Advertisement

ঈদগড়ে সার ও কিটনাশকের ব্যবহারে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ


ইব্রাহিম খলিল,ঈদগড়
কক্সবাজার রামুর ঈদগড়ে ফসলী জমিতে রসায়নিক সার ও কিটনাশক ব্যবহার করায় দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন জাতের মাছ এবং প্রয়োজনীয় পোকা মাকড় ও কীটপতঙ্গ ধ্বংস হচ্ছে। সেই সাথে জমির উর্বর শক্তি
হ্রাস, ফলন কম ও পরিবেশ দূষণ ঘটছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সমগ্র এলাকার ফসলী জমিতে বেশি ফলনের আশায় পরিমাণের অধিক রসায়নিক সার ব্যবহার ও কীটপতঙ্গের হাত থেকে ফসল রক্ষার লক্ষ্যে জমিতে যতেষ্ঠ পরিমাণ কিটনাশক ছিটানোর ফলে নদী-নালা,খাল-বিল, ডুবা পুকুর প্রভৃতির পানি দূষনের কারণে বহু প্রজাতির দেশীয় মাছ ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অন্যদিকে অপরিকল্পিত ভাবে এসব কিটনাশক ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষণ, ফসলের ফলন ও জমির উর্বর শক্তি মারাত্বক ভাবে হ্রাস পাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকার খবরে জানা যায়, ইতিমধ্যে চেং,শিং,কই,মাগুর,পুঁটি মাছ নেই বললেই চলে। এ মাছ গুলির পরিমাণ আশংকাজনক হারে কমে গেছে। আরো জানা যায়, এসব রসায়নিক সার ও কিটনাশক ব্যবহারের ফলে গরু,ছাগল,ভেড়া এবং হাঁস-মুরগী জাতীয় পশু-পাখি বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা পড়ছে। অপরদিকে জল ও স্থলের অন্যান্য কীটপতঙ্গ গুলো প্রায় বিলুপ্তীর পথে। অন্যদিক আবাদি জমির জন্য বিশেষ উপকারী কেঁচো ও ঘুঘলির ন্যায় প্রাণীদের জন্যও এসব বিপদ জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে কৃষি বিভাগের উচিৎ যাবতীয় ফসলের বাম্পার ফলন ও আশানুরুপ উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আত্ম নিয়োগ করা। সঙ্গে সঙ্গে কৃষিযুগ্য জমিতে কৃষকগণ যাতে যতেষ্ঠ সার ও কিটনাশক ব্যবহার না করে সেই দিকে তীক্ষè দৃষ্টি রাখা।

Post a Comment

0 Comments