Advertisement

মহেশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কাল

মহেশখালী প্রতিনিধি
কাল ১মার্চ শনিবার উৎসব মুখর পরিবেশে বহু প্রত্যাশিত মহেশখালী উপজেলা পরিষদ নিবার্চন অনুষ্টিত হতে যা”েছ। রাত পোহালে শÍরু হ”েছ আখাঙ্খিত ও প্রতিশ্রুতি এই নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোট কেন্দ্র দখল সহিংসতাসহ অপ্রীতীকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষে থেকে ইতিমধ্যে আইনশৃংখলা রক্ষায় যাবতীয় প্র¯‘তি সম্পর্নœ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহেশখালী থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আলমগীর হোসেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে মহেশখালী উপজেলার প্রত্যান্ত এলাকা। কে হ”েছন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও অভিবাবক! এ নিয়ে শুরু হয়েছে ভোটারদের মাঝে নানা জল্পনা-কল্পনা। পৃষ্ঠা ২ কলাম ১
মহেশখালী উপজেলা পরিষদ
উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা ৬৮টি ভোট কেন্দ্রে ৩৮৩টি ভোট কক্ষে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬ শত ২৮ জন ভোটার প্রয়োগ করবেন তাদের ভোটারধিকার। তৎ মধ্যে ৯৬ হাজার ৮শত ৭৩৮ জন পুরুষ। এবং ৯১ হাজার ৬ শত ৫৫ জন মহিলা ভোটার রয়েছে। মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৬৮ টি এবং বুথ ৩৮২ টি। গেলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন চুপিসারে চলে গেলে ও প্রকাশ্যে এসেছে উপজেলা নির্বাচন। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটধিকার বঞ্চিত এসব ভোটররা আশার বুক বেঁধে আছেন আসন্ন এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নিজের মনোনীত ব্যাক্তিকে নির্বাচিত করতে।্ ইতিমধ্যেয়ে ১৯ দল ও ১৪ দলের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নি”েছন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৭জন প্রার্থী। তবে (আ,লীগ) , বি,এনপি, জামায়াত, ৩ দলেই শক্তি শালী একক প্রার্থী থাকায় নির্বাচনী মাঠে ত্রি-মূখি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া ও (আ”লীগের) ১ জন বিদ্রোহী প্রার্থী, বি,এনপির একজন বিদ্রোহী প্রার্থী ও ১জন স্বতন্ত্র প্রার্থী আরেক জন জাতীয় পার্টির একক প্রার্থী থাকায় বিজয় ছিনিয়ে আনতে তাড়া ও মাঠে বসে নাই বলে জানান সাধারন ভোটারা। বি.এনপির একক প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুবক্কর ছিদ্দিক (ব্যাটারী), সাবেক এমপি আলগীর ফরিদের ভাতিজা বি.এনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিব উল্লাহ ( টুপি), (আ.লীগের) মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার পাশা (চৌধুরী) (ঘোড়া), (আ.লীগের) বিদ্রোহী প্রার্থী হোছাইন ইব্রাহিম (দোয়াত কলম) জামায়াতের একক প্রাথী আলহাজ্ব জাবের আহমদ চৌধুরী ( মোটর সাইকেল), এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দু খালেক চৌধুরী (কাপ-পিরিচ) ডামি প্রার্থী নাজেম উদ্দিন (হেলিকাপ্টার)। এক দিকে আ”লীগের একাধিক প্রার্থী অন্য দিকে বি,্এনপি ১৯ দলের দুই প্রভাবশালী প্রার্থী রয়েছে মাঠে। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। একদিকে বি.এনপির একক প্রার্থী হিসেবে আবুবক্কর ছিদ্দিক উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী তেমনি বি.এনপির যুগ্ন মহাসচিব সাবেক সফল যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সালাহউদ্দিন আহমদের মনোনীত প্রার্থী ও বটে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন পর্যন্ত এ নেতা আবুবক্কারের পক্ষে প্রচার- প্রচারনায় অংশ না নেওয়া বি,এনপির বেশির ভাগ তৃণমূল নেতা কর্মীরা সিদ্ধান্তই ছিল বি,এনপির বহিস্কারকৃত নেতা আলমগীর ফরিদের ভাতিজা বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবউল্লাহ টুপি মার্কায় ভোট দেবে অবশেষে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হ”েছ তারা। হঠাৎ করে মহেশখালীর জনপদে বি,এনপির চেয়ারপারর্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে আবুবক্কর জন্য ব্যাটারী মার্কা প্রর্তীকে ভোট চেয়ে পথ সভায় করে চলে গেলেন সাধারণ মানুষের প্রিয় নেতা আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন