সদ্য অনুষ্ঠিত চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনসহ বর্তমান সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত অন্যান্য নির্বাচন প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটা প্রমাণিত। বিরোধীদলের প্রার্থীরাও
নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহ¯পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার শুরুতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, “জনগণ যদি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি ও লুটপাট চায়, তাহলে বিরোধী দলকে ভোট দেবে। আর জনগণ যদি শান্তিতে থাকতে চায়, দেশের উন্নয়ন চায়, তাহলে আমাদের ভোট দেবে। এটা জনগণের হাতেই ছেড়ে দিয়েছি। জনগণ যাকে ভোট দেবেন, তারাই বিজয়ী হবেন।”
নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহ¯পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার শুরুতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, “জনগণ যদি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি ও লুটপাট চায়, তাহলে বিরোধী দলকে ভোট দেবে। আর জনগণ যদি শান্তিতে থাকতে চায়, দেশের উন্নয়ন চায়, তাহলে আমাদের ভোট দেবে। এটা জনগণের হাতেই ছেড়ে দিয়েছি। জনগণ যাকে ভোট দেবেন, তারাই বিজয়ী হবেন।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যারা বেলা দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঘুমান, তারা হলেন আস্তিক! আর যারা ফজরের নামাজ পড়ে দিনের কাজ শুরু করেন, তারা হলেন নাস্তিক! এটাও আমাদের শুনতে হয়। এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য।” বিরোধী দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নামে তারা আন্দোলন করছে, মানুষ হত্যা করছে। কিন্তু, অনির্বাচিত সরকার আসলে নির্বাচনই হবে না। কেউ কেউ ফতোয়া দিয়ে বসবেন যে, এই অনির্বাচিত সরকার কেয়ামত পর্যন্ত থাকতে পারবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসলে তারা নির্বাচনই দেবে না। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন মাসের কথা বলে ক্ষমতায় এসে দুই বছর পার করেছে। এবার এলে হয়ত নির্বাচনই দেবে না।”
তিনি বলেন, “আমরা দেশের জনগণকে শান্তিতে রাখতে চাই। জনগণ যদি শান্তি চায়, তাহলে আবারও আমাদের ভোট দেবে। আর যদি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় আনতে চায়, একশ টাকা কেজি দরে চাল খেতে চায়, তাহলে তাদের ভোট দেবে।” বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাসের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে জনগণের ভোট চুরি করে, অর্থও চুরি করে। তারা ব্যাংক লুট করে বিদেশে অর্থ পাচার করেছে।” তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “ভাঙা সুটকেস থেকে ১২টি ইন্ডাস্ট্রি ও কোকো-১ থেকে কোকো-৭ পর্যন্ত লঞ্চ কীভাবে আসে?”
চুরি ধরতে গিয়ে বর্তমান সরকারই ‘চোরের অপবাদ’ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সব নির্বাচন প্রমাণ করেছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই কেবল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয়।

0 Comments