সংবাদ দাতা,টেকনাফ
টেকনাফে বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে চলছে ইয়াবা সেবন ও লেনদেন । দীর্ঘদিন ধরে এ ভাবে আবাসিক হোটেল গুলোতে অবৈধ কর্মকান্ড চলে আসলেও তুলনা মূলক ভাবে অভিযান হয়নি । ফলে আবাসিক হোটেল গুলোতে ইয়াবা সেবন ও ক্রয় বিক্রয়সহ নানান ধরনের অবৈধ কর্মকান্ড দিন দিন বেড়েই চলছে । জানা গেছে স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা যুবসমাজ ব্যক্তিরা আবাসিক হোটেলেই বসে ইয়াবা সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ের লেনদেন করে । যে ভাবে
আবাসিক হোটেল গুলোতে ও বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা সেবন চলছে তাতে টেকনাফের হাজার হাজার যুব সমাজ ধব্বসের পথে চলে যাচ্ছে । তথ্য অনুসন্ধানে জানাগেছে,সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত টেকনাফের আবাসিক হোটেল নিরিবিলি,আল-আব্বাস,স্কাইভিউসহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল থেকে ইয়াবাসহ অনেক ব্যক্তি আটক হয় । তবুও এখনো পর্যন্ত অনেক আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়ত ইয়াবা সেবনের আড্ডা বসায় বলে বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ উঠেছে । সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কোন প্রকার এসব আবাসিক হোটেল গুলোতে তল্লাসী না চালানোর কারনে দিন দিন বেড়েই চলছে এ অবৈধ কর্মকান্ড । জানা গেছে স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা যুবসমাজ ব্যক্তিরা আবাসিক হোটেলেই বসে সব কিছু নিয়ন্ত্রন করে ও সেবন করে । তবুও এখনো পর্যন্ত অনেক আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়ত ইয়াবা সেবনের আড্ডা বসায় বলে বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ উঠেছে । নিলা ষ্টেশনের পার্শে সাবেরের আবাসিক হোটেলে ইয়াবা সেবন করে বলে স্থানীরা অভিযোগ তুলে । ওই আবাসিক হোটেলের নীচে গেলে বেশ কিছু ইয়াবা সেবনের ফাইপ দেখা যায় । যা এ প্রতিবেদক নিজের ক্যামেরা বন্দি করে । এভাবেই প্রায় আবাসিক হোটেলে চলছে ইয়াবা সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ের বৈঠক । আবাসিক হোটেলের মালিক ও ম্যানেজাররা যদি চেষ্টা করে তবে এ অবৈধ কর্মকান্ড অনেকটা কমে যাবে বলে মনে করেন সচেতন মহল । সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা ও প্রশাসন যদি এ ব্যাপারে নজরধারী রাখে তবে অনেক আবাসিক হোটেলে ইয়াবাসহ বহু ব্যক্তি আটক হবে বলে মনে করেন স্থানীয় শিক্ষিত সমাজ । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তর এ পর্যন্ত অনেককে নিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা করেছে । এ সব তালিকার বাহিরে যে সব ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে তাদেরকেও তালিকা ভূক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দাদের প্রতি আহব্বান জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। বর্তমানে তালিকা ভূক্ত অভিযুক্তদের চেয়ে তালিকার বাহিরে যারা রয়েছে,তারাই খুববেশী সক্রিয় হয়ে উঠেছে । বিভিন্ন এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ীরা