Advertisement

নাইক্ষ্যংছড়ির আইনশৃংখলা কমিটির সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জামিল ঃ বাল্য বিবাহ সম্প্রদানের পর ও শাস্তি দেওয়া যাবে


মো: ইউনুছ,নাইক্ষ্যংছড়ি
বাল্য বিবাহ সম্প্রদানের পর ও শাস্তি দেওয়া যাবে । বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক ব্যধি । এই বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে । বিগত এক সপ্তাহে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক
আওয়ামীলীগ নেতার সহযোগীতায় দুটি বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে । যাদের অল্প বয়সে বিয়ে দিতে যাচ্ছিলেন তাদের পিতা-মাতা তারা অষ্টম শ্রেনী ও দশম শ্রেনীর ছাত্রী । এরা ছাত্রী হিসাবে মেধাবী ,পরীক্ষা দিলে পাশ করবেই । আমি (উপজেলা নিবাহী অফিসার) এদের পাঠ্য বই থেকে প্রশ্ন করি এরা তা ঠিক ঠাক জবাব দিয়েছে । বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে বিদ্যালয়ের শিক্ষক,প্রধান শিক্ষক,রাজনৈতিক নেতা-কর্মী,সাংবাদিকসহ সকল পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানান । বাল্য বিবাহ কালে শাস্তি দেয়া যায় । কোন ভাবে বাল্য বিবাহ সম্প্রদান হয়ে গেলেও এই অপরাধে শাস্তি দেয়া যাবে ।  এই সময় যাতে কোন ভাবে রোহিঙ্গা নাগরিকরা চেয়ারম্যান সনদ,ইউপি চেয়ারম্যানদের কোন সহযোগীতা না পায় । এবং পুলিশ প্রতিবেদন না পায় । এই বিষয়ে মন্ত্রনালয়ের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে । যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা রোহিঙ্গাদের পাসপোটের জন্য প্রতিবেদন দেয় । চেয়ারম্যানগন রোহিঙ্গা নাগরিকদের বিদেশ যেতে সনদ কিংবা সহযোগীতা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে । রোহিঙ্গা নাগরিকের সন্তানরা যাতে বাংলাদেশের স্কুল গুলোতে ভর্তি হতে না পারে ,ভর্তি হয়ে থাকলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারে ,সেজন্য বিদ্যালয় শিক্ষকদের সু-দৃষ্টি কামনা করেন ।   গত (বৃহস্পতিবার) ২৭ জুন  সকাল ১১.০০ঘটিকায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের মাসিক আইন শৃংখলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আহমেদ জামিল উপরোক্ত কথা গুলো বলেন । সভায় তিনি বিগত মাসের রেজুলেশন পড়ে শুনার পর তিনি আরো বলেন,- সভায় মাদকের নিয়ন্ত্রন,ইভটিজিং রোধ,আইন শৃংখলা ,পাহাড় ধস,হাসপাতালে চিকিৎসার মান বৃদ্ধি,সীমান্তের চোরাচালান রোধ,ঔষধ পাচার রোধসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলোকপাত করা হয় । সভায় উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সদস্য প্রেস ক্লাব সভাপতি নুরুল আলম সাঈদ বলেন,- সীমান্ত দিয়ে চুরি করে এনে মজুদ পূর্বক পাচার কালে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তোফাইল এর কাটাঁ তার বিজিবি অভিযানে আটক করলেও কেন মামলা হয়নি । এই বিষয়ে বিজিবি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন । এবং সীমান্ত দিয়ে সরকারী ঔষধ আটক হলেও হাসপাতালের কোন কর্মচারী বা কর্তৃপক্ষকে কেন জবাবদিহি করা হল না । এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য প্রদান কালে অনিয়ম ও দূনীর্তির বিষয়ে বক্তব্য দেন । এবং বাজারে একটি টয়লেট ও একটি গণসৌচাগার নিমার্ণের জন্য উপজেলা পরিষদ বা ইউনিয়ন পরিষদের সু-দৃষ্টি কামনা করেন । সভায় আইন শৃংখলা কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,- নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হামিদা চৌধুরী,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল আবছার,উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মান্নান, নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইন-চার্জ এর পক্ষে এস আই অমিত বড়–য়া, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খন্দকার মো ঃ ফিজানুর রহমান, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী জামির হোসেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শাহ আজিজ, নাইক্ষ্যংছড়ি ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ছৈয়দ নুর, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পক্ষে ডা ঃ রঞ্জন চৌধুরী,রোকেয়া খাতুন,নাইক্ষ্যংছড়ি সরঃ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল হালিম, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাব সভাপতি নুরুল আলম সাঈদ, ৩১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের পক্ষে নায়েক সুবেদার জালাল মিয়া, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আনসার -বিডিপি কমান্ডার রাহেনা বেগম  বিআরডিবির জুনিয়র অফিসার শাহ আলম,এমপি’র প্রতিনিধি আলহাজ্ব খাইরুল বশর,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ডাঃ সিরাজ,নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মংক্যেচিং চাক তাবু ,ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দীপক বড়–য়া,দৌছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রাজা মিয়া,সমাজ সেবা কর্মকর্তার পক্ষে আব্দু সালাম,উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ,বিএল আর আই এর এসও ননী গোপাল দাস,একটি বাড়ী একটি ঘামার প্রকল্পের সমন্বয়ক মহিউদ্দীন,নাইক্ষ্যংছড়ি মদিনাতুল উলুম দাখিল ইনঃ মাদ্রাসার সুপার মৌলভী ছৈয়দ,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক চোচু মং মার্মা, উপজেলা যুব উন্নয়নের শাহাব উদ্দিন প্রমূখ ।

Post a Comment

0 Comments