কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া (কক্সবাজার)
কক্সবাজারের উখিয়ার তুতুরবিল গ্রামে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ৩৭লক্ষ টাকা ব্যয়ে সড়কে ব্রিক সলিন ও গাইডওয়াল নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মেসার্স এন জাহান কনস্ট্রাকশনের সত্বাধিকারী নুরুল আমিন চৌধুরী প্রকাশ ভুট্টো স্থানীয় সংসদ সদস্যের আতœীয় পরিচয় দিয়ে এ কাজে অনিয়ম করলেও দেখার কেউ নেই। উপজেলা প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন বলেন, কাজ শুরুতে গাইডওয়াল নির্মাণ কাজে অনিয়ম হওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে সড়কের ব্রিক সলিন নির্মাণ কাজে অনিয়ম লক্ষ্য করা যায়নি।
জানা গেছে, তুতুরবিল গ্রামীণ জনপদের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে গাইডওয়াল ও ১কিলোমিটার রাস্তায় ব্রিক সলিন কাজ করার লক্ষ্যে ৩৭লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ২৮ মে ওই রাস্তার কাজ শুরু করেন মেসার্স এন জাহান কনস্ট্রাকশন। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী রইজ উদ্দিন এ উন্নয়ন কাজের তদারকি করছেন। কিন্তু ঠিকাদারের সাথে আতাঁত করে ওই রাস্তা ও গাইডওয়াল নির্মাণের কাজে ব্যাপক অনিয়ম হলেও স্থানীয় গ্রামবাসীরা অভিযোগ করার পরও কাজ থেমেনি। মূলত ওয়ার্ক এসিসট্যান্ট দয়াল ভট্রাচার্য সম্পূর্ণ কাজের তদারকি করছে।
স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সরকার গ্রামীন জনপদের উন্নয়ন ও মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে উক্ত রাস্তায় উন্নয়নের কাজে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিলেও ঠিকাদার ও উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের কর্মচারীদের যোগসাজসে অনিয়মের মধ্য দিয়ে এ রাস্তার কাজ শেষ করছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ঠিকাদার নুরুল আমিন চৌধুরী প্রকাশ ভুট্টোর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এসব অনিয়মের কথা অস্বীকার করেন।
কক্সবাজারের উখিয়ার তুতুরবিল গ্রামে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ৩৭লক্ষ টাকা ব্যয়ে সড়কে ব্রিক সলিন ও গাইডওয়াল নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মেসার্স এন জাহান কনস্ট্রাকশনের সত্বাধিকারী নুরুল আমিন চৌধুরী প্রকাশ ভুট্টো স্থানীয় সংসদ সদস্যের আতœীয় পরিচয় দিয়ে এ কাজে অনিয়ম করলেও দেখার কেউ নেই। উপজেলা প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন বলেন, কাজ শুরুতে গাইডওয়াল নির্মাণ কাজে অনিয়ম হওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে সড়কের ব্রিক সলিন নির্মাণ কাজে অনিয়ম লক্ষ্য করা যায়নি।
জানা গেছে, তুতুরবিল গ্রামীণ জনপদের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে গাইডওয়াল ও ১কিলোমিটার রাস্তায় ব্রিক সলিন কাজ করার লক্ষ্যে ৩৭লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ২৮ মে ওই রাস্তার কাজ শুরু করেন মেসার্স এন জাহান কনস্ট্রাকশন। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী রইজ উদ্দিন এ উন্নয়ন কাজের তদারকি করছেন। কিন্তু ঠিকাদারের সাথে আতাঁত করে ওই রাস্তা ও গাইডওয়াল নির্মাণের কাজে ব্যাপক অনিয়ম হলেও স্থানীয় গ্রামবাসীরা অভিযোগ করার পরও কাজ থেমেনি। মূলত ওয়ার্ক এসিসট্যান্ট দয়াল ভট্রাচার্য সম্পূর্ণ কাজের তদারকি করছে।
স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সরকার গ্রামীন জনপদের উন্নয়ন ও মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে উক্ত রাস্তায় উন্নয়নের কাজে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিলেও ঠিকাদার ও উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের কর্মচারীদের যোগসাজসে অনিয়মের মধ্য দিয়ে এ রাস্তার কাজ শেষ করছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ঠিকাদার নুরুল আমিন চৌধুরী প্রকাশ ভুট্টোর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এসব অনিয়মের কথা অস্বীকার করেন।

0 Comments