মতিঝিলে সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রার সময় হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীকে ‘বাধা’ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির নেতারা।
তবে পুলিশ বলছে, হেফাজত আমিরকে বাধা দেয়া
হয়নি, ঢাকা না যেতে অনুরোধ করা হয়েছে মাত্র।
সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে এ ঘটনার পর আহামদ শফী চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার (হাটহাজারী মাদ্রাসা) ভিতরে অবস্থান করছেন বলে তার ব্যক্তিগত সচিব মাওলানা মুনির আহাম্মদ জানিয়েছেন।
পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে বসেছেন মাদ্রাসাভিত্তিক এ সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাদ্রাসার বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আট মাস আগে মতিঝিলে সমাবেশ ডেকে তাণ্ডবের পর এবারো একই দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর শাপলা চত্বরে সমাবেশের ঘোষণা দেয় চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠনটি। তবে এখন পর্যন্ত তাদের সমাবেশের অনুমতি দেয়নি পুলিশ।
মুনির আহাম্মদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বড় হুজুর (আহমদ শফী) ও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী সকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা যেতে চেয়েছিলেন।
“কিন্তু পুলিশ বাধা দিলে তা সম্ভব হয়নি। এরপর গাড়িতে চট্টগ্রাম
বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে চেয়েছিলেন জ্যেষ্ঠ নেতারা। গাড়ি
মাদ্রাসার গেইট দিয়ে বের হতেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাধা দেয়।”এরপর হেফাজতের জ্যেষ্ঠ নেতারা বৈঠক বসেন বলে
জানান তিনি।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের হাটহাজারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আ ফ ম নিজাম উদ্দিন বলেন, “আমরা হেফাজতের আমিরকে ঢাকা না যেতে অনুরোধ করেছি।
“দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তাকে ঢাকার কর্মসূচিতে অংশ না নেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। বলেছি, তিনি যদি না যান তাহলে ভাল হয়।”
হেলিকপ্টারযোগে হেফাজত নেতার ঢাকা যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আকাশপথে পুলিশ কিভাবে বাধা দেবে?”
মাদ্রাসা এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গণজাগরণ আন্দোলন শুরু হলে ‘নাস্তিক ব্লগারদের’ শাস্তি দাবিতে মাঠে নামে হাটহাজারী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শাহ আহমদ শফী নেতৃত্বাধীন হেফাজত।
গত ৫ মে তারা মতিঝিলে সমাবেশ ডেকে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালায়, যাতে সংঘাতে নিহত হন বেশ কয়েকজন। হেফাজতকর্মীরা শাপলা চত্বরে টানা অবস্থানের ঘোষণা দিলে রাতে সাঁড়াশি অভিযানে তাদের তুলে দেয়া হয়।
সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে এ ঘটনার পর আহামদ শফী চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার (হাটহাজারী মাদ্রাসা) ভিতরে অবস্থান করছেন বলে তার ব্যক্তিগত সচিব মাওলানা মুনির আহাম্মদ জানিয়েছেন।
পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে বসেছেন মাদ্রাসাভিত্তিক এ সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাদ্রাসার বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আট মাস আগে মতিঝিলে সমাবেশ ডেকে তাণ্ডবের পর এবারো একই দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর শাপলা চত্বরে সমাবেশের ঘোষণা দেয় চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠনটি। তবে এখন পর্যন্ত তাদের সমাবেশের অনুমতি দেয়নি পুলিশ।
মুনির আহাম্মদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বড় হুজুর (আহমদ শফী) ও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী সকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা যেতে চেয়েছিলেন।
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের হাটহাজারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আ ফ ম নিজাম উদ্দিন বলেন, “আমরা হেফাজতের আমিরকে ঢাকা না যেতে অনুরোধ করেছি।
“দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তাকে ঢাকার কর্মসূচিতে অংশ না নেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। বলেছি, তিনি যদি না যান তাহলে ভাল হয়।”
হেলিকপ্টারযোগে হেফাজত নেতার ঢাকা যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আকাশপথে পুলিশ কিভাবে বাধা দেবে?”
মাদ্রাসা এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গণজাগরণ আন্দোলন শুরু হলে ‘নাস্তিক ব্লগারদের’ শাস্তি দাবিতে মাঠে নামে হাটহাজারী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শাহ আহমদ শফী নেতৃত্বাধীন হেফাজত।
গত ৫ মে তারা মতিঝিলে সমাবেশ ডেকে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালায়, যাতে সংঘাতে নিহত হন বেশ কয়েকজন। হেফাজতকর্মীরা শাপলা চত্বরে টানা অবস্থানের ঘোষণা দিলে রাতে সাঁড়াশি অভিযানে তাদের তুলে দেয়া হয়।
