মোঃ মিজানুর রহমান আজাদ, সদর
সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের কালু ফকির পাড়া গ্রামের আলহাজ্ব ছৈয়দ আকবরের পুত্র আবু বকর ছিদ্দিক ও বাইশারী এলাকার আব্দুল মালেক দীর্ঘ কয়েক বছর
যাবৎ সৌদি প্রবাসে জীবন কাটাচ্ছে। নিজ আত্মীয় স্বজনদের চেহারা না দেখে অথিব দুঃখ কষ্টে পবিত্র ভূমি মক্কা শরায়া যৌরানা এলাকায় প¬ট ক্রয় করে গাছ জমা ও ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। সম্প্রতি আবু বকর ছিদ্দিকের ছোট ভাই আবুল কাসেম বাংলাদেশে সফরে আসলে দোