান সমস্যা পাহাড়কাটা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ অনেক ক্ষেত্রে তোমরা কাজ করতে পারো। পরিকল্পিতি নগরী গড়তে বসতবাড়িসহ পরিকল্পিত সব স্থাপনা তৈরিতে তোমরা সচেতনতামুলক প্রচারণা চালাবে। বন্ধুদের সাথে তোমাদের এলাকায় পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। নিজেদের ময়লা-আবর্জনা গুলো নির্দিষ্ট স্থানে ফেলবে। নিজের এবং আশেপাশে আত্মীয় স্বজনের স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলতে উদ্বুব্ধ করবে।’
শিক্ষার্থীদের উপদেশ দিয়ে কউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘তোমাদের জন্য এই শহর গড়ে তুলছি। একদিন এই শহরের দায়িত্ব তোমাদের নিতে হবে। তার জন্য যোগ্য হতে হলে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোল। নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রস্তুত হও এবং তার জন্য যোগ্যতা অর্জন কর। কোনোভাবে ভাবে মাদকের কাছে যাবে না। কোনোদিন সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়াবে না। কোনোদিনও অমানুষ হইও না। একজন সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে । মানুষের জন্য মায়া-মমতা থাকতে হবে। কারণ তোমাদের দিকে চেয়ে আছে পুরো জাতি।’
তিনি বলেন, ‘সবার আগে নিজের লক্ষ্য ঠিক করো। আমি দেখতে পাচ্ছি তোমাদের কেউ ইঞ্জিনিয়ার হবে, কেউ হবে ডাক্তার, স্থপতিসহ বড় বড় মানুষ হবে। তুমি শুধু লক্ষ্যটা ঠিক করো এবং জন্য কাজ করো। তাহলে দেখবে এক স্বপ্নসকালে তুমি তোমার জায়গা পৌঁছে গেছো। তুমি যখন লক্ষ্যে পৌঁছার যুদ্ধে জিতে যাবে তাতে লাভ হবে দেশ-জাতি। তাই দেশপ্রেম জাগ্রত করো।’
তিনি আরো বলেন, ‘তোমাদের অত্যন্ত দু:খের সাথে জানাচ্ছি, কক্সবাজার
বিশ্বমানের পর্যটন নগরী হলেও এই শহরকে নিয়ে সেভাবে চিন্তা করা হয়নি। অতীতে
দায়িত্ব পালন করা লোকগুলোর পরিকল্পনা ও দায়িত্বহীনতা কারণে শহরটি অনেক
প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে। এই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠা যাবে; তবে সময়
লাগবে। আমরা কাজ করছি, ইনশাল্লাহ পারবো। তার জন্য আমরা তোমারসহ সব মানুষকে
সাথে চাই।’
কউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আধুনিক ও সুন্দর শহরকে গড়কে কউক কোনো বাধা মানবে না। বাধা সৃষ্টিকারীদের আইন মতো প্রতিরোধ করে আমরা এগিয়ে যাবো। আইন মানতেই হবে। না মানলে ব্যবস্থা হবেই।’ পরে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহামদ বলেছেন, কক্সবাজারকে আধুনিক ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গঠন করা হয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সব ঝঞ্ঝা দূর করে কক্সবাজারকে স্বপ্নের সেই আধুনিক ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে
কাজ শুরু করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সেই স্বপ্নের নগরীর শতভাগ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম। বুধবার কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ‘মাস্টার প্ল্যান ও ইমরাত নির্মাণ বিধিমালা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কউক চেয়ারম্যান এই কথা বলেন।
সকাল ১১টায় কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় করেন কউক চেয়ারম্যান। সেখানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ। পরে বিকাল ৪টায় কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামের ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন কউক চেয়ারম্যান। সেখানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাম মোহন। উভয় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কউকের সদস্য (প্রকৌশল) লে. কর্ণেল আনোয়ার উল ইসলাম। — শীর্ষক নগর পরিকল্পনা বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন কউকের উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ সারেয়ার উদ্দীন।
কউক চেয়ারম্যান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, ‘আগামী কক্সবাজার হবে বিশ্বমানের একটি নগরী। যেখানে আধুনিক জীবনের সব ধরণের নাগরিক সুবিধা বিদ্যমান থাকবে। তোমাদের মতো যারা আাগামী প্রজন্ম আছো তারাই এই সর্বাধুনিক শতভাগ সুবিধা পাবে। আমরা সেই স্বপ্নের নগরী গড়তে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের এই অগ্রযাত্রায় তোমাদেরও অংশ গ্রহণ করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। এই জন্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্ত আমার একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। এই জন্য সবার সহযোগিতা দরকার। তার মধ্যে তোমাদের সহযোগিতাও দরকার। তোমাদের অনেক কাজ রয়েছে। তার মধ্যে এই শহরের প্রধান সমস্যা পাহাড়কাটা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ অনেক ক্ষেত্রে তোমরা কাজ করতে পারো। পরিকল্পিতি নগরী গড়তে বসতবাড়িসহ পরিকল্পিত সব স্থাপনা তৈরিতে তোমরা সচেতনতামুলক প্রচারণা চালাবে। বন্ধুদের সাথে তোমাদের এলাকায় পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। নিজেদের ময়লা-আবর্জনা গুলো নির্দিষ্ট স্থানে ফেলবে। নিজের এবং আশেপাশে আত্মীয় স্বজনের স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলতে উদ্বুব্ধ করবে।’
শিক্ষার্থীদের উপদেশ দিয়ে কউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘তোমাদের জন্য এই শহর গড়ে তুলছি। একদিন এই শহরের দায়িত্ব তোমাদের নিতে হবে। তার জন্য যোগ্য হতে হলে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোল। নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রস্তুত হও এবং তার জন্য যোগ্যতা অর্জন কর। কোনোভাবে ভাবে মাদকের কাছে যাবে না। কোনোদিন সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়াবে না। কোনোদিনও অমানুষ হইও না। একজন সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে । মানুষের জন্য মায়া-মমতা থাকতে হবে। কারণ তোমাদের দিকে চেয়ে আছে পুরো জাতি।’
তিনি বলেন, ‘সবার আগে নিজের লক্ষ্য ঠিক করো। আমি দেখতে পাচ্ছি তোমাদের কেউ ইঞ্জিনিয়ার হবে, কেউ হবে ডাক্তার, স্থপতিসহ বড় বড় মানুষ হবে। তুমি শুধু লক্ষ্যটা ঠিক করো এবং জন্য কাজ করো। তাহলে দেখবে এক স্বপ্নসকালে তুমি তোমার জায়গা পৌঁছে গেছো। তুমি যখন লক্ষ্যে পৌঁছার যুদ্ধে জিতে যাবে তাতে লাভ হবে দেশ-জাতি। তাই দেশপ্রেম জাগ্রত করো।’
শিক্ষার্থীদের একাংশ
কউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আধুনিক ও সুন্দর শহরকে গড়কে কউক কোনো বাধা মানবে না। বাধা সৃষ্টিকারীদের আইন মতো প্রতিরোধ করে আমরা এগিয়ে যাবো। আইন মানতেই হবে। না মানলে ব্যবস্থা হবেই।’ পরে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।


0 Comments