মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন,পেকুয়া সরকারের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রাণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত জাতীয় কর্মসূচী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৩ এ উপলক্ষ্যে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের আমন্ত্রণ পত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন চিংড়ি ঘেরের ছবি নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। স্থানীয়রা বিতর্কিত আমন্ত্রণ পত্রটি বাতিলের ও দাবী জানিয়েছেন।
জানা যায়, আজ ২ জুলাই থেকে ৮জুলাই পর্যন্ত পেকুয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে নানা কর্মসূচী গ্রহণ করে মৎস্য সপ্তাহ পেকুয়া উপজেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ইউএনও মীর শওকত হোসেন, সদস্য সচিব উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল একটি চার পৃষ্টার রঙিন আমন্ত্রণ পত্রের শেষ পৃষ্টায় এক বিতর্কিত ব্যক্তির মালিকানাধীর চিংড়ি ঘেরের ছবি কৌশলে ছাপিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে গত কয়েকদিন পূর্বে বিলি করা হয়েছে।
পেকুয়ার উপজেলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দরা অভিযোগ করেছেন, সরকারীভাবে মৎস্য সপ্তাহের ব্যয় নির্বাহের জন্য বরাদ্দ থাকলেও পেকুয়ার ঘুষখোর ও বিতর্কিত মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে পেকুয়া উপজেলা জাতীয় মৎস্যজীবি সমিতির কথিত সভাপতি জিসানের চিংড়ি ঘেরের ছবিটি আমন্ত্রণ পত্রে ছাপিয়ে বিলি করে। জিসান উপজেলার মগনামা ইউনিনের মটকাভাঙ্গা গ্রামের তোফাজ্জলের পুত্র ও চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্র শিবিরের তৎকালীন ক্যাডার ছিল বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। সাবেক শিবির ক্যাডারের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে পেকুয়ার মৎস্য কর্মকর্তা শিবিরপ্রীতির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। জানা যায়, সরকারী কোন আমন্ত্রণপত্রে ব্যক্তি বা বিশেষ কোন গোষ্টীর ছবি বা মন্তব্য ছাপানোর কোন নিয়ম নেই। স্থানীয় মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দরা আরো অভিযোগ করেছেন, সরকারী নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল চরম দূর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছে। তারা অবিলম্বে এ মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবী করেছেন।
সরকারী আমন্ত্রণ পত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন চিংড়ি ঘেরের ছবি ছাপানোর বিষয়ে জানতে মোবাইলে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পেকুয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
এ ব্যপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমদ জানিয়েছেন, মৎস্য সপ্তাহের আমন্ত্রণ পত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন চিংড়ি ঘেরের ছবি ছাপিয়ে তা বিলি করা গুরুতর অপরাধ। পেকুয়ার মৎস্য কর্মকর্তা যদি এরকম কাজ করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয়ভাবে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা যায়, আজ ২ জুলাই থেকে ৮জুলাই পর্যন্ত পেকুয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে নানা কর্মসূচী গ্রহণ করে মৎস্য সপ্তাহ পেকুয়া উপজেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ইউএনও মীর শওকত হোসেন, সদস্য সচিব উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল একটি চার পৃষ্টার রঙিন আমন্ত্রণ পত্রের শেষ পৃষ্টায় এক বিতর্কিত ব্যক্তির মালিকানাধীর চিংড়ি ঘেরের ছবি কৌশলে ছাপিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে গত কয়েকদিন পূর্বে বিলি করা হয়েছে।
পেকুয়ার উপজেলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দরা অভিযোগ করেছেন, সরকারীভাবে মৎস্য সপ্তাহের ব্যয় নির্বাহের জন্য বরাদ্দ থাকলেও পেকুয়ার ঘুষখোর ও বিতর্কিত মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে পেকুয়া উপজেলা জাতীয় মৎস্যজীবি সমিতির কথিত সভাপতি জিসানের চিংড়ি ঘেরের ছবিটি আমন্ত্রণ পত্রে ছাপিয়ে বিলি করে। জিসান উপজেলার মগনামা ইউনিনের মটকাভাঙ্গা গ্রামের তোফাজ্জলের পুত্র ও চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্র শিবিরের তৎকালীন ক্যাডার ছিল বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। সাবেক শিবির ক্যাডারের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে পেকুয়ার মৎস্য কর্মকর্তা শিবিরপ্রীতির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। জানা যায়, সরকারী কোন আমন্ত্রণপত্রে ব্যক্তি বা বিশেষ কোন গোষ্টীর ছবি বা মন্তব্য ছাপানোর কোন নিয়ম নেই। স্থানীয় মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দরা আরো অভিযোগ করেছেন, সরকারী নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল চরম দূর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছে। তারা অবিলম্বে এ মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবী করেছেন।
সরকারী আমন্ত্রণ পত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন চিংড়ি ঘেরের ছবি ছাপানোর বিষয়ে জানতে মোবাইলে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পেকুয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
এ ব্যপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমদ জানিয়েছেন, মৎস্য সপ্তাহের আমন্ত্রণ পত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন চিংড়ি ঘেরের ছবি ছাপিয়ে তা বিলি করা গুরুতর অপরাধ। পেকুয়ার মৎস্য কর্মকর্তা যদি এরকম কাজ করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয়ভাবে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 Comments