রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে দেখা করে সঙ্কট নিরসনে সংলাপের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া।
রাষ্ট্রপতি তার সাংবিধানিক ক্ষমতার মধ্যে থেকে চেষ্টা চালানোর আশ্বাস দিয়েছেন, সাংবাদিকদের বলেছেন বিএনপির মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নির্বাচনের আগে উত্তুঙ্গ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দল ও জোট শরিক দলগুলোর ১৯ নেতাকে নিয়ে বঙ্গভবনে যান বিএনপি চেয়ারপারসন।
এক ঘণ্টার বৈঠকের পর বেরিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল বৈঠকের বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের জানান।
বিএনপি নেতা বলেন, সব দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন যে বিরোধী দল চায়, তা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছেন তারা।
“রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেছেন, আলোচনার মধ্য দিয়ে এই সঙ্কট কেটে যাবে।”
নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি নিয়ে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে মতবিরোধের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করেন খালেদা জিয়া।
নির্দলীয় সরকার না হলে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা রয়েছে বিএনপির। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সেই দাবি মেনে নিতে নারাজ হওয়ায় দেশে রাজনৈতিক সঙ্কটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নির্বাচনকালীন ‘সর্বদলীয়’ সরকারে দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন আট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর শপথের পর সোমবার রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চান খালেদা।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আ স ম হান্নান শাহ, জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম নাজির আহমদ, এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী, খেলাফত মজলিশের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইসহাক, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মূর্তজা, ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রতিনিধি দলে ছিলেন।

