আবদুর রাজ্জাক,মহেশখালী :
কক্সবাজারের উপকুলীয় দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর ছয়টি ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রেগুলিতে বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রয়োজনীয় লোকবলের চরম সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা হতে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। গরীব ও নিরহ লোকদের সরকারী ভাবে বিনামূল্যে বিভিন্ন রকম ঔষধ দেয়ার নিয়ম থাকলেও এখানে তা মানা হচ্ছে না। উক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত নার্সদের টাকা না দিলে তারা কোন ঔষধ দেয়া হয়না বলে জানা গেছে। এমনকি সরকারীভাবে জনসাধারণকে বিনামূল্যে বিতরণের বিভিন্ন ঔষধ খোলঅ বাজারে বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসিরা জানান । এ ছাড়া ২টি ইউনিয়নে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র কয়েক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। চালু থাকা কেন্দ্র সমূহের মাধ্যে ও ডাক্তার নেই বহু দিন থেকে এ কারণে গ্রামে গঞ্জের অসহায় লোকজন চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাতারবাড়ি, ধলঘাটা, হোয়ানক, শাপলাপুর, বড় মহেশখালী ও কুতুবজোম ইউনিয়নে ছয়টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র থাকলেও তা গরীব ও নিরহ জনগণের চিকিৎসার কাজে আসছেনা। একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা,একজন উপ-সহকারি কমিউনিটি চিকিৎসক কর্মকর্তা সহ ৬ জন লোকবল থাকার কথা। ৬ টি কেন্দ্রের কোনটিতে মেডিকেল অফিসার কর্মরত নেই। চাকমো পদ ৬টিতে আছে মাত্র ৩’জন, ভিজিটর আছে ১জন,৬ জন ফারর্মাসিষ্ট এর স্থলে ছয়টিও শূন্য,মিডওয়াইফ (ধাত্রী) ১ জনের স্থানে শূন্য,নার্সকোটা ২টিতে খালী রয়েছে। ৬জন মালীতে আছে ১জন,৭ আয়ার স্থলে আছে ৩জন ৪টিতে শূন্য । এসব লোকবল শূন্য থাকার দরুন ধলঘাটা, ও কুতুবজোম ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে র্দীঘ কয়েক বছর ধরে। আর বাকি ৪টি ইউনিয়ন শাপলাপুর, মাতারবাড়ি ও হোয়ানক বড় মহেশখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অবস্থা আরো করুণ দশা । শুধু ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নয় উপজেলা কেন্দ্র ও সতেরটি পদের জায়গায় ৮টি পদেই শূন্য।এসব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা কর্মকর্তা ,ভিজিটর ছাড়া, শুধু উপ-সহকারি কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তার মাধ্যমে জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে এসব ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো। এই কেন্দ্র গুলি দু’বছর ধরে বন্ধ থাকায় এলাকার লোকজন চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না। অপরদিকে স্বাস্থ্য কেন্দেগুলিতে নিয়মিত একজন চিকিৎসক না থাকায় উপকুলের লোকজন নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এলাকার হাতুড়ে চিকিৎসকদের শরানাপন্ন হয়ে ভুল চিকিৎসার কারণে অনেক মৃত্যু বরণ করছে।সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, কুতুবজোম, মতারবাড়ি,ধলঘাট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রটিগুলি বন্ধ রয়েছে। উপকুলীয় এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র সম্ভল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি বন্ধ থাকার কারণে স্থানীয় লোকজন সেবার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে ফিরে যাচ্ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করার ব্যাপারে কোন রকম উদ্যোগ নিচ্ছে না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ১৮ নভেম্বর ৫টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে পাঁচ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়। যোগদানের কয়েক মাস পর তদবির করে এসব চিকিৎসকরা অন্যত্র বদলি হয়ে যায়। এলাকার সচেতন মহলের মতে চিকিৎসক সহ অন্যান্য লোকবল চরম সংকটের কারণে এই এলাকার তিন লক্ষাধিক মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে নানা ভাবে বঞ্চিত হলেও এসব দেখার কেউ নেই। তিনি অনতিবিলম্বে চিকিৎসক সহ অন্যান্য শুন্য পদে লোকবল নিয়ে নিয়োগ দিয়ে এলাকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত অতীব প্রয়োজন। মহেশখালী পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে লোকবল সংকটের কারণে গ্রামে লোকজন স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করার জন্য লোকবল চেয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট একাধিকবার আবেদন করার পর পরও কর্তপক্ষ কোন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে না। স্থানীয় ভাবে লোকবল নিয়োগ দিয়ে সংকট দূর করা গেলে সকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর মাঝে সেবার মান বাড়বে। তিনি আরো জানান ৩৮’জন এফ ডাব্লিও এর কোটায় ২৮জন কর্মস্থলে থাকলে ১০ জন বৃদ্ধ বয়স্ক ও অসুস্থতা জনিত কারনে কাজ করতে অক্ষম।
মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালের আর এম ও ডাঃ মাফুজুল হক বলেন, হাসপাতালের জন্য ২৯টি ডাক্তারের পদ থাকলেও আছে ৬ জন, একারনে হাসপাতালে আগত রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হয়।যার কারণে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে । তিনি জানান ডাক্তার,নার্স ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অবিহিত করা হয়েছে।
