মাহফুজ,টেকনাফ
টেকনাফের সাবরাং উপকূল দিয়ে চোরাই পথে মালয়েশিয়া যাত্রাকালে মোঃ ইসমাইল নামে এক যুবককে সাগরে নিক্ষেপের মত জগন্যতম ঘটনা ঘটেছে। প্রায়
সাড়ে ৫ ঘন্টা জারিকেন নিয়ে ভাসমান থাকার পর অবশেষে কূলে ভিড়ে প্রাণে রক্ষা পায়।
জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯ ঘটিকার সময় সাবরাং খুরের মূখ এলাকা থেকে সাবরাং ইউনিয়নের কুয়াইংছড়ি পাড়ার মৃত আমির হোছনের ছেলে মানব পাচারকারী খুইল্লা মিয়া (৩৫), এজাহার মিয়া (৪০),মৃত আবদুল আজিজের ছেলে মোহাম্মদ (৫০), সাবরাং কুরের মূখ গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে আকতার হোসেন (২৫),মোহাম্মদ জামাল (২৭)সহ একটি সিন্ডিকেট ইসমাইল, ২ মহিলাসহ ২১ জন লোক সাগর পথে মালয়েশিয়া নেবে বলে ট্রলারে তুলে রওয়ানা হয়। ট্রলারের বাকি অর্ধেক যাত্রী সাতক্ষীরা এলাকার বাসিন্দা। ট্রলারটি ঘন্টা খানেক চালিয়ে বঙ্গোপসাগরের মাঝামাঝি গেলে রাত ১০ টায় ট্রলার মাঝি জামালের কাছে একটি মোবাইল ফোন আসে। জামাল মাঝি কথা বলা শেষ করার পর ইসমাইলকে হঠাৎ ট্রলার থেকে ধাক্কা দিয়ে সাগরে ফেলে দেয়। এসময় ইসমাইল হাতে ২টি জারিকেন ছিল। ওই জারিকেন দুটির উপর ভর করে রাত ১০টা থেকে ভাসার পর অবশেষে ৩০ এপ্রিল ভোর ৩ টায় কাটাবনিয়া শফিক চেয়ারম্যনের প্রজেক্টের পাশে সমুদ্র এলাকায় কুলে ফিরে এসে প্রানে রক্ষা পায়। ইসমাইল আরো জানায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মালয়েশিয়া নেওয়ার কথা বলে সাগরে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল। এঘটনায় ইসমাইল প্রাণে রক্ষা পেয়ে ফিরে আসায় এলাকার লোকজন বলেন, “রাখে আল্লাহ মারে কে”। ইসমাইলকে এক নজর দেখার জন্য ভীড় জমিয়েছে তার এলাকায়।

0 Comments