গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ ঃ
টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) দিদারুল ফেরদৌসের বিরুদ্ধে গতকাল ১৭ জুন দৈনিক আজকের কক্সবাজার পত্রিকার শেষের পাতায় ১টি বস্তনিষ্ট সংবাদ
প্রকাশিত হওয়ার পর টেকনাফের গ্রাম অঞ্চলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তার অপকর্মের শিকার অনেক ভূক্তভোগী এবং মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে হয়রানিতে পড়ে সর্বস্বান্ত অনেকে মুখ খুলতে শুরু করেছে। কিন্তু পুলিশ অফিসার হওয়ায় ভয়ে তারা সংশি¬ষ্ট প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে পারছেনা। এদিকে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় জেলা পুলিশ সুপার তাকে তলব করেছেন বলে জানা গেছে। ভয়ে সরাসরি লিখিত অভিযোগ উত্থাপন করতে না পারলেও অসহায় এক গৃহবধুর কাছ থেকে জানা গেছে তার অপকর্মের করুণ কাহিনী টেকনাফ সদর ইউনিয়নের গোদারবিল গ্রামের ৪ সন্তানের জননী জামালিদা বেগম। একটার পর একটা সাজানো মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে জামালিদার স্বামী শাকের আহমদ ১টি মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে গত ২ মাস ধরে জেল হাজতে রয়েছে। উক্ত মামলায় জামিন হওয়ার পর তাকে অন্য মামলায় সোন এরেষ্ট দেখিয়ে জেলা হাজতে প্রেরন করেছে আদালত। অসহায় শাকেরের স্ত্রী জামালিদা বেগম স্বামীর বন্দি দশার অবস্থা জানতে গিয়ে বেরিয়ে আসে আরও কয়েকটি মামলায় তাকে আসামী করা হয়েছে। অথচ যেসব মামলায় সোন এরেষ্ট দেখানো হয়েছে সেসব মামলার এজাহারসহ অন্য কোন নথিতে তাকে আসামী করা হয়নি। শুধু হয়রানি করার জন্য শাকেরের বিপরিত পক্ষ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ওসি (তদন্ত) দিদারুল ফেরদৌস এসব অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু তা নয় টেকনাফ থানায় মামলার আশ্রয় নিতে আসা বিভিন্ন জনের সাথে তার কয়েকজন আসামীর নাম তালিকা ভূক্তি করার জন্যও চাপ সৃষ্টি করার খবর পাওয়া গেছে। বলতে গেলে তার অনৈতিক কার্যকলাপের কারণে জনগণের সেবক পুলিশ বাহিনীর নাম খুন্ন করছে। অনেকে ক্ষোভের সহিত বলেন- পুলিশের দূর্নাম রচনায় ওসি (তদন্ত) দিদারুল ফেরদৌস একাই যথেষ্ট। টেকনাফ থানার ঐতিহ্য ও সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে স্থানীয় সচেতন মহল উখিয়া টেকনাফের অভিভাবক আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদি ও কক্সবাজার পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

0 Comments