কোথাও যদি বিজিবি হামলা কিংবা নাশকতার শিকার হয় তাহলে আত্মরক্ষার্থে
বিজিবি অস্ত্র ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল
আজিজ আহম্মেদ।
তিনি বলেন, "বিজিবি মানুষ হত্যা করতে চায় না। সে ধরনের নির্দেশও বিজিবির ওপর নেই। তবে মানুষ হত্যা করতে দেখলে এবং নিজে আক্রান্ত হলে জীবন বাঁচানোর তাগিদে যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করবে বিজিবি।"
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিজিবি
হেডকোয়ার্টার্সে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
বিজিবি মহাপরিচালক জানান, "দেশের ৩৫টি জেলা প্রশাসক বিজিবি মোতায়েনের জন্য আবেদন করেন। বর্তমানে ১৭টি জেলায় বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। জেলা প্রশাসকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। কিছু কিছু জায়গায় বিজিবি স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে, প্রয়োজনে নামানো হবে।"
তিনি বলেন, "যদিও এ দায়িত্ব পালন করা আমাদের পক্ষে কষ্টকর। লোকজন ছুটি পাবেনা। তারপরও দেশ ও জনগণের স্বার্থে আমরা এ দায়িত্ব পালন করবো।"
তিনি আরো বলেন, "অবরোধের কারণে রাস্তায় যান চলাচলেও নিরাপত্তা দিচ্ছে বিজিবি। জনগণকে ‘সেন্স অব সিকিউরিটি’ দেওয়ার জন্য যতদিন দরকার ততদিন বিজিবি মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাবে বলেও জানান তিনি।"
এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, "বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত মহাসড়কগুলোতে প্রায় ৩৫ হাজার যান চলাচল করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান সদস্যদের সাথে যান চলাচলের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা সহায়তা করছে।"
এক প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, "সীমান্ত পাহারা বিজিবির প্রধান কাজ হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সাহায্য করাও বিজিবির দায়িত্ব।"
গত এক বছরে বিজিবির সফলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, "সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা ও সন্ত্রাসীদের কবল থেকে জনসাধারণের জানমাল রক্ষা করে বিজিবি সবার আস্থা অর্জন করেছে।"
তিনি বলেন, "বিজিবি মানুষ হত্যা করতে চায় না। সে ধরনের নির্দেশও বিজিবির ওপর নেই। তবে মানুষ হত্যা করতে দেখলে এবং নিজে আক্রান্ত হলে জীবন বাঁচানোর তাগিদে যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করবে বিজিবি।"
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিজিবি
হেডকোয়ার্টার্সে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
বিজিবি মহাপরিচালক জানান, "দেশের ৩৫টি জেলা প্রশাসক বিজিবি মোতায়েনের জন্য আবেদন করেন। বর্তমানে ১৭টি জেলায় বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। জেলা প্রশাসকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। কিছু কিছু জায়গায় বিজিবি স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে, প্রয়োজনে নামানো হবে।"
তিনি বলেন, "যদিও এ দায়িত্ব পালন করা আমাদের পক্ষে কষ্টকর। লোকজন ছুটি পাবেনা। তারপরও দেশ ও জনগণের স্বার্থে আমরা এ দায়িত্ব পালন করবো।"
তিনি আরো বলেন, "অবরোধের কারণে রাস্তায় যান চলাচলেও নিরাপত্তা দিচ্ছে বিজিবি। জনগণকে ‘সেন্স অব সিকিউরিটি’ দেওয়ার জন্য যতদিন দরকার ততদিন বিজিবি মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাবে বলেও জানান তিনি।"
এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, "বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত মহাসড়কগুলোতে প্রায় ৩৫ হাজার যান চলাচল করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান সদস্যদের সাথে যান চলাচলের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা সহায়তা করছে।"
এক প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, "সীমান্ত পাহারা বিজিবির প্রধান কাজ হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সাহায্য করাও বিজিবির দায়িত্ব।"
গত এক বছরে বিজিবির সফলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, "সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা ও সন্ত্রাসীদের কবল থেকে জনসাধারণের জানমাল রক্ষা করে বিজিবি সবার আস্থা অর্জন করেছে।"


0 Comments