মোঃ ইউনুছ, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনি
রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের নতুন তিতার পাড়ার কুখ্যাত ডাকাত ছর্দ্দার বহুল আলোচিত নাইক্ষ্যংছড়ি স্বর্ণের দোকান ডাকাতির মূল হুতা ও লাল বাহিনীর প্রধান আয়াত উল্লাহ্ দলবল নিয়ে
আবারো সক্রিয় হওয়া অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়- কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পাহাড় অধ্যাষিত এলাকায় সম্প্রতি তার আনা গোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। এ বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ির বহুল আলোচিত স্বর্ণ দোকান ডাকাতির প্রধান হুতা আয়াত উল্লাহ্ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মামলা থেকে রেহাই পেয়ে গর্জনিয়া কচ্ছপিয়া সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অসংখ ডাকাতি কাজ চালিয়ে ছিল। উক্ত ডাকাত আয়াত উল্লাহ দিন দুপুরে অস্ত্রের মহড়ায় চলাফেরা করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। সে আন্তজেলা ডাকাত দলের প্রভাবশালী ডাকাত ছর্দ্দার গত ২০১২ সালে কচ্ছপিয়ায় জনগনের গণধোলাইতে জহির, নেতা ইসলাম নামের দুই ডাকাত সদস্যকে মেরে ফেলা হলে ডাকাত ছর্দ্দার আয়াত উল্লাহ্ এ সময় পালিয়ে বেড়ায়। এরপর এলাকার পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও বর্তমানে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে লাল বাহিনীর প্রধান ডাকাত আয়াত উল্লাহ্ ও তার সদস্যরা। এ বিষয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি এস.আই. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান- এই বিষয়ে তিনি অবগত আছেন তাই পুলিশি টহল জোরদার রেখেছে। চুরি, ডাকাতি, যারাই সংঘঠিত করুক না কেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়দের অভিযোগ লাল বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় আবারো মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে তাই তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসি।

0 Comments