Advertisement

মহেশখালী স্মৃতিসৌধ সবার দৃষ্টি নন্দনে


নিজস্ব সংবাদদাতা
মহেশখালীর স্মৃতিসৌধটি সবার দৃষ্টি নন্দন আকর্ষণ করিয়াছে। উপজেলা মহেশখালীর বড় বাবুর দিঘির পশ্চিম পাড়ের স্থাপিত হয়েছ যাদের জীবন এই বাঙ্গালী জাতির জন্য উৎসর্গ করিয়াছে তাদের স্মৃতি চির
জীবন এ জাতির স্মরণ রাখার জন্যে এই স্মৃতি সৌধ নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার বহু বৎসর পরে হলেও এই বর্তমান মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্বাধীনতার জন্য, বাঙ্গালীর ভাষা আন্দোলনের জন্য, যাদের জীবন জাতির জন্য উৎসর্গ করেছে এই শহীদদের স্মরণে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন প্রাঙ্গনে স্মৃতি সৌধ স্থাপিত করা হলো। পাখি উড়ে যায়, নিচে পড়ে ছায়া, মানুষ চলে যায়, রেখে যায় ময়া। এই জাত বাঙ্গালীর জন্য বাঙ্গালীরা অকাতরে প্রাণ দিয়েছেন পৃথিবীর বুকে নিজের ভাষার জন্য ও নিজের দেশ স্বাধীন করার জন্য। এই বীর বাঙ্গালীর স্মৃতি চিরদিন স্মরন করার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা এই অপূর্ব সুন্দর দৃষ্টি কাড়ার লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে এই স্মৃতিসৌধ তৈরি করেছে। আমাদের প্রীয় নবী হযরত মোহম্মদ (সঃ) যখন জালেমরা রাসূলকে আঘাতের উপর আঘাত করার পরও শেষ পর্যন্ত প্রীয় নবী মক্কা থেকে আবু বক্কর ছিদ্দিককে নিয়ে মদিনায় হিজরত করতে ছিলেন তখন পিছে পিছে শুধু জন্ম স্থান মক্কার দিকে বারে বারে দেখে ছিলেন। জন্ম স্থান পৃথিবীর বুকে সব মায়া মমতা থেকে জন্ম স্থানের মায়া সবচাইতে বড়। তাই ৩০ লক্ষ শহীদের দেশ এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। এই স্মৃতি সৌধ হল একমাত্র শহীদদের স্মরণে এই স্মৃতিসৌধ বড়ই মায়া, বড়ই আদরের। কারণ এই জাত বাঙ্গালীর বীরেরাই বুকের তাজা রক্ত দান করতে পেরেছে বলেই এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। আমরা গর্বিত হয়েছি। ঠিক মহেশখালী স্মৃতিসৌধটি স্বাধীনতার শহীদদের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করিয়ে দেয়। মহেশখালীর স্মৃতি সৌধটি দুই নয়নের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

Post a Comment

0 Comments