এম. রায়হান চৌধুরী চকরিয়া
চকরিয়া পৌর শহরের বায়তুশ শরফ রোডে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাদাঁ দাবীর অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা তদন্তকালে পুলিশের উপস্থিতিতে আসামী পক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক মারধরের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করায় সন্ত্রাসীদের হামলা ও মারধরে অন্তত ৬ ব্যক্তি আহত হয়েছে। চাঁদা দাবী ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামীরা জামিনে এসে গতকাল সোমবার বেলা ২টার দিকে এ জঘন্য হামলা চালায়। এ ঘটনায় দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা।
অভিযোগে জানা গেছে, আবুল হাসেম চৌধুরী গংয়ের মালিকানাধীন অন্তত ৫কোটি টাকামূল্যের জায়গা জবর-দখলের চেষ্টা চালায় স্থানীয় মুজিবুল হক ও হারাধনের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় গত ৩০জুন আবুল হাসেম চৌধুরীর ছেলে মাহবুবুল করিম বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় ১৬জনের বিরুদ্ধে একটি চাদাঁবাজির অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য চকরিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই উচমান ঘটনাস্থলে গিয়ে দতন্তকালে আসামী পক্ষের লোকজন বাদী পক্ষের লোকজনের হামলা চালায়। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
হামলায় আহতরা হলেন, মিজবাউল হক (২৩), মোহাম্মদ পুতু (২২) ও হেলাল উদ্দিন (২৮)। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে আসামী পক্ষের মনুর আলম(৪৫), নাছির উদ্দিন (৩৮) ও এনামুল হক (৪০)সহ উভয় পক্ষের ৬জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ওই জমির অংশীদার আবু তাহের চৌধুরী আবু মিয়ার পুত্র মো. মুজিবুল হক চৌধুরী ও সাজ্জাদুল কবির চৌধুরী দাবী করেছেন, তাদের পরিবারের ৭০ বছর ধরে ভোগ-দখলীয় বৈধ জায়গায় হারাধন বা লেদু সওদাগরের কোন ধরণের মালিকানা নেই। এরপরেও হারাধন গং উচ্চ আদালতের আদেশের তারিখ বিকৃত করে জালিয়াতির আশ্রয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে তাদেরকে হয়রাণি করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জালিয়াতির ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর তারা আরো বেপরোয়া হয়ে হামলা ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তারা প্রায় আমাদের দোকানের ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে চাদাঁ দাবী করে আসছে। হামলা ও মারধরের ঘটনায় আরো একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায়।
চকরিয়া পৌর শহরের বায়তুশ শরফ রোডে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাদাঁ দাবীর অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা তদন্তকালে পুলিশের উপস্থিতিতে আসামী পক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক মারধরের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করায় সন্ত্রাসীদের হামলা ও মারধরে অন্তত ৬ ব্যক্তি আহত হয়েছে। চাঁদা দাবী ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামীরা জামিনে এসে গতকাল সোমবার বেলা ২টার দিকে এ জঘন্য হামলা চালায়। এ ঘটনায় দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা।
অভিযোগে জানা গেছে, আবুল হাসেম চৌধুরী গংয়ের মালিকানাধীন অন্তত ৫কোটি টাকামূল্যের জায়গা জবর-দখলের চেষ্টা চালায় স্থানীয় মুজিবুল হক ও হারাধনের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় গত ৩০জুন আবুল হাসেম চৌধুরীর ছেলে মাহবুবুল করিম বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় ১৬জনের বিরুদ্ধে একটি চাদাঁবাজির অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য চকরিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই উচমান ঘটনাস্থলে গিয়ে দতন্তকালে আসামী পক্ষের লোকজন বাদী পক্ষের লোকজনের হামলা চালায়। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
হামলায় আহতরা হলেন, মিজবাউল হক (২৩), মোহাম্মদ পুতু (২২) ও হেলাল উদ্দিন (২৮)। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে আসামী পক্ষের মনুর আলম(৪৫), নাছির উদ্দিন (৩৮) ও এনামুল হক (৪০)সহ উভয় পক্ষের ৬জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ওই জমির অংশীদার আবু তাহের চৌধুরী আবু মিয়ার পুত্র মো. মুজিবুল হক চৌধুরী ও সাজ্জাদুল কবির চৌধুরী দাবী করেছেন, তাদের পরিবারের ৭০ বছর ধরে ভোগ-দখলীয় বৈধ জায়গায় হারাধন বা লেদু সওদাগরের কোন ধরণের মালিকানা নেই। এরপরেও হারাধন গং উচ্চ আদালতের আদেশের তারিখ বিকৃত করে জালিয়াতির আশ্রয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে তাদেরকে হয়রাণি করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জালিয়াতির ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর তারা আরো বেপরোয়া হয়ে হামলা ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তারা প্রায় আমাদের দোকানের ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে চাদাঁ দাবী করে আসছে। হামলা ও মারধরের ঘটনায় আরো একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায়।

0 Comments