ফারাক্কা ও গাজলডোবা বাঁধ ভেঙে দেয়ার দাবি তুলেছে বাংলাদেশ পরিবেশ
আন্দোলন (বাপা) ও জাতীয় নদী রক্ষা আন্দোলন। একইসঙ্গে জাতিসংঘ পানি প্রবাহ
আইনের ভিত্তিতে গঙ্গা ও তিস্তা অববাহিকায় আঞ্চলিক পানি ব্যবহার চুক্তি
নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাপা’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আব্দুল মতিন বলেন, গঙ্গা অববাহিকার মাত্র ৮ শতাংশ বাংলাদেশের, বাকিটা ভারতের। তাই, বলে গঙ্গা চুক্তিতে ভারতকে ৯২ শতাংশ পানি দেয়ার কথা বলা হয়নি। আবার তিস্তা নদীর অববাহিকার ১৬ শতাংশ বাংলাদেশে। অথচ সমগ্র তিস্তা অববাহিকার ৫০ শতাংশ মানুষ বাংলাদেশ অংশে বাস করে। তাই যথাযথ পরিবেশ বিবেচনায়, তিস্তার পানি ব্যবহার প্রশ্নে নদীর নিজের জন্য (ই-ফ্লো) ন্যূনতম ৩ হাজার ২শ’ কিউসেক পানি রেখে বাকিটুকু ৫০ অনুপাত ৫০ ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবহৃত হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুদিন পরেই ভারত সফর করবেন। আশা করি এ সফরে বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে, -বলেন মতিন।
এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাপা’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আব্দুল মতিন বলেন, গঙ্গা অববাহিকার মাত্র ৮ শতাংশ বাংলাদেশের, বাকিটা ভারতের। তাই, বলে গঙ্গা চুক্তিতে ভারতকে ৯২ শতাংশ পানি দেয়ার কথা বলা হয়নি। আবার তিস্তা নদীর অববাহিকার ১৬ শতাংশ বাংলাদেশে। অথচ সমগ্র তিস্তা অববাহিকার ৫০ শতাংশ মানুষ বাংলাদেশ অংশে বাস করে। তাই যথাযথ পরিবেশ বিবেচনায়, তিস্তার পানি ব্যবহার প্রশ্নে নদীর নিজের জন্য (ই-ফ্লো) ন্যূনতম ৩ হাজার ২শ’ কিউসেক পানি রেখে বাকিটুকু ৫০ অনুপাত ৫০ ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবহৃত হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুদিন পরেই ভারত সফর করবেন। আশা করি এ সফরে বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে, -বলেন মতিন।
এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


0 Comments