মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ
টেকনাফে ২টি দেশীয় তৈরী কাটা বন্দুক ও ২ রাউন্ড গুলিসহ আজিমুল্লাহ (২৫)নামে এক দুধর্র্ষ ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে বিজিবি। সে সাবরাং কাটাবুনিয়া এলাকার আব্দুর রহিম মাঝি ছেলে। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ২৫ জুন রাত সোয়া ১২টার দিকে সাবরাং বিওপির নায়েব
সুবেদার মোঃ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাটাবুনিয়ার নজির ডাকাতের বাড়ী থেকে তাকে আটক করে। এসময় নজীর ডাকাতসহ অপর কয়েকজন পালিয়েছে বলে জানা গেছে। বিজিবি ৪২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে.কর্ণেল জাহিদ হাসান সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধৃত ব্যক্তিকে টেকনাফ থানায় সোপর্দ করে মামলা(৫৪)দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে তার বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ ৭/৮টি মামলা রয়েছে। টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরহাদ জানান, গত জানুয়ারী মাসে টেকনাফ থানা পুলিশ ধৃত আজিমুল্লাহর বড় ভাই সাবরাং হারিয়াখালী এলাকার ডাকাত সর্দার ও শীর্ষ মানব পাচারকারী ১৭ মামলার আসামী নজির আহমদকে আটক করেছিল। আজিমুল্লাহ নজীর ডাকাতের দলের একজন সদস্য। এদিকে কুখ্যাত ডাকাত আজিমুল্লাহকে আটকের পর এলাকায় স্বস্থি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, হারিয়াখালী এলাকার সড়ক ডাকাতির অন্যতম এই আজিমুল্লাহ নিরীহ যাত্রীদের ডাকাতির পাশাপাশি অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমহানি করেছিল। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে তারা সম্ব্রম হারিয়েও তা প্রকাশ করতে পারেনি আবার অনেকে তার ভয়ে থানায় অভিযোগ পর্যন্ত করার সাহস পায়নি। এলাকার ভূক্তভোগীদের দাবী দুর্বল পুলিশী তদন্তের মাধ্যমে এই ধর্ষক ও কুখ্যাত ডাকাতকে যেন সহজে জেল থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ করে দেয়া না হয়।
টেকনাফে ২টি দেশীয় তৈরী কাটা বন্দুক ও ২ রাউন্ড গুলিসহ আজিমুল্লাহ (২৫)নামে এক দুধর্র্ষ ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে বিজিবি। সে সাবরাং কাটাবুনিয়া এলাকার আব্দুর রহিম মাঝি ছেলে। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ২৫ জুন রাত সোয়া ১২টার দিকে সাবরাং বিওপির নায়েব
সুবেদার মোঃ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাটাবুনিয়ার নজির ডাকাতের বাড়ী থেকে তাকে আটক করে। এসময় নজীর ডাকাতসহ অপর কয়েকজন পালিয়েছে বলে জানা গেছে। বিজিবি ৪২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে.কর্ণেল জাহিদ হাসান সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধৃত ব্যক্তিকে টেকনাফ থানায় সোপর্দ করে মামলা(৫৪)দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে তার বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ ৭/৮টি মামলা রয়েছে। টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরহাদ জানান, গত জানুয়ারী মাসে টেকনাফ থানা পুলিশ ধৃত আজিমুল্লাহর বড় ভাই সাবরাং হারিয়াখালী এলাকার ডাকাত সর্দার ও শীর্ষ মানব পাচারকারী ১৭ মামলার আসামী নজির আহমদকে আটক করেছিল। আজিমুল্লাহ নজীর ডাকাতের দলের একজন সদস্য। এদিকে কুখ্যাত ডাকাত আজিমুল্লাহকে আটকের পর এলাকায় স্বস্থি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, হারিয়াখালী এলাকার সড়ক ডাকাতির অন্যতম এই আজিমুল্লাহ নিরীহ যাত্রীদের ডাকাতির পাশাপাশি অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমহানি করেছিল। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে তারা সম্ব্রম হারিয়েও তা প্রকাশ করতে পারেনি আবার অনেকে তার ভয়ে থানায় অভিযোগ পর্যন্ত করার সাহস পায়নি। এলাকার ভূক্তভোগীদের দাবী দুর্বল পুলিশী তদন্তের মাধ্যমে এই ধর্ষক ও কুখ্যাত ডাকাতকে যেন সহজে জেল থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ করে দেয়া না হয়।

0 Comments