আহমদ। ভোটারদের ধারনা শেষ মূর্হুতে বিএনপির একক প্রার্থী আবুবক্কর ছিদ্দিক, বি,এনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিব উল্লাহ, জামাতের জাবের আহমদ চৌধুরী, আকম্মিক দৌঁড়ে ত্রি-মুখী প্রতিদ্ধন্দিতা হওয়ার সম্ভনা থাকলে ও চমক দিতে পারেন (আ,লীগের) জনপ্রিয় নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হোছাইন ইব্রাহিম দোয়াত কলম। সরেজমিনে পুরো উপজেলা ঘুরে জানা গেছে, সাধারন ভোটারদের দৃষ্টিতে অন্যসব প্রার্থীর চেয়ে পিছিয়ে থাকা চেয়ারম্যান প্রার্থী হোছাইন ইব্রাহিম এর পক্ষে অনেকটা হৈ-চৈ গুরু হয়েছে। অপরদিকে ব্যাটারী মার্কার সমর্থনে অনেকটা তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বি.এনপির যুগ্নমহাসচিব আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন আহমদ। তার প্রচারণায় যেখানে এখনো ব্যাটারী প্রর্তীকের পোষ্টার পৌঁছেনি সেখানে ইতিমধ্যেয়ে পৌঁছেছে সালাহ উদ্দিন আহমদের আহবান। বি.এনপির সর্বশ্রেনীর নেতাকর্মীসহ সালাহউদিদ্দন প্রেমিক ভোটাররা এখন আবুবক্কর বিজয়ের দিকে চেয়ে সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিনের ভাবমূর্তি রক্ষায় মরিয়া বললে চলে। অন্য দিকে দোয়াত কলম প্রর্তীকের আকম্মিক শোডাউনে গাঁ ঝাড়া দিয়ে উঠছেন অন্য প্রার্থীরা ও। অপরদিকে সাবেক এমপি, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ অসসিত্ব রক্ষায় বি,এনপির বিদ্রোহী প্রার্থী তার ভাতিজা হাবিব উল্লাহর পক্ষে যে কোন উপায়ে বিজয় ছিনিয়ে আনার লক্ষে শের্ষ মুর্হুতে ভোটারদের কাছে টুপি মার্কায় ভোট খুঁজছেন বলে সাধারণ ভোটাররা জানান। উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ শাহ ঘোনা গ্রামের সন্ত্রাসীদের ভয়ে পালিয়ে বেড়ানো বি,এনপি সমর্থিত আনুমানিক ৭” শত ভোটার জানান যেই দলের হোক না কেন যিনি এলাকার শান্তিশৃংখলা ফিরিয়ে আনতে পারবে, তাদেরকে এলাকায় যাওয়ার সুযোগ করে দেবে তারা থাকে তাদের মূল্যবান ভোটটি দেবে বলে জানান। আলহাজ্ব জাবের আহমদ চৌধুরীর মোটর সাইকেল জামায়াত ইসলামীর রয়েছে বিশাল একটি ভোট ব্যাংক। আওয়ামীলীগের একক প্রার্থী আনোয়ার পাশা চৌধুরী ঘোড়া প্রতীক বিরামহীন প্রচার- প্রচারনায় চালিয়ে গেছে বিজয়ের আশায়। এদিকে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হোছাইন ইব্রাহিম (দোয়াত কলম) উওরমহেশখালী ৪টি ইউনিয়নে বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে অধিকাংশ ভোট তার পক্ষে থাকবে বলে মনে করেন ভোটারা। হোয়ানক ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি খুরশেদ আলম (খুশি) কালারমারছড়া যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইউপি সদস্য নাজেম উদ্দিন, যুব নেতা শহিদুল্লাহ,সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ, সাধারন ভোটার ইসহাক, গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, সৎ ন¤্র ভদ্র জনধরদী জনগনের সুখে দঃখে পাশে থেকে যথাসাধ্য এগিয়ে এসেছিল তাই সাধারণ ভোটারদের সমর্থন তার প্রতি একটু বেশি এবং সুষ্ট নিরপেক্ষ ভোট গ্রহন হলে হোছাইন ইব্রাহিমের কাজ থেকে অন্য প্রার্থীদের পরাজয় ঘটবে বলে জানান তারা। তবে বিএনপির এককপ্রার্থী আবুবক্কর ছিদ্দিকের পুরো মহেশখালীতে নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে বলে জানান মহেশখালী পৌর যুবদলের সভাপতি আনোয়ার হোছাইন মঞ্জু উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফা কামাল, কালারমারছড়া ইউনিয়ন বি,এনপির সভাপতি আবুতাহের (চৌধুরী) ইউনিয়ন সে”ছা সেবক দলের সভাপতি আবু বক্কর। উপজেলার সাধারণ ভোটার কালারমারছড়া ইউনিয়নের বশির প্লাজা হোটেলের সত্বধিকারী আব্দুরহিম সওদাগর, শাপলাপুর ষাইট মারা ইউপি, সদস্য আহমদ কবির সহ সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন, ৫ বছর পর্যন্ত জনগনের সুখে দুঃখে পাশে থেকে আবুবক্কর ছিদ্দিক যথাসাধ্য এগিয়ে এসেছিল। তাই সাধারণ ভোটারদের সমর্থন তার প্রতি একটু বেশি। এব্য¯’ায় নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে এনে শেষ হাসি কে হাসবেন -বসবেন উপজেলা পরিষদের র্শীষ আসনে এনিয়ে ভোটার এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে চলছে ভোটের নানা হিসাব-নিকাশ সহ জয়ের মালা কার গলে?