কয়েকটি দল না আসায় ভোট পড়ার হার কিছুটা কম বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ।
বিরোধী দলবিহীন এই নির্বাচনে সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে ভিড় কম
থাকলেও দিনের দ্বিতীয় ভাগে উপস্থিতি বাড়বে বলেও আশা করছেন তিনি।
বেলা আড়াইটা পর্যন্ত মাত্র একটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেই ভোট ‘সুষ্ঠু’ হচ্ছে বলে মনে করছেন কমিশন প্রধান।
দেশজুড়ে নাশকতার মধ্যে সকাল ৮টায় ভোট শুরুর পাঁচ ঘণ্টা পর আকস্মিকভাবে রাজধানীর সরকারি বদরুন্নেছা মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যান কাজী রকিব।
রওনা হওয়ার ২০ মিনিটের মাথায় কমিশনে ফিরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।
সিইসি বলেন, “কয়েকটা দল এই নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ভোটার টার্ন আউট কিছুটা কম হবে।
“উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশা থাকায় সেখানে ভোটার উপস্থিতি কম। আবহাওয়া ভালো হলে এবং দিন বাড়ার সাথে সাথে ভোটারও বাড়বে।”
আগের দিন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটকেন্দ্র ও ব্যালট পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় প্রায় দেড়শ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিতের কথা সকালে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হলেও দুপুরে কোনো সংখ্যা উল্লেখ করতে চাননি কাজী রকিব।
“শীত ও কুয়াশায় উত্তরবঙ্গে সকালে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়ছে বলে সংবাদ পেয়েছি। শেষের দিকে তা আরো বাড়তে পারে। সন্ধ্যায় নিশ্চিত হওয়া যাবে- কতো শতাংশ উপস্থিতি দাঁড়ালো।”
পরিস্থিতি ব্যাখা করে সিইসি বলেন, “এটা ডায়নামিক সিচুয়েশন। কিছু কেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে দেরিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে সাময়িক বন্ধ রয়েছে। দিনশেষে এসব তথ্য জানানো হবে।”
সিইসি দাবি করেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব রকম ব্যবস্থাই তারা নিয়েছেন।
বদরুন্নেছা মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সিইসি বলেন, “আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য সেখানে উপস্থিত রয়েছেন। সব চাইতে বড় উপলব্ধি, সুষ্ঠুভাবে ভোট হচ্ছে তাতে।”
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলমান সহিংসতার তথ্যও তিনি ব্রিফিংয়ে তুলে ধরেন।
সিইসি বলেন, কিছু কেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে, কয়েকজন হতাহতও হয়েছেন। কিছু কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধও রাখতে হয়েছে।
“সহিংসতা হয়েছে, চলছে। আইন শৃঙ্খলাবাহিনী কিছু প্রতিহত করেছে। দুষ্কৃতকারীরা কোনো দলের নয়। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কেস করতে বলেছি। মামলা হবে, বিচারও হবে।”
শেষ পর্যন্ত ঠিক কয়টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে তা না জানলেও সিইসি বলেন, প্রয়োজন হলে ২৪ জানুয়ারি মধ্যে এসব কেন্দ্রে আবার ভোট নেয়া হবে।
সিইসির সঙ্গে ইসি সচিব মোহাম্মদ সাদিক, যুগ্মসচিব জেসমিন টুলী ও জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জানও ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে কাজী রকিব বলেন, “ছবিসহ ভোটার তালিকা থাকায় ভোটাররা ছাড়া অন্যরা ভোট দেয়ার সুযোগ নেই, কোনো কারচুপিরও সুযোগ নেই। গণমাধ্যম তা দেখছে।”
নবম সংসদে ৮৭ শতাংশ ভোট পড়লেও বহু আলোচিত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সর্বনিম্ন ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ পড়ে।
১৯৮৮ সালের নির্বাচনে ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটের নজির রয়েছে।
বেলা আড়াইটা পর্যন্ত মাত্র একটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেই ভোট ‘সুষ্ঠু’ হচ্ছে বলে মনে করছেন কমিশন প্রধান।
দেশজুড়ে নাশকতার মধ্যে সকাল ৮টায় ভোট শুরুর পাঁচ ঘণ্টা পর আকস্মিকভাবে রাজধানীর সরকারি বদরুন্নেছা মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যান কাজী রকিব।
রওনা হওয়ার ২০ মিনিটের মাথায় কমিশনে ফিরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।
সিইসি বলেন, “কয়েকটা দল এই নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ভোটার টার্ন আউট কিছুটা কম হবে।
“উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশা থাকায় সেখানে ভোটার উপস্থিতি কম। আবহাওয়া ভালো হলে এবং দিন বাড়ার সাথে সাথে ভোটারও বাড়বে।”
আগের দিন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটকেন্দ্র ও ব্যালট পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় প্রায় দেড়শ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিতের কথা সকালে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হলেও দুপুরে কোনো সংখ্যা উল্লেখ করতে চাননি কাজী রকিব।
“শীত ও কুয়াশায় উত্তরবঙ্গে সকালে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়ছে বলে সংবাদ পেয়েছি। শেষের দিকে তা আরো বাড়তে পারে। সন্ধ্যায় নিশ্চিত হওয়া যাবে- কতো শতাংশ উপস্থিতি দাঁড়ালো।”
পরিস্থিতি ব্যাখা করে সিইসি বলেন, “এটা ডায়নামিক সিচুয়েশন। কিছু কেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে দেরিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে সাময়িক বন্ধ রয়েছে। দিনশেষে এসব তথ্য জানানো হবে।”
সিইসি দাবি করেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব রকম ব্যবস্থাই তারা নিয়েছেন।
বদরুন্নেছা মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সিইসি বলেন, “আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য সেখানে উপস্থিত রয়েছেন। সব চাইতে বড় উপলব্ধি, সুষ্ঠুভাবে ভোট হচ্ছে তাতে।”
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলমান সহিংসতার তথ্যও তিনি ব্রিফিংয়ে তুলে ধরেন।
সিইসি বলেন, কিছু কেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে, কয়েকজন হতাহতও হয়েছেন। কিছু কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধও রাখতে হয়েছে।
“সহিংসতা হয়েছে, চলছে। আইন শৃঙ্খলাবাহিনী কিছু প্রতিহত করেছে। দুষ্কৃতকারীরা কোনো দলের নয়। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কেস করতে বলেছি। মামলা হবে, বিচারও হবে।”
শেষ পর্যন্ত ঠিক কয়টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে তা না জানলেও সিইসি বলেন, প্রয়োজন হলে ২৪ জানুয়ারি মধ্যে এসব কেন্দ্রে আবার ভোট নেয়া হবে।
সিইসির সঙ্গে ইসি সচিব মোহাম্মদ সাদিক, যুগ্মসচিব জেসমিন টুলী ও জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জানও ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে কাজী রকিব বলেন, “ছবিসহ ভোটার তালিকা থাকায় ভোটাররা ছাড়া অন্যরা ভোট দেয়ার সুযোগ নেই, কোনো কারচুপিরও সুযোগ নেই। গণমাধ্যম তা দেখছে।”
নবম সংসদে ৮৭ শতাংশ ভোট পড়লেও বহু আলোচিত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সর্বনিম্ন ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ পড়ে।
১৯৮৮ সালের নির্বাচনে ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটের নজির রয়েছে।

