ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই দেশত্যাগ করতে পারেন অনেক ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিত্ব। আগামী অক্টোবরের মধ্যেই ব্যাপকহারে এই দেশত্যাগের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দেশের গোয়েন্দা সূত্রগুলো। ইতিমধ্যে দেশত্যাগের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে ভিতরে ভিতরে।
আগামী অক্টোবরে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ সময় জাতীয় সংসদও বিলুপ্ত হয়ে যাবে। দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে সমঝোতা না হলে দেশে ব্যাপক রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা করছে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির ঈদের পর জোরেশোরে আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা নিচ্ছে। ওই সময় হেফাজতে ইসলাম ঢাকা অভিমুখে বড় ধরনের লংমার্চেরও পরিকল্পনা করছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সহিংস হয়ে উঠতে পারে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সরকারের শেষ মুহূর্তে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অনেকটাই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আন্দোলন শুরু হলে তারা কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে তা নিয়েও সংশয় ও সন্দেহ রয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এসব বিষয় চিন্তা করে অনেক রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, আমলা, এমনকি সন্ত্রাসীরা দেশত্যাগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে যারা কালো টাকার মালিক হয়েছে তাদেরই দেশত্যাগের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। গোয়েন্দা সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে, আগামী অক্টোবরের মধ্যে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তোলা ও কার্ব মার্কেটে বৈদেশিক মুদ্রা কেনার হিড়িক পড়ে যেতে পারে। টিকিটের জন্য চাপ বাড়তে পারে দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোতেও।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাসমর্থিত কেয়ারটেকার সরকারের আমলে বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় ১২ হাজার লোককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে শতাধিক ছিলেন ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও রাজনীতিক। শীর্ষ দুই নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেনাসমর্থিত কেয়ারটেকার সরকার আমলে জুনিয়র অফিসারদের নেতৃত্বে গঠিত হয় ৬০টি টাস্কফোর্স। এই টাস্কফোর্স রাজনীতিক, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের সম্পদের হিসাব নেয়া শুরু করে। এ সময় অনেকে গাড়ি-বাড়ি ফেলে বিদেশে পাড়ি জমান। অর্ধশতাধিক ভিআইপি ও সিআইপির দেশত্যাগ ঠেকাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয় ‘স্টপ লিস্ট’। বিগত ওয়ান-ইলেভেনের এহেন পরিস্থিতি মাথায় রেখেই দেশত্যাগের চিন্তাভাবনা করছেন দেশের অনেক ভিআইপি ও সিআইপি। দেশত্যাগের পর মালয়েশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া তাদের গন্তব্যস্থল হতে পারে। এসব সিআইপি ও ভিআইপির অনেকে মালয়েশিয়াকে সেকেন্ড হোম হিসেবে বিবেচনা করছেন। এই সেকেন্ড হোমের জন্য অনেকেই ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্পেশাল ব্রাঞ্চের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলেছে, বিগত সেনাসমর্থিত কেয়ারটেকার সরকারের আমলে তৎকালীন জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনেক রাজনীতিক, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। এই নিষেধাজ্ঞা ‘স্টপ লিস্ট’ নামে বিমানবন্দরে পরিচিত। সে নিষেধাজ্ঞা এখন কার্যকর নেই বলে জানিয়েছেন স্পেশাল ব্রাঞ্চের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। ফলে তাদের দেশত্যাগে আর বাধা থাকছে না।
স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী বর্তমানকে জানান, কোনো লোকের দেশত্যাগের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের বিষয়টি নির্ভর করে সরকারের ওপর। যেসব লোকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সরকারের আদেশ সাপেক্ষে তাদের ‘স্টপ লিস্টের’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমেরিকায় এ ধরনের স্টপ লিস্টকে ‘নো ফ্লাই লিস্ট’ বলা হয়ে থাকে।
আগামী অক্টোবরে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ সময় জাতীয় সংসদও বিলুপ্ত হয়ে যাবে। দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে সমঝোতা না হলে দেশে ব্যাপক রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা করছে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির ঈদের পর জোরেশোরে আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা নিচ্ছে। ওই সময় হেফাজতে ইসলাম ঢাকা অভিমুখে বড় ধরনের লংমার্চেরও পরিকল্পনা করছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সহিংস হয়ে উঠতে পারে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সরকারের শেষ মুহূর্তে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অনেকটাই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আন্দোলন শুরু হলে তারা কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে তা নিয়েও সংশয় ও সন্দেহ রয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এসব বিষয় চিন্তা করে অনেক রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, আমলা, এমনকি সন্ত্রাসীরা দেশত্যাগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে যারা কালো টাকার মালিক হয়েছে তাদেরই দেশত্যাগের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। গোয়েন্দা সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে, আগামী অক্টোবরের মধ্যে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তোলা ও কার্ব মার্কেটে বৈদেশিক মুদ্রা কেনার হিড়িক পড়ে যেতে পারে। টিকিটের জন্য চাপ বাড়তে পারে দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোতেও।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাসমর্থিত কেয়ারটেকার সরকারের আমলে বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় ১২ হাজার লোককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে শতাধিক ছিলেন ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও রাজনীতিক। শীর্ষ দুই নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেনাসমর্থিত কেয়ারটেকার সরকার আমলে জুনিয়র অফিসারদের নেতৃত্বে গঠিত হয় ৬০টি টাস্কফোর্স। এই টাস্কফোর্স রাজনীতিক, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের সম্পদের হিসাব নেয়া শুরু করে। এ সময় অনেকে গাড়ি-বাড়ি ফেলে বিদেশে পাড়ি জমান। অর্ধশতাধিক ভিআইপি ও সিআইপির দেশত্যাগ ঠেকাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয় ‘স্টপ লিস্ট’। বিগত ওয়ান-ইলেভেনের এহেন পরিস্থিতি মাথায় রেখেই দেশত্যাগের চিন্তাভাবনা করছেন দেশের অনেক ভিআইপি ও সিআইপি। দেশত্যাগের পর মালয়েশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া তাদের গন্তব্যস্থল হতে পারে। এসব সিআইপি ও ভিআইপির অনেকে মালয়েশিয়াকে সেকেন্ড হোম হিসেবে বিবেচনা করছেন। এই সেকেন্ড হোমের জন্য অনেকেই ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্পেশাল ব্রাঞ্চের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলেছে, বিগত সেনাসমর্থিত কেয়ারটেকার সরকারের আমলে তৎকালীন জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনেক রাজনীতিক, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। এই নিষেধাজ্ঞা ‘স্টপ লিস্ট’ নামে বিমানবন্দরে পরিচিত। সে নিষেধাজ্ঞা এখন কার্যকর নেই বলে জানিয়েছেন স্পেশাল ব্রাঞ্চের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। ফলে তাদের দেশত্যাগে আর বাধা থাকছে না।
স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী বর্তমানকে জানান, কোনো লোকের দেশত্যাগের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের বিষয়টি নির্ভর করে সরকারের ওপর। যেসব লোকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সরকারের আদেশ সাপেক্ষে তাদের ‘স্টপ লিস্টের’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমেরিকায় এ ধরনের স্টপ লিস্টকে ‘নো ফ্লাই লিস্ট’ বলা হয়ে থাকে।

0 Comments