উপজেলায় স্বামী বাবুল (৩৮) খুনের ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী রেখা (২২), প্রেমিক
লেমশীখালী সাইরা পাড়ার নুরুল ইসলামের পুত্র ফরিদ সওদাগর, একই এলাকার
মোজাম্মেল হকের পুত্র গোলাম রহমান (৩৭), ছৈয়দ আহমদের পুত্র রিক্সা চালক
আলতাজ (২০) ও পিতা অজ্ঞাত মুহাম্মদ হোছাইন (পলাতক)সহ ৫জনকে কে আসামী করে
নিহতের বড়ভাই আবু তাহের গতকাল রবিবার থানায় হত্যা মামলা রুজু করেছেন। নিহত
ব্যক্তির ময়না তদন্ত শেষে রবিবার পারিবারিক কবরস্তানে লাশ দাফন করা হয়েছে।
ধৃত ৪ ঘাতকের মধ্যে রেখা, ফরিদ ও আলতাজ পুলিশ এবং আদালতে দোষ স্বীকার করেন
যে “প্রেমিক ফরিদের সিদ্ধান্ত মতে রেখা তার স্বামী বাবুলকে ঘুমের বড়ি
খাওয়াইয়া অনেকটা অবস অবস্থায় মুখে কাপড়, হাত-পা ও গলায় রশি পেঁচিয়ে
শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে উত্তর কৈয়ারবিল বিন্দাপাড়া
রোডস্থ কালভার্টের ১০ গজ উত্তর-পূর্বে রাত ১২টায় খুন করেছে ৫ কিলার। তারা
আরো বলেন রিক্সা চালক নিজের গেন্জি দিয়ে মূখ বাঁধে, গোলাম রহমান ও মুহাম্মদ
হোছাইন হাত-পা বাঁধে এবং ফরিদ শ্বাসরুদ্ধ করে খুন করেন।” নিহত ব্যক্তি বেশ
কিছুদিন অসুস্থ থাকায় গত শুক্রবার সকালে একাই চকরিয়া উপজেলায় জমজম
হাসপাতালে যান চিকিৎসার জন্য। এ দিকে বাপের বাড়ীতে অবস্থানরত স্ত্রী রেখা এ
খবর জেনে চকরিয়ায় গিয়ে স্বামীর সাথে সাক্ষাত করে চিকিৎসা শেষে রাত ৯টার
পারাপার ঘাটে উপজেলার দরবার জেটিতে নামেন। এ সময় রেখা কৌশলে তার স্বামীকে
প্রচুর পরিমাণে ঘুমের বড়ি খাওয়ালে অনেকটা অচেতন অবস্থায় স্ত্রীর কথা মতে
চলতে থাকেন হতভাগা স্বামী বাবুল। অবশেষে কিলাররা তাকে খুন করে পালিয়ে গেলেও
পুলিশী অভিযানে ১জন ছাড়া ৪জন ধরা পড়ে যান। গত শনিবার ভোরে বাবুলের লাশ
উদ্ধার করেন পুলিশ। পেশাগতকাজে আন্তরিক হলে অপরাধী আটকানো কোন ব্যাপারই নয়
বলে জানিয়েছেন থানা ওসি এ.এস.থোয়াই।

0 Comments