১৯৪২ সালে মোজাম্বিকে জন্ম নেন ইউজেবিও দা সিলভা ফেরেইরা; তখন দেশটি ছিল
পর্তুগালের উপনিবেশ। ক্যারিয়ারজুড়ে গোলের বন্যা বইয়ে দেওয়া এই স্ট্রাইকার
৪১টি আন্তর্জাতিক গোল করেছিলেন মাত্র ৬৪ ম্যাচে।
ইংল্যান্ডে ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে নয়টি গোল করেছিলেন পর্তুগালের এই স্ট্রাইকার। কয়েক মাস আগে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়া ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর লেগেছিল ১০৬টি ম্যাচ।
এই ফুটবল কিংবদন্তির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে রোনালদো টুইটারে লেখেন, "সবসময় চিরন্তন থাকবেন ইউজেবিও, শান্তিতে ঘুমান।"
সাবেক পতুগিজ উইঙ্গার লুইস ফিগোর টুইট, "আমাদের সবার জন্য বিরাট ক্ষতি।"
সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে বিবেচিত ইউজেবিও ৭৪৫টি পেশাদার
ম্যাচে ৭৩৩টি গোল করেছিলেন। দুর্দমনীয় গতি ও ড্রিবলিং দক্ষতার জন্য বিখ্যাত
ছিলেন তিনি।১৯৬৫ সালের ইউরোপের বর্ষসেরা এই ফুটবলার বেনফিকার হয়ে ১৯৬২ সালে ইউরোপিয়ান কাপ জেতেন।
বেনিফিকার হয়ে ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে ১০টি লিগ চ্যাম্পিয়নশিপস ও পাঁচটি পর্তুগিজ কাপ জেতেন ইউজেবিও। লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন সাতবার।
১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে পর্তুগালের তৃতীয় স্থান লাভের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন তিনি।পর্তুগালের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে ২৪ মিনিটের মধ্যে উত্তর কোরিয়া ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। এরপরও পর্তুগাল ম্যাচ জেতে ৫-৩ গোলে, যার ৪টি গোল করেছিলেন ইউজেবিও।
ইংল্যান্ডে ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে নয়টি গোল করেছিলেন পর্তুগালের এই স্ট্রাইকার। কয়েক মাস আগে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়া ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর লেগেছিল ১০৬টি ম্যাচ।
এই ফুটবল কিংবদন্তির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে রোনালদো টুইটারে লেখেন, "সবসময় চিরন্তন থাকবেন ইউজেবিও, শান্তিতে ঘুমান।"
সাবেক পতুগিজ উইঙ্গার লুইস ফিগোর টুইট, "আমাদের সবার জন্য বিরাট ক্ষতি।"
বেনিফিকার হয়ে ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে ১০টি লিগ চ্যাম্পিয়নশিপস ও পাঁচটি পর্তুগিজ কাপ জেতেন ইউজেবিও। লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন সাতবার।
১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে পর্তুগালের তৃতীয় স্থান লাভের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন তিনি।পর্তুগালের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে ২৪ মিনিটের মধ্যে উত্তর কোরিয়া ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। এরপরও পর্তুগাল ম্যাচ জেতে ৫-৩ গোলে, যার ৪টি গোল করেছিলেন ইউজেবিও।
