তানজির আহমেদ রাসেল, লন্ডন
বিশ্বনন্দিত মিসেস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বৃটিশ নাগরিক ব্যারিস্টার তাহমিনা কবির। তিনি এই প্রতিযোগিতায় শুধু একজন সুন্দরী নারী হিসেবেই নয়, বরং একজন আদর্শ মাতা, বিজ্ঞ সমাজকর্মী ও মেধাবী আইনজীবী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন। হিউম্যান রাইট ফর দ্য ডিস্ট্রেস অ্যান্ড ভিক্টিম অব ডমেস্টিক ভায়োলেন্স শীর্ষক কাজে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার স্বাক্ষর রেখেছেন তাহমিনা। মূলত: এজন্যই তিনি মিসেস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় মনোনীত হয়েছেন। আগামী আগস্ট মাসে ক্যারিবিয়ান আইল্যান্ডে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্তপর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
মিসেস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী নারীদের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিন সন্তানের জননী ২৮ বছর বয়সী ব্যারিস্টার তাহমিনা কবির। নারী উন্ন্য়ন ও অবহেলিত নারীদের নিয়ে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ডমেস্টিক ভায়োলেন্সের শিকার প্রবাসী এশিয়ান নারীদের তিনি ফ্রি আইনি সহায়তা দিয়ে চলেছেন। নারীদের উন্নত জীবন ও উন্নত ভাবনা বিষয়ক একটি অধিকার সচেতনতামূলক পান্ডুলিপি রচনা করছেন তিনি । সার্বক্ষণিক আইনি সহায়তার সঙ্গে মানবতার সেবায় কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে তার। তিনি চিল্ড্রেন এসিসটেন্স ফর লিউকেমিয়া পেশেণ্টস, সেভ দ্য চিলন্ড্রেন এন্ড হার মাদার, থ্যালাসেমিয়া এইড ফাউন্ডেশন ইউকে নামক চ্যারিটির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। গত মার্চ ২০১৩ সালে লন্ডনে মা আমার মা একাডেমিক এচিভম্যান্ট এওয়ার্ড লাভ করেন তাহমিনা। এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে তাকে এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
ব্যারিস্টার তাহমিনা কবির একজন আদর্শ গৃহিণী হওয়ার পাশাপাশি সলিসিটর হিসাবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে কাজ করে আসছেন। মেধাবী তাহমিনা ছোট বেলা থেকে বরাবরই মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট যথাক্রমে সম্মিলিত মেধাতালিকায় নবম এবং ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছেন তিনি। তার এ সাফল্যে পরিবার আত্মীয়স্বজন বন্ধু বান্ধব আনন্দে উদ্বেলিত।
মিসেস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী নারীদের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিন সন্তানের জননী ২৮ বছর বয়সী ব্যারিস্টার তাহমিনা কবির। নারী উন্ন্য়ন ও অবহেলিত নারীদের নিয়ে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ডমেস্টিক ভায়োলেন্সের শিকার প্রবাসী এশিয়ান নারীদের তিনি ফ্রি আইনি সহায়তা দিয়ে চলেছেন। নারীদের উন্নত জীবন ও উন্নত ভাবনা বিষয়ক একটি অধিকার সচেতনতামূলক পান্ডুলিপি রচনা করছেন তিনি । সার্বক্ষণিক আইনি সহায়তার সঙ্গে মানবতার সেবায় কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে তার। তিনি চিল্ড্রেন এসিসটেন্স ফর লিউকেমিয়া পেশেণ্টস, সেভ দ্য চিলন্ড্রেন এন্ড হার মাদার, থ্যালাসেমিয়া এইড ফাউন্ডেশন ইউকে নামক চ্যারিটির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। গত মার্চ ২০১৩ সালে লন্ডনে মা আমার মা একাডেমিক এচিভম্যান্ট এওয়ার্ড লাভ করেন তাহমিনা। এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে তাকে এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
ব্যারিস্টার তাহমিনা কবির একজন আদর্শ গৃহিণী হওয়ার পাশাপাশি সলিসিটর হিসাবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে কাজ করে আসছেন। মেধাবী তাহমিনা ছোট বেলা থেকে বরাবরই মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট যথাক্রমে সম্মিলিত মেধাতালিকায় নবম এবং ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছেন তিনি। তার এ সাফল্যে পরিবার আত্মীয়স্বজন বন্ধু বান্ধব আনন্দে উদ্বেলিত।


0 Comments