Advertisement

পাসপোর্ট জটিলতায় ওমান প্রবাসীরা

ডেস্ক রিপোট
প্রয়োজনীয় ও দক্ষ জনবলের অভাবে ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাসে দিনদিন পাসপোর্টের পাহাড় জমছে। ফলে কারো জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্টের প্রয়োজন হলে তিনি তা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাংলানিউজ
জানা গেছে, ওমানের রাজধানী মাসকটে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসে গড়ে প্রতিদিন ৩০০ টি পাসপোর্ট নবায়ন করার আবেদন পড়ে।
এগুলোর মধ্যে ১০০ থেকে ১২০ টি মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) আবেদন। বাকিগুলো হাতে লেখা।
কিন্তু এ মুহূর্তে দূতাবাসে যে জনবল ও কর্মস্থল (ওয়ার্কস্টেশন) রয়েছে তাতে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ টি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করা সম্ভব। ফলে প্রতিদিনই ৫০ টি পাসপোর্ট পড়ে থাকছে। আর তাতেই দিনেদিনে জমেছে পাসপোর্টের পাহাড়।
এদিকে একজন প্রবাসী এমআরপি জন্য আবেদন করলে তাকে এর জন্য সময় দেওয়া হচ্ছে ন্যূনতম ৯০ দিন।
উল্লেখ্য, ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস ২০১২ সালের জানুয়ারির শুরুতেই পাসপোর্ট রিডেবল মেশিনের মাধ্যমে কাজ শুরু করে।
পাসপোর্টের এই জটিলতার বিষয়ে মোহাম্মদ চৌধুরী নামে একজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, তিনি কয়েক সপ্তাহ আগে জ?রুরি ভিত্তিতে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। কয়েক সপ্তাহ হলেও এখনো পাননি।
তিনি বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই আপনার। শুধুমাত্র হাতে লেখা পাসপোর্ট পাবেন।’ কিন্তু হাতে লেখা পাসপোর্টের বিষয়ে রয়েছে বিড়ম্বনা। পড়ার সমস্যার পাশাপাশি অনেক দেশ এই ধরনের পাসপোর্টে অনাগ্রহ দেখায়।
তিনি আরো বলেন, বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মেশিন রিডেবল পাসপোর্টে সুবিধা রয়েছে। এছাড়া হাতে লেখা পাসপোর্টের কারণে অনেক সময় বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময়ও ব্যয় করতে হয়। কিন্তু মেশিন রিডেবল পাসপোর্টে এ ধরনের কোনো ঝামেলা নেই।
পাসপোর্ট জটিলতার বিষয়ে মাসকটে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে যোগাযোগ করা হলে ইমেইলে জানানো হয়, তারা এই সমস্যা সর্ম্পকে অবগত আছেন এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন।
এ বিষয়ে ই-মেইল বার্তায় আরো বলা হয়, কর্তৃপক্ষকে আরো চারটি মেশিনসহ দক্ষ জনবলেরর কথা বলা হয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে ওমানে শ্রমিক যাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। ওমানে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের অনুমতির পর থেকে প্রতিমাসে পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার শ্রমিক দেশটিতে যাচ্ছে।
আর ওমানে যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের ?অধিকাংশই নির্মাণ বা কৃষিকাজ করে থাকেন।

Post a Comment

0 Comments