প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মহেশখালীতে কর্মরত দুই সাংবাদিক ও কক্সবাজারের একটি পত্রিকার সম্পাদকের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ অবশেষে নিষ্পত্তি হয়েছে। গতকাল কক্সবাজারের একটি হোটেলে অনুষ্টিত এক বৈঠকে এই ভুল
বুঝাবুঝির অবসান হয়। গত ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৭ টায় কক্সবাজারের হোটেল সি-কুইন এর পরিচালকের কক্ষে অনুষ্টিত ওই সভার মধ্যস্ততা করেন হোটেলটির মালিক মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক, মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব কবির আহমদ সওদাগর ও জাতীয় পার্টি কক্সবাজার শহর শাখার আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন কামাল। এসময় নিজেদের মধ্যে বিরোধে জড়িয়ে পড়া মহেশখালীর সাংবাদিক আবুল বশর পারভেজ, এম.রমজান আলী ও কক্সবাজারের দৈনিক আপনকণ্ঠের সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার এর মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের মিমাংসা হয়। দৈনিক আপনকণ্ঠের সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার ছাড়াও এসময় সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন মাহবুব রোকন, আবুল বশর পারভেজ, মো.শাহাব উদ্দিন, ফরিদুল আলম দেওয়ান, আমিনুল হক, এম রমজান আলী, এম.ছালামত উল্লাহ, রিয়াজ মোর্শেদ, আবু তাহের। উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা যুবসংহতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মুন্না, মহেশখালী উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মাহবুব আলম ও আপনকণ্ঠের পরিচালনা সম্পাদক আমানুল হক বাবুল। এসময় সাংবাদিকদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে পরস্পরের মধ্যে মিমাংসার সিদ্ধান্ত হয়। মধ্যস্ততাকারিদের হস্তক্ষেপে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়া সাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন। গত ৪ জুলাই কক্সবাজারের বিভিন্ন পত্রিকায় মহেশখালীর আনন্দ স্কুলের ব্যাপারে আবুল বশর পারভেজ কে জড়িয়ে যে সংবাদ গুলো পরিবেশন করা হয় তা ভুল ও মিথ্যা সংবাদ ছিল বলে সিদ্ধান্ত হয় এবং এনিয়ে এম. রমজান আলী দুখ:প্রকাশ করেন। তাছাড়া দৈনিক আপনকণ্ঠের সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার তার পত্রিকার প্রতিনিধি এম. রমজান আলীকে প্রত্যাহার সংক্রান্ত সিদ্ধন্তটি প্রত্যাহার করে নেন।

0 Comments