Advertisement

কচ্ছপিয়ার বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্ধ দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ


নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি
       রামু উপজেলার বাকখালী রেঞ্জের আওতাধীন কচ্ছপিয়া মৌলভীকাটার বিট অফিসার সৈয়দ আবু জাকারিয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক বনায়নের প্লট বরাদ্ধ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নিয়ে প্লট বরাদ্ধ না দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বালুবাসা গ্রামের মৃত হাজী কালাম বক্্সুর ছেলে
হাফেজ আহমদ ২০১১-১২ সনের বন বিভাগের বরাদ্ধ দেওয়া প্লটে প্লট পাওয়ার আশায় ফরম সংগ্রহ করে নিয়মানুযায়ী আবেদন করেন। তার এ আবেদন যাচাই বাচাই করে বরাদ্ধ দেওয়া প্লটের বাঁশ বাগানে সুবিধাভোগীদের নিয়ে মিটিং করে রেজুলেশন করে একটি অস্থায়ী বাঁশ  বাগান সংরক্ষন কমিটি গঠন করা হয়। সে কমিটিতে হাফেজ আহমদকে সভাপতিও করা হয়। সে অনুযায়ী তিনি ৪ জানুয়ারী থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ইতিমধ্যে বাকখালী রেঞ্জের অধীন কচ্ছপিয়া মৌলভীরকাটার বিট অফিসার সৈয়দ আবু জাকারিয়া প্লট বরাদ্ধ দেওয়ার খরচ বাবত হাফেজ আহমদের কাছ থেকে ১৬২০০/- টাকা গ্রহণ করেন। অন্যের কাছ থেকে ধার করে এ টাকা হাফেজ আহমদ স্থানীয় ভিলেজার মোঃ ইলিয়াসের মধ্যস্থতায় ঐ এলাকার সাব্বির আহমদের মাধ্যমে বিট অফিসার গ্রহণ করেন। কিন্তু চুড়ান্ত বরাদ্ধ দেওয়ার সময় হাফেজ আহমদকে বাদ দিয়েই প্লট অন্যদের কাছ থেকে এর চেয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ঐ প্লট বরাদ্ধ দিয়েছেন বলে তিনি(হাফেজ আহমদ) জানান। প্লট না পাওয়ার ফলে হাফেজ আহমদ দেওয়া টাকা ফেরত চাইলে বিট অফিসার তাকে পরে প্লট বরাদ্ধ দেওয়া হবে বলে আশ্বস্থ করেন। কিন্তু সময় মতো প্লট না পাওয়ায় তিনি বিষয়টি স্থানীয় কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বাকখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা বরাবর বিট অফিসার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে গৃহিত টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে বট অফিসার কর্তৃক টাকা গ্রহণের ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে বিট অফিসার সৈয়দ আবু জাকারিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, হাফেজ আহমদ প্লট দেখশোনা ও কাজ করত। সে বাবত তিনি ২২০০/- টাকা পাওনা থাকতে পারে। যা তার সাথে হিসাবে বসলে সঠিকভাবে জানা যাবে।

Post a Comment

0 Comments