সবকিছু ঠিকঠাক চললে আর মাত্র তিনদিন পরেই তাদের বিয়ে হতো। কিন্তু বাধ
সাধলেন প্রেমিক। সাফ জানিয়ে দিলেন প্রেমিকাকে, এখন বিয়ে করতে পারবেন না। আর
তাতেই চটলেন প্রেমিকা। শুধু চটলে কথা ছিল, রীতিমত সিনেমার কায়দায় গুণ্ডা
ভাড়া করে প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ কেটে নিলেন প্রিসিলা কাস্ত্রো। তারপর পুলিশের
খাতায় নাম উঠলেও নিরুদ্দেশ হয়ে টানা দশ বছর পালিয়ে পালিয়েই জীবন
কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু বিধি বাম। আপাতত ধরা পড়ে ওই নারীর জায়গা হয়েছে
জেলখানায়।
ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাজিলে। ১০ বছর নিরুদ্দেশ থাকার পর সম্প্রতি ওই নারীকে
পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ৬ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে তার। প্রিসিলা কাস্ত্রোকে
জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, বিয়ের কয়েকদিন আগে বিয়ে ভেঙে দিয়েছিলেন তার
হবু স্বামী। এর পরপরই পেশায় চিকিৎসক এই প্রেমিকা হিংস্র হয়ে ওঠেন। তার
বিচার-বুদ্ধি লোপ পায়। ফলে ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনার জন্ম দেন প্রিসিলা।
এখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনজন দুষ্কৃতিকারীকে টাকা দিয়ে তার প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়ার নির্দেশ দেন তিনি। আদালতে সাক্ষী দিতে উঠে ওই তিন ভাড়াটে গুণ্ডা জানিয়েছে যে, কাস্ত্রোর নির্দেশে তারা ওই ব্যক্তিকে অপহরণ করে এবং ছুরি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে নেয়।
এখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনজন দুষ্কৃতিকারীকে টাকা দিয়ে তার প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়ার নির্দেশ দেন তিনি। আদালতে সাক্ষী দিতে উঠে ওই তিন ভাড়াটে গুণ্ডা জানিয়েছে যে, কাস্ত্রোর নির্দেশে তারা ওই ব্যক্তিকে অপহরণ করে এবং ছুরি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে নেয়।


0 Comments