শতাধিক ইটের পাকাঁবাড়ী নির্মান করছে । আবার অনেকে ভবন নির্মান কাজ করে যাচ্ছে এখনো । অনেকে আছে একসময় শধু মাত্র রিক্রা চালিয়ে ও শ্রমের কাজ করে কোন রখম সংসার চালাতো । তাদের অবস্থা আজ অন্য রখম । তারা কি ভাবে জিরো থেকে হিরো হয়ে গেল তা তদন্ত করে দেখলে দেখা যাবে তারা জিরো থেকে হিরো কি ভাবে হয়েছে তার সমস্থ খবর । ইয়াবার ব্যবসা করে কি ভাবে ইটের বাড়ী নির্মান করে যাচেছ,কেন তাদের কেউ বাঁধা প্রধান করছেনা তা জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে । আশংকা প্রকাশ করা হচেছ, ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহে জড়িত মাদক ব্যবসায়ীদের এ মুহুর্তে প্রতিরোধ করতে না পারলে এদেশের যুব সমাজ অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে। মিয়ানমারের মংডু এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরীর ৪/৫টি কারখানায় শুধুমাত্র বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরী করা হয় বলে সূত্রে জানাযায়। বাংলাদেশে ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারের রোড থাইল্যান্ড-মিয়ানমার সীমান্ত হয়ে আকিয়াব-মংডু দিয়ে টেকনাফ ও মহেশখালী হয়ে বাংলাদেশ। মিয়ানমারের মংডু হতে বিভিন্ন প্রকার ফিশিং বোট ও কাঠের বোটের মাধ্যমে টেকনাফেরস্থলবন্দর,শাহপরীরদ্বীপ,
মাঝরপাড়া, জালিয়াপাড়া, ট্রানজিট ঘাট, নাইট্যংপাড়া, নয়াপাড়া,টেকনাফ নাজির পাড়া,মৌলভীপাড়া,নিলা চৌধুরীপাড়া সহ টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা ট্যাবলেট আনা হয়। বোরকা পরিহিত মহিলা, বর্মী চোরাকারবারি, দাঁড়ি টুপিওয়ালা মৌলভী, প্যান্ট শার্ট পরা ভদ্র লোক মটর সাইকেল, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার অথবা পাবলিক যানযোগে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহ করে থাকে। বিভিন্ন সূত্র জানায়, ইতি মধ্যে কৌশলে ইয়াবা ব্যবসা করে যারা জিরো থেকে হিরো ও লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হয়েছে তারা হল-টেকনাফ নিলা ইউনিয়নের লেদা গ্রামের নুরুল হুদা(২৮),নিলা পূর্বশিকদার পাড়ার শমশু আলম(৪১)প্রকাশ বার্মাইয়া শমশু,,বাজার পাড়ার রুসতম(৩৪)জাহাঙ্গীর আলম ও রবিউল আলম,ফুলের ডেইলের আলী নেওয়াজ,আবু তৈয়ুব,বাবুল ও জুলফিকার । সিকদার পাড়ার রশিদ কুলু,চৌধুরী পাড়ার ছৈয়দ আহাম্মদ,রসতমও আবদুস সালাম,সদর ইউনিয়ন,লেঙ্গুর বিলের মোস্তাক(৩১),দিদার(২৯),হাবির পাড়ার রশিদ(২৮),মৌলভী পাড়ার একরাম(২৬),আবদুর রহমান(২৭),আঃগনি(৩১),ডেইল পাড়ার মৌলভী বোরহান(৫৮),মোঃ আমিন(২৮),মোঃ শফিক(২৭),মোঃ রফিক(২৭),নাজির পাড়ার গুরা মিয়া(২৯),মোঃআলী(৩২),পৌরসভার পুরাতন পল্লান পাড়ার শাহ আলম(৩৫),ইসমাইল(৩২),নাইট্যং পাড়ার রফিক(৩৪) জালিয়াপাড়ার সিরাজ মিয়া, জাদিমুরার আবদুল হাসান, চৌধুরী পাড়া জহির নাজির পাড়ার, আব্দুর রহমান,হারিয়াখালী ইব্রাহিম,নাইট্যং পাড়া, নূর মোহাম্মদ,ইসলামাবাদের রহমত উল্লাহ(২৮)সহ অনেকে । ইয়াবার ব্যবসা করে যারা বাড়ী,গাড়ী ,জমিক্রয় ও বিভিন্ন কাজ করছে,তাদেরকে তালিকা ভূক্ত করার আহবান জানান এলাকার সচেতন মহল ।


0 Comments