উখিয়া প্রতিনিধি\
উখিয়ায় ডিমান্ড
সাইড ফান্ড
বা ডিএসএফ
প্রকল্পের মাধ্যমে
গত ৬
বছরে মাতৃ
ও শিশু
মৃত্যু হার
উল্লেখযোগ্য হারে
হ্রাস পেয়েছে৷
এ প্রকল্পের
আওতায় বাস্তবায়নাধীন
মাতৃ স্বাস্থ্য
ভাউচার স্কীমে
উল্লেখিত সময়ে
উখিয়ায় প্রায়
১২ হাজার
প্রসূতী মায়ের
চিকিত্সা প্রদান
করা হয়েছে৷
এ সময়ে
এ খাতে
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার সহযোগিতায়
সরকারের স্বাস্থ্য
ও পরিবার
কল্যাণ মন্ত্রণালায়
প্রায় সাড়ে
৩৮ লক্ষ
টাকা ব্যয়
করেছে৷ সারা
দেশে ১৩২টি উপজেলায়
চলমান প্রকল্পের
মধ্যে গত
বছর উখিয়া
উপজেলা প্রথম
স্থান অর্জন
করে জাতীয়
ভাবে পুরস্কার
লাভ করেছে৷ উখিয়া উপজেলা
স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ
কর্মকর্তা ডাঃ
এসএম আবু
সাঈদ বলেন,
সীমিত জনবল,
নানা কারিগরী
সংকটের মাঝেও
উখিয়ায় ডিএসএফ
প্রকল্পের মাতৃ
স্বাস্থ্য ভাউচার
স্কীম বাস্তবায়নের
কাজ সন্তোষ
জনক ভাবে
এগিয়ে চলছে৷
কক্সবাজার জেলা
ও দেশে
তুলনামূলক ভাবে
উখিয়ার লোকজন
স্বাস্থ্য সেবা
থেকে অনেক
পিছিয়ে৷ বিশেষ
করে কুসংস্কার
ও রক্ষণশীলতার
কারণে এখানে
অনিরাপদ সনাতন
পদ্ধতিতে সন্তান
প্রসব করা,
সন্তান গর্ভাবস্থায়
মায়ের প্রতি
পরিবারের অন্যান্যদের
অবহেলা, অপুষ্টি
সহ নানা
স্বাস্থ্যহানীকর ও
ঝুঁিকপূর্ণ সন্তান
ধারণ, প্রসবকালে
মাতৃ ও
শিশু মৃত্যু
হার তুলনামূলক
বেশি ছিল৷
২০০৮ সালে
মে মাসে
এখানে এ
কর্মসূচী শুরু
হওয়ার পর
থেকে এখানকার
প্রসূতি মা’রে স্বাস্থ্য
সচেতনতা মূলক
নানা কর্মপরিকল্পনা
গ্রহণ করা
হয়৷ ডাঃ এসএম
আবু সাঈদ
জানান, মাতৃ
স্বাস্থ্য ভাউচার
স্কীম চালুর
পর সরকারী
নির্দেশনা অনুযায়ী
মাঠ পর্যায়ে
নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট
এলাকার স্বাস্থ্য
সহকারী ও
পরিবার কল্যাণ
সহকারীরা প্রসূতি
মনোনয়ন করে
থাকে৷ মাঠ
পর্যায়ে মনোনীত
প্রসূতিদের হাসপাতাল
থেকে নিরাপদ
প্রসব সংক্রান্ত
তথ্যাদি সম্বলিত
একটি করে
বিনা মূল্যে
বই প্রদান
করা হয়৷
প্রসূতি মনোনয়নের
ক্ষেত্রে সন্তান
সম্ভাবা মাকে
উখিয়ার স্থায়ী
বাসিন্দা, মাসিক
আয় সর্বোচ্চ
৩ হাজার
টাকার বেশি
নয়, দুটি
সন্তানের অধিক
নয় ও
দরিদ্র সীমার
নিচের বসবাসকারী
শ্রেণির মা’রে এ
বই প্রদান
করা হয়৷
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা ডিএসএফ
অর্গানাইজার ওমর
শরীফ শিবলী
বলেন, সংশ্লিষ্ট
স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ
মাঠ সহকারী
কর্তৃক বাছাইকৃত
প্রসূতিদের গর্ভকালীন
সময়ে উপজেলা
হাসপাতালে ৫
বার চেকআপ
করাতে হয়৷
প্রতিবার চেকআপে
যাতায়াত ভাতা
বাবদ ১শত
টাকা হারে
প্রদান করা
হয়৷ সরকারী
হাসপাতালে গ্রামাঞ্চলে
প্রশিক্ষিত দাইদের
মাধ্যমে স্বাভাবিক
সন্তান প্রসব
করানো হলে
৫শত টাকা,
হাসপাতালে ডেলিভারী
করানো হলে
২ হাজার
টাকা, প্রসূতি
রোগীদের জন্য
ফ্রি এ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা, নিরাপদ
প্রসব রোগীদের
জন্য ১৫০
টাকার ঔষধ
ফ্রি, সিজারিয়ান
রোগীদের জন্য
সর্বোচ্চ ৩
হাজার টাকার
ঔষধ বিনা
মূল্যে প্রকল্প
থেকে প্রদান
করা হয়৷
উল্লেখিত সময়ের
মধ্যে উখিয়ায়
১১ হাজার
৮শ ২৫
জন প্রসূতি
মাকে বিনা
মূল্যে চিকিত্সা
সেবা প্রদান
করা হয়েছে৷
তত্মধ্যে ১০
হাজার ৫শ
৫৪ জন
মা স্বাভাবিক
নিরাপদ ও
১ হাজার
১শ ৭১
জন সিজারিয়ানের
মাধ্যমে সন্তান
প্রসব করা
হয়৷ দীর্ঘ
৬ বছরে
এ প্রকল্পের
আওতায় প্রায়
১২ হাজার
মাকে নিরাপদ
সন্তান প্রসবের
সুযোগ প্রদানের
পাশাপাশি এ
খাতে সাড়ে
৩৮ লক্ষ
টাকা মা’রে কাছে
বিতরণ করা
হয়েছে৷ এ
সময়ে মাত্র
১ জন
প্রসূতি মা’রে মৃত্যু
ঘটেছে৷ গ্রামাঞ্চলের
অতিদরিদ্র প্রসূতি
মা’রা
সরকারী এ
সুবিধার আওতায়
না আস
েঅনেক মা
ও শিশুর
মৃত্যু ঘটার
আশংকা ছিল
বলে উপজেলা
স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ
কর্মকর্তা জানান৷

0 Comments