এসএম হান্নান শাহ,
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা বিটের সংরক্ষিত গর্জন বাগান থেকে দিন দুুপুরে অস্ত্র উচিয়ে কাঠ চোরের দল কাঠ কেটে নিয়ে যাওয়া সময় খবর পেয়ে বনকর্মীরা বাঁধা দিলে এক পর্যায়ে বনকর্মী ও কাঠ
চোরদের সাথে শুরু হয় হামলাও পাল্টা হামলা। এসময় কাঠ চোরের দল বনকর্মীদের আটককৃত কাঠ ছিনতাই, অস্ত্র লুট ও মারধরে ৭ ব্যক্তি আহত হয়। এ ব্যাপারে ডুলাহাজারা বিট কর্মকর্তা মামুন মিয়া বাদী হয়ে ১৪ কাঠ চোরের নাম উল্লেখ পূর্বক আরো অজ্ঞাত ৬০-৭০ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের আওতার্ধীন ডুলাহাজারা বিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ডুলারছড়া ব্রিজ সংলগ্ন ছড়া খাল দিয়ে গত ২০ জুন বিকাল ৪ টার দিকে একদল কাঠ চোর গর্জন গাছ সাইজ করে তত্তা বানিয়ে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে বিট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ভিলিজারসহ উপস্থিত হয়ে তত্তা গুলো আটক করে। আটক করার পর কাঠ চোরের দল অস্ত্র সশস্ত্র নিয়ে বিট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ভিলিজারদের উপর হামলা চালায়। এসময় তারা বিটের সরকারী অস্ত্র লুটের চেষ্টা করে। দারালো দা.কিরিচও বিভিন্ন অস্ত্রদিয়ে বনপহরী ইকবাল হোসেন, বনমালী আবদুল বারিক ফরেষ্টর সরফাত আলী, হেডম্যান গিয়াস উদ্দিন, কেরামত আলী, ফোরকানকে মারধর করে গুরুতর আহত করে।
এ সময় কাঠ চোরের দল নগদ টাকা , মোবাইল সেট ও আটকৃত প্রায় ৩ লাখ টাকার কাঠ নিয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছলে কাঠ চোরের সদস্যরা পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ডুলাহাজারা বিটের দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তা মামুন মিয়া বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় কাঠ চোর বাহিনীর প্রধান মৌ: কুতুব উদ্দিন, মো: হোসেন প্রকাশ ভ্যাটকাইয়া, বশির, জিয়াবুল, হেলাল, বেলাল, মহি উদ্দিন, ইছাক, বারেক, এনাম , জসিম, সাইফুল, ভুট্টুসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক আরো অজ্ঞাত ৭০ জনকে আসামী করে চকরিয়া থানায় মামলা নং ৩৭ একটি মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে কাঠচোরদের অব্যাহত হুমকির কারনে বিটের দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতাই রয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।

0 Comments