কক্সবাজারের উপকুলীয় দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর ছয়টি ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রেগুলিতে বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রয়োজনীয় লোকবলের চরম সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা হতে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। গরীব ও নিরহ লোকদের সরকারী ভাবে বিনামূল্যে বিভিন্ন রকম ঔষধ দেয়ার নিয়ম থাকলেও এখানে তা মানা হচ্ছে না। উক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত নার্সদের টাকা না দিলে তারা কোন ঔষধ দেয়া হয়না বলে জানা গেছে। এমনকি সরকারীভাবে জনসাধারণকে বিনামূল্যে বিতরণের বিভিন্ন ঔষধ খোলঅ বাজারে বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসিরা জানান । এ ছাড়া ২টি ইউনিয়নে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র কয়েক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। চালু থাকা কেন্দ্র সমূহের মাধ্যে ও ডাক্তার নেই বহু দিন থেকে এ কারণে গ্রামে গঞ্জের অসহায় লোকজন চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাতারবাড়ি, ধলঘাটা, হোয়ানক, শাপলাপুর, বড় মহেশখালী ও কুতুবজোম ইউনিয়নে ছয়টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র থাকলেও তা গরীব ও নিরহ জনগণের চিকিৎসার কাজে আসছেনা। একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা,একজন উপ-সহকারি কমিউনিটি চিকিৎসক কর্মকর্তা সহ ৬ জন লোকবল থাকার কথা। ৬ টি কেন্দ্রের কোনটিতে মেডিকেল অফিসার কর্মরত নেই। চাকমো পদ ৬টিতে আছে মাত্র ৩’জন, ভিজিটর আছে ১জন,৬ জন ফারর্মাসিষ্ট এর স্থলে ছয়টিও শূন্য,মিডওয়াইফ (ধাত্রী) ১ জনের স্থানে শূন্য,নার্সকোটা ২টিতে খালী রয়েছে। ৬জন মালীতে আছে ১জন,৭ আয়ার স্থলে আছে ৩জন ৪টিতে শূন্য । এসব লোকবল শূন্য থাকার দরুন ধলঘাটা, ও কুতুবজোম ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে র্দীঘ কয়েক বছর ধরে। আর বাকি ৪টি ইউনিয়ন শাপলাপুর, মাতারবাড়ি ও হোয়ানক বড় মহেশখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অবস্থা আরো করুণ দশা । শুধু ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নয় উপজেলা কেন্দ্র ও সতেরটি পদের জায়গায় ৮টি পদেই শূন্য।এসব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা কর্মকর্তা ,ভিজিটর ছাড়া, শুধু উপ-সহকারি কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তার মাধ্যমে জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে এসব ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো। এই কেন্দ্র গুলি দু’বছর ধরে বন্ধ থাকায় এলাকার লোকজন চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না। অপরদিকে স্বাস্থ্য কেন্দেগুলিতে নিয়মিত একজন চিকিৎসক না থাকায় উপকুলের লোকজন নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এলাকার হাতুড়ে চিকিৎসকদের শরানাপন্ন হয়ে ভুল চিকিৎসার কারণে অনেক মৃত্যু বরণ করছে।সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, কুতুবজোম, মতারবাড়ি,ধলঘাট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রটিগুলি বন্ধ রয়েছে। উপকুলীয় এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র সম্ভল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি বন্ধ থাকার কারণে স্থানীয় লোকজন সেবার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে ফিরে যাচ্ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করার ব্যাপারে কোন রকম উদ্যোগ নিচ্ছে না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ১৮ নভেম্বর ৫টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে পাঁচ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়। যোগদানের কয়েক মাস পর তদবির করে এসব চিকিৎসকরা অন্যত্র বদলি হয়ে যায়। এলাকার সচেতন মহলের মতে চিকিৎসক সহ অন্যান্য লোকবল চরম সংকটের কারণে এই এলাকার তিন লক্ষাধিক মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে নানা ভাবে বঞ্চিত হলেও এসব দেখার কেউ নেই। তিনি অনতিবিলম্বে চিকিৎসক সহ অন্যান্য শুন্য পদে লোকবল নিয়ে নিয়োগ দিয়ে এলাকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত অতীব প্রয়োজন। মহেশখালী পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে লোকবল সংকটের কারণে গ্রামে লোকজন স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করার জন্য লোকবল চেয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট একাধিকবার আবেদন করার পর পরও কর্তপক্ষ কোন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে না। স্থানীয় ভাবে লোকবল নিয়োগ দিয়ে সংকট দূর করা গেলে সকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর মাঝে সেবার মান বাড়বে। তিনি আরো জানান ৩৮’জন এফ ডাব্লিও এর কোটায় ২৮জন কর্মস্থলে থাকলে ১০ জন বৃদ্ধ বয়স্ক ও অসুস্থতা জনিত কারনে কাজ করতে অক্ষম।
মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালের আর এম ও ডাঃ মাফুজুল হক বলেন, হাসপাতালের জন্য ২৯টি ডাক্তারের পদ থাকলেও আছে ৬ জন, একারনে হাসপাতালে আগত রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হয়।যার কারণে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে । তিনি জানান ডাক্তার,নার্স ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অবিহিত করা হয়েছে।

0 Comments