আবদুল মজিদ,চকরিয়া:
এলাকাবাসী জানায়, চকরিয়া পৌরসভার বাণিজ্যিক শহর চিরিংগা সোসাইটি,থানা রাস্তার মাথা, পুরাতন বাসষ্টেশন ও মহাসড়কের দু’পাশ্ব এলাকায় এক শ্রেণীর দখলবাজচক্র দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ভাসমান দোকান গড়ে তুলেছিল।
অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার কিছু কর্মকর্তা, মার্কেট মালিক, ফল ব্যবসায়ী সমিতি এসব দোকান থেকে মাসোহারা নেয়ায় ইতিপূর্বেও একাধিক অভিযানের পর এসব দোকান পূণরায় বসে যায়। দিন দিন বাণিজ্যিক শহরে যানজট বেড়ে যাওয়ায় অবশেষে রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জয়নাল আবদীন এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানে নামেন।
আদালত সূত্র জানায়, থানা পুলিশ,পৌরসভা ও হাইওয়ে পুলিশের সমন্বয়ে আদালত অভিযান চালিয়ে যত্রতত্র গড়ে উঠা শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করেছে। এসময় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও সড়কের ওপর মালামাল রাখার অপরাধে ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মামলা দিয়ে আদায় করা হয়েছে সাড়ে ২৪হাজার টাকা জরিমানা।
চকরিয়া থানার ওসি রনজিত বড়–য়া জানান, অভিযানের পর পূণরায় দোকান বসার চেষ্টা করা হলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।
আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল আবদীন বলেন, অবৈধভাবে দোকানের সামনে সড়কের ওপর মালামাল রাখায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২হাজার টাকা করে ২২হাজার টাকা, ১টিকে ১হাজার টাকা ও ৩টিকে ৫০০টাকা করে মোট সাড়ে ২৪হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এরপরও পূণরায় ভাসমান দোকান বসিয়ে যানজট সৃষ্টি করা হলে জেল-জরিমানাসহ আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ শ্রীঘ্রই অভিযান চালানো হবে।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো:.আল আমিন,চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়–য়া, ওসি (তদন্ত) মো: নাছির উদ্দিন, পৌরসভার সচিব নুর মোহাম্মদ চৌধুরী ও থানার অপারেশন অফিসার মো: ওসমান গণিসহ উপজেলা প্রশাসন, থানা, পৌরসভা, হাইওয়ে পুলিশ, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা চকরিয়া উপজেলা ও স্কাউট কর্মকর্তা অংশ নেন। এসময় রাস্তার দু’ধারে উৎসুক হাজার হাজার জনতা আদালতের এ অভিযান অবলোকন করেন। এদিকে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করেন চকরিয়া পৌর শহরকে যানজটমুক্ত করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন আরকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক কামাল আজাদ ও চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি বাহাদুর আলম।
অপরদিকে পৌর শহরের ভাসমান দোকানের ব্যবসায়ীরা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য নির্দিষ্ট স্থান চেয়ে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। অন্যথায় আগামী রমজান মাসে অত্যন্ত দু:খ কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করতে হবে বলে প্রশাসনকে অবহিত করেন।
কক্সবাজারের চকরিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত
যৌথ অভিযান চালিয়ে পৌর শহরের বাণিজ্যিক এলাকায় মহাসড়কের দু’পাশ্ব দখল
করে অবৈধভাবে গড়ে উঠা শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসময় আদালত
১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সড়কের ওপর মালামাল
রাখার অপরাধে মামলা দিয়ে
সাড়ে ২৪হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। ২৩জুন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ২টা
পযর্ন্ত ৪ঘন্টা ব্যাপী উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ ও পৌরসভার সমন্বয়ে যৌথ এ
অভিযান পরিচালনা করে। এরফলে সাধারণ জনগণের মাঝে স্বস্থির নিশ্বাস ফিরে
এসেছে।এলাকাবাসী জানায়, চকরিয়া পৌরসভার বাণিজ্যিক শহর চিরিংগা সোসাইটি,থানা রাস্তার মাথা, পুরাতন বাসষ্টেশন ও মহাসড়কের দু’পাশ্ব এলাকায় এক শ্রেণীর দখলবাজচক্র দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ভাসমান দোকান গড়ে তুলেছিল।
অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার কিছু কর্মকর্তা, মার্কেট মালিক, ফল ব্যবসায়ী সমিতি এসব দোকান থেকে মাসোহারা নেয়ায় ইতিপূর্বেও একাধিক অভিযানের পর এসব দোকান পূণরায় বসে যায়। দিন দিন বাণিজ্যিক শহরে যানজট বেড়ে যাওয়ায় অবশেষে রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জয়নাল আবদীন এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানে নামেন।
আদালত সূত্র জানায়, থানা পুলিশ,পৌরসভা ও হাইওয়ে পুলিশের সমন্বয়ে আদালত অভিযান চালিয়ে যত্রতত্র গড়ে উঠা শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করেছে। এসময় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও সড়কের ওপর মালামাল রাখার অপরাধে ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মামলা দিয়ে আদায় করা হয়েছে সাড়ে ২৪হাজার টাকা জরিমানা।
চকরিয়া থানার ওসি রনজিত বড়–য়া জানান, অভিযানের পর পূণরায় দোকান বসার চেষ্টা করা হলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।
আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল আবদীন বলেন, অবৈধভাবে দোকানের সামনে সড়কের ওপর মালামাল রাখায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২হাজার টাকা করে ২২হাজার টাকা, ১টিকে ১হাজার টাকা ও ৩টিকে ৫০০টাকা করে মোট সাড়ে ২৪হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এরপরও পূণরায় ভাসমান দোকান বসিয়ে যানজট সৃষ্টি করা হলে জেল-জরিমানাসহ আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ শ্রীঘ্রই অভিযান চালানো হবে।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো:.আল আমিন,চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়–য়া, ওসি (তদন্ত) মো: নাছির উদ্দিন, পৌরসভার সচিব নুর মোহাম্মদ চৌধুরী ও থানার অপারেশন অফিসার মো: ওসমান গণিসহ উপজেলা প্রশাসন, থানা, পৌরসভা, হাইওয়ে পুলিশ, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা চকরিয়া উপজেলা ও স্কাউট কর্মকর্তা অংশ নেন। এসময় রাস্তার দু’ধারে উৎসুক হাজার হাজার জনতা আদালতের এ অভিযান অবলোকন করেন। এদিকে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করেন চকরিয়া পৌর শহরকে যানজটমুক্ত করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন আরকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক কামাল আজাদ ও চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি বাহাদুর আলম।
অপরদিকে পৌর শহরের ভাসমান দোকানের ব্যবসায়ীরা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য নির্দিষ্ট স্থান চেয়ে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। অন্যথায় আগামী রমজান মাসে অত্যন্ত দু:খ কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করতে হবে বলে প্রশাসনকে অবহিত করেন।

0 Comments