১৪ এপ্রিল অপহরণের ৫ দিন পর শুক্রবার রাত ১১টার দিকে মুক্তি পেয়েছেন
রাঙামাটির দুই যুবক সৌরভ চাকমা টিনটিন ও নবজিত চাকমা রিকি। অপহৃত সৌরভ
চাকমার বড় ভাই সাবেক জাতীয় দলের ফুটবলার কিংশুক চাকমা মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন। তবে তাদের কোথায় কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তি দেয়া
হয়েছে সেই সম্পর্কে কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের সীমান্তবর্তী ক্যাংড়াছড়ি এলাকা থেকে গত ১৪ এপ্রিল অপহৃত হন সৌরভ চাকমা ও নবজিত চাকমা । এই ঘটনায়
পরদিন ১৫ এপ্রিল রাঙামাটির নানিয়ারচর থানায় মামলা দায়ের করেছেন অপহৃত সৌরভ চাকমা টিনটিন এর বড় ভাই সাবেক জাতীয় ফুটবলার কিংশুক চাকমা। অপহৃত দুই তরুণই সংগীত শিল্পী এবং সৌরভ চাকমার পিতা পিডিবির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত দেওয়ান এবং তার শ্বশুর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুষার কান্তি চাকমা। তার চাচা জাতিসংঘ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচি-পার্বত্য চট্টগ্রাম এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ চাকমা।
অপহৃতদের পরিবার ও পুলিশ জানিয়েছিলো, পহেলা বৈশাখের দিন বিকেল পাঁচটায় খাগড়াছড়ি থেকে অটোরিক্সাযোগে রাঙামাটি আসার পথে পথিমধ্যে একদল সশস্ত্র পাহাড়ী যুবক তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। এবং তাদের দুই বন্ধুকে নামিয়ে নিয়ে যায়।
অপহৃতদের উদ্ধারে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছিলেন নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল। তিনি আরো জানিয়েছিলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ অপহৃতদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। কারা অপহরণ করেছে সেই সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।
এর আগে অপহৃতদের মুক্তিপণ হিসেবে ২ লাখ ডলার মুক্তিপণ চাওয়ার কথা শোনা গেলেও অপহৃত সৌরভ চাকমার বড় ভাই কিংশুক চাকমা এবং নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। তবে অপহৃতদের ঘনিষ্ঠ পারিবারিক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অপহরণের পরদিনই অপহরণকারীরা পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে এবং মুক্তিপণ হিসেবে দুই লাখ ডলার দাবি করেন।
অপহৃত সৌরভ চাকমার বড় ভাই ও সাবেক জাতীয় ফুটবলার কিংশুক চাকমা জানিয়েছিলেন, গত ১৪ এপ্রিল অপহরণের ঘটনাটি ঘটলেও আমরা উদ্ধারের সুবিধার্থে এবং তাদের নিরাপত্তার কারণে বিষয়টি গনমাধ্যমকে জানাইনি, তবে আইন-শৃংখলা বাহিনী ও আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে চেষ্টা অব্যাহত ছিলো এবং এখনো আছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ এপ্রিল খাগড়াছড়ি থেকে রাঙামাটি আসার পথে মহালছড়ি উপজেলাধীন ক্যাংরাছড়ি এলাকা থেকে অপহৃত হন সৌরভ চাকমা ও নবজিত চাকমা। অপহৃতদের কারা অপহরণ করেছে সেই সম্পর্কে মুখ খোলেনি কেউ, অপহৃতদের পরিবারও কাউকে দায়ি করেনি এখনো।
রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের সীমান্তবর্তী ক্যাংড়াছড়ি এলাকা থেকে গত ১৪ এপ্রিল অপহৃত হন সৌরভ চাকমা ও নবজিত চাকমা । এই ঘটনায়
পরদিন ১৫ এপ্রিল রাঙামাটির নানিয়ারচর থানায় মামলা দায়ের করেছেন অপহৃত সৌরভ চাকমা টিনটিন এর বড় ভাই সাবেক জাতীয় ফুটবলার কিংশুক চাকমা। অপহৃত দুই তরুণই সংগীত শিল্পী এবং সৌরভ চাকমার পিতা পিডিবির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত দেওয়ান এবং তার শ্বশুর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুষার কান্তি চাকমা। তার চাচা জাতিসংঘ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচি-পার্বত্য চট্টগ্রাম এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ চাকমা।
অপহৃতদের পরিবার ও পুলিশ জানিয়েছিলো, পহেলা বৈশাখের দিন বিকেল পাঁচটায় খাগড়াছড়ি থেকে অটোরিক্সাযোগে রাঙামাটি আসার পথে পথিমধ্যে একদল সশস্ত্র পাহাড়ী যুবক তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। এবং তাদের দুই বন্ধুকে নামিয়ে নিয়ে যায়।
অপহৃতদের উদ্ধারে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছিলেন নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল। তিনি আরো জানিয়েছিলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ অপহৃতদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। কারা অপহরণ করেছে সেই সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।
এর আগে অপহৃতদের মুক্তিপণ হিসেবে ২ লাখ ডলার মুক্তিপণ চাওয়ার কথা শোনা গেলেও অপহৃত সৌরভ চাকমার বড় ভাই কিংশুক চাকমা এবং নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। তবে অপহৃতদের ঘনিষ্ঠ পারিবারিক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অপহরণের পরদিনই অপহরণকারীরা পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে এবং মুক্তিপণ হিসেবে দুই লাখ ডলার দাবি করেন।
অপহৃত সৌরভ চাকমার বড় ভাই ও সাবেক জাতীয় ফুটবলার কিংশুক চাকমা জানিয়েছিলেন, গত ১৪ এপ্রিল অপহরণের ঘটনাটি ঘটলেও আমরা উদ্ধারের সুবিধার্থে এবং তাদের নিরাপত্তার কারণে বিষয়টি গনমাধ্যমকে জানাইনি, তবে আইন-শৃংখলা বাহিনী ও আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে চেষ্টা অব্যাহত ছিলো এবং এখনো আছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ এপ্রিল খাগড়াছড়ি থেকে রাঙামাটি আসার পথে মহালছড়ি উপজেলাধীন ক্যাংরাছড়ি এলাকা থেকে অপহৃত হন সৌরভ চাকমা ও নবজিত চাকমা। অপহৃতদের কারা অপহরণ করেছে সেই সম্পর্কে মুখ খোলেনি কেউ, অপহৃতদের পরিবারও কাউকে দায়ি করেনি এখনো।


0 Comments