ঢাকা: গোপালগঞ্জ জেলার নাম পাল্টে দেয়ার হুমকির অভিযোগে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে বেলা ১টায় মামলাটির শুনানি হয়, বিকেল তিনটায় আদেশ দেয়া হয়।
আদেশে বলা হয়, যেহেতু বাদী তার অভিযোগে বলেছে বেগম খালেদা জিয়ার সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে। সেহেতু সংবিধানের বিষয়ে সুপ্রীমকোর্ট সিদান্ত দেয়ার ক্ষমতা রাখে। এ আদালত সংবিধানের বিষয়ে প্রতিকার দেয়ার ক্ষমতা রাখে না। তাই মামলাটি খারিজ করা হলো।
মঙ্গলবার সকালে ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে দণ্ডবিধির ১৪৮/১৩০/২৯৬/৫০০/ ৫০১ / ৫০৬/১০৯ ধারায় মামলাটি করেন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী।
প্রসঙ্গত, গত রোববার বিকেলে মার্চ ফর ডেমোক্রেসির জন্য বাসা থেকে বের হলে খালেদা জিয়ার গাড়ি আটকে দেয় নিরাপত্তাবাহিনীর কর্মীরা। তিনি কর্মসূচিতে না যেতে পারায় বাসার সামনে গাড়ি থেকে বের হয়ে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি এক নিরাপত্তা সদস্যকে ‘গোপালী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “এই যে মহিলা, মুখটা এখন বন্ধ কেন? এতক্ষণ কী বলছিলেন? মুখ বন্ধ কেন এখন? দেশ কোথায়, গোপালী? গোপালগঞ্জের নামই বদলে যাবে। গোপালগঞ্জ আর থাকবে না। আপনারা যা করছেন, আপনাদের ওপর আল্লাহর গজব পড়বে। শেখ হাসিনা খুনি। তিনি আলেমদের হত্যা করেছে, শেখ হাসিনার দালালি করবেন না।” এই বক্তব্য বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। এই বক্তব্য গোপালগঞ্জবাসী হিসেবে এবং সমগ্র বাঙালি জাতির জন্য মানহানিকর বলে অভিযোগে উল্রেখ করা হয়।
মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে বেলা ১টায় মামলাটির শুনানি হয়, বিকেল তিনটায় আদেশ দেয়া হয়।
আদেশে বলা হয়, যেহেতু বাদী তার অভিযোগে বলেছে বেগম খালেদা জিয়ার সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে। সেহেতু সংবিধানের বিষয়ে সুপ্রীমকোর্ট সিদান্ত দেয়ার ক্ষমতা রাখে। এ আদালত সংবিধানের বিষয়ে প্রতিকার দেয়ার ক্ষমতা রাখে না। তাই মামলাটি খারিজ করা হলো।
মঙ্গলবার সকালে ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে দণ্ডবিধির ১৪৮/১৩০/২৯৬/৫০০/ ৫০১ / ৫০৬/১০৯ ধারায় মামলাটি করেন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী।
প্রসঙ্গত, গত রোববার বিকেলে মার্চ ফর ডেমোক্রেসির জন্য বাসা থেকে বের হলে খালেদা জিয়ার গাড়ি আটকে দেয় নিরাপত্তাবাহিনীর কর্মীরা। তিনি কর্মসূচিতে না যেতে পারায় বাসার সামনে গাড়ি থেকে বের হয়ে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি এক নিরাপত্তা সদস্যকে ‘গোপালী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “এই যে মহিলা, মুখটা এখন বন্ধ কেন? এতক্ষণ কী বলছিলেন? মুখ বন্ধ কেন এখন? দেশ কোথায়, গোপালী? গোপালগঞ্জের নামই বদলে যাবে। গোপালগঞ্জ আর থাকবে না। আপনারা যা করছেন, আপনাদের ওপর আল্লাহর গজব পড়বে। শেখ হাসিনা খুনি। তিনি আলেমদের হত্যা করেছে, শেখ হাসিনার দালালি করবেন না।” এই বক্তব্য বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। এই বক্তব্য গোপালগঞ্জবাসী হিসেবে এবং সমগ্র বাঙালি জাতির জন্য মানহানিকর বলে অভিযোগে উল্রেখ করা হয়।

