ইব্রাহীম খলিল, ঈদগড় (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজার রামুর বৃহত্তর ঈদগড়ে বিভিন্ন সড়ক ও উপসড়কে চলাচলরত রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটর সাইকেল চালানোর সময় চালকেরা মোবাইলে কথা ও নানাু অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি যাদের মটর সাইকেলে রেজিষ্ট্রেশন তথা নাম্বার প্লেট লাগানো রয়েছে এ সমস্ত গাড়ির চালকেরাও বেপরোয়া গতিতে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে এমন
অভিযোগ রয়েছে অহরহ। যার ফলে ঈদগড়ের বিভিন্ন এলাকায় ছোট -বড় দূর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। রেজিষ্ট্রেশন না থাকায় নানা অপরাধ অপকর্ম করার পর পুলিশ প্রশাসন যেমন সহজেই অপরাধীকে সনাক্ত করতে পারছেনা তেমনি নাম্বার বিহীন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রেজিষ্ট্রেশন বাবদ সরকার বঞ্চিত হচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে। বৃহত্তর ঈদগড়ে নানা সড়কে চলে ভাড়ায় চালিত শতাধিক রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটর সাইকেল। এসব মোটর সাইকেলের চালকরা অতিরিক্ত আয়ের লক্ষ্যে এলাকার চিহ্নিত ডাকাত এবং সন্ত্রাসীদেরকে নিয়মিত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আনা নেওয়া করছে প্রশাসনের আড়ালে। সম্প্রতি এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর ধারণা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এসব অবৈধ মোটর সাইকেল থেকে নিয়মিত মাসোহারা নিচ্ছে বলে রেজিষ্ট্রেশন বিহীন এসব মোটর যান গুলো আটক করছে না। জেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে সাড়াসি অভিযান পরিচালিত হলেও ঈদগড়ে রহস্যজনক কারণে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না। ফলে পেশাদার অপরাধীরা মোটর সাইকেল যোগে নানা অপকর্ম করার পরও প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে। সচেতন মহলের অভিযোগ পেশাদার অপরাধীরা এসব মোটর সাইকেল যোগে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, চোরা চালান, মাদক দ্রব্য পাচার, বিভিন্ন গ্রামে ডাকাতি, বনের গাছ কর্তনসহ আরো নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে এলাকার জনমানবের মনে আতংক সৃষ্টি হচ্ছে এবং শান্ত মানুষের মনে অশান্তির আগুন জ্বলছে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, সম্প্রতি ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক ঈদগড় বড়বিল এলাকার মোহাম্মদ হোছেনের পুত্র নুরুচ্ছফা এবং আমির হামজার পুত্র নুরুল আজিম ও ঈদগড় পানিস্যা ঘোনা এলাকার মামুনের ভাই সোহেল এলাকার চিহ্নিত কয়েকজন সন্ত্রাসীদেরকে তাদের মোটর সাইকেল যোগে ডুলহাজারা এবং ঈদগাঁও সহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈদগড় পুলিশ মোটর সাইকেলসহ সোহেলকে আটক করে। অন্যদিকে, অপর ২ জনের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল ২টি ডুলহাজারায় আটক করলে দীর্ঘ মাস-দেড়েক পর ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে গত ১৭ জুন তাদের গাড়ি ছাড়িয়ে আনেন বলে গাড়ি মালিকরা জানান। এ ব্যাপারে ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্প আইসি ফিরোজ আহমদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন তবে ঐ সমস্ত মোটর সাইকেল থেকে কোন ধরনের মাসোহারা নেওয়া হয় না এবং সঠিক সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত মোটর সাইকেলসহ গাড়ি মালিককেও আটক করা হবে বলে জানান।

0 Comments