এম রায়হান চৌধুরী
চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের পশ্চিম বড়–য়া পাড়া গ্রামে প্রত্যাশী নামে এক এনজিও সংস্থার ঋণ সুবিধা দেয়ার কথা বলে এক গৃহবধুকে রাতের আধাঁরে বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণ করে। এসময় ওই গৃহবধুর আত্বচিৎকারে পরিবারের ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে শ্লীলতাহানী ও ধর্ষণকালে লম্পট এনজিও কর্মকর্তাকের গণধোলাই দিয়ে বেঁধে রাখে। এঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। পরে পরিষদের চৌকিদাররা গিয়ে এনজিও কর্মকর্তাদের গণধোলাই থেকে মুক্ত করে নিয়ে আসে। গত ৩০জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে এঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে ও ধর্ষণনের শিকার নারীর পরিবার সূত্রে জানাগেছে, হারবাং ষ্টেশনে কার্যালয় করে প্রত্যাশী নামে এনজিও সংস্থা হারবাং ইউনিয়নে বেশ কিছুদিন ধরে মাইক্রোকেডিট ঋণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। ঋণ দেয়ার সুযোগ মুসলিম,হিন্দু ও বড়–য়াসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নারীদের ধর্ষণসহ সতিত্বও হরণ করছেন। এধরণের একটি ঘটনা ঘটেছে ওই গ্রামে। হারবাং পশ্চিম বড়–য়া পাড়া গ্রামে কাজল বড়–য়ার স্ত্রী সুমি বড়–য়া (৩৫) এর কাছে পূর্বের ঋণ আদায় ও বেশি পরিমাণে ঋণ কথা বলে বাড়িতে ঢুকে পড়ে হারবাং প্রত্যাশী এনজিও সংস্থার শাখা ব্যবস্থাপক আবদুল মাবুদ ও তার মাঠ কর্মী শংকর। বাড়ির কর্তা বাড়িতে না থাকার সুযোগে গৃহবধু সুমি বড়–য়াকে দু’জনে জোর পূর্বক ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানী করে। এক পর্যায়ে আত্মচিৎকার দেয়া শুরু করলে বাড়ির পাশ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে এসে ধর্ষণকারী এনজিও কর্মকর্তাদের হাত থেকে গৃহবধুকে উদ্ধার করে এবং এনওজি কর্মকর্তাদের গণধোলাই দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি সর্ম্পকে অবহিত করলে রাত অনুমানিক ১২টার দিকে হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার ও স্থানীয় জনতা গিয়ে লম্পট এনজিও কর্মকর্তাদের নিয়ে আসে।
ধর্ষণ ও শ্লীলতারহানীর শিকার গৃহবধু জানান, তার শরীরের গোপনাঙ্গ জায়গায় হাত দিয়েছে। তার ছায়া ব্লাউছ ছিড়ে ফেলেছে। তিনি লম্পট এসব কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী করেছেন। অভিযুক্ত এনজিও কর্মকর্তা প্রত্যাশী‘র শাখা ব্যবস্থাপক আবদুল মাবুদ জানান, তারা ওইদিন রাতে মহিলার কাছ থেকে ঋণের কিস্তির টাকা উত্তোলন করার জন্য গিয়েছিলেন। তবে ওই মহিলার সাথে সামান্য হাতাহাতি করেছেন, ধর্ষণ করেননি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিষয়টি মিমাংসা এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করতে গতকাল ৩১জুলাই বিকাল ৪টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে বসা হয়েছিল। তবে কোন ধরণের সুরহা হয়নি। স্থানীয়রা আরো জানান, ধর্ষণের উদ্দেশ্যে না গেলে দিনে নাগিয়ে রাতে কেন গেলেন। চকরিয়ার হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ফিরোজ আহমদ চৌধুরী জানান, এনজিও কর্মকর্তাদের সাথে বড়–য়া সম্প্রদায়েরর এক নারীর মধ্যে কিছু ঘটনা হয়েছে শুনেছেন, তবে ধর্ষণ কিনা জানেনা চকরিয়া অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়–য়া বলেন, প্রকৃত পক্ষে ধর্ষণ বা শস্রীলতাহানী হয়ে থাকলে এনজিও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো জানান, ঋণের কিস্তি সংক্রান্ত কিছু হয়ে থাকলে রাতে কেন বাড়িতে যাবে।
ধর্ষণ ও শ্লীলতারহানীর শিকার গৃহবধু জানান, তার শরীরের গোপনাঙ্গ জায়গায় হাত দিয়েছে। তার ছায়া ব্লাউছ ছিড়ে ফেলেছে। তিনি লম্পট এসব কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী করেছেন। অভিযুক্ত এনজিও কর্মকর্তা প্রত্যাশী‘র শাখা ব্যবস্থাপক আবদুল মাবুদ জানান, তারা ওইদিন রাতে মহিলার কাছ থেকে ঋণের কিস্তির টাকা উত্তোলন করার জন্য গিয়েছিলেন। তবে ওই মহিলার সাথে সামান্য হাতাহাতি করেছেন, ধর্ষণ করেননি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিষয়টি মিমাংসা এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করতে গতকাল ৩১জুলাই বিকাল ৪টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে বসা হয়েছিল। তবে কোন ধরণের সুরহা হয়নি। স্থানীয়রা আরো জানান, ধর্ষণের উদ্দেশ্যে না গেলে দিনে নাগিয়ে রাতে কেন গেলেন। চকরিয়ার হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ফিরোজ আহমদ চৌধুরী জানান, এনজিও কর্মকর্তাদের সাথে বড়–য়া সম্প্রদায়েরর এক নারীর মধ্যে কিছু ঘটনা হয়েছে শুনেছেন, তবে ধর্ষণ কিনা জানেনা চকরিয়া অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়–য়া বলেন, প্রকৃত পক্ষে ধর্ষণ বা শস্রীলতাহানী হয়ে থাকলে এনজিও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো জানান, ঋণের কিস্তি সংক্রান্ত কিছু হয়ে থাকলে রাতে কেন বাড়িতে যাবে।

0 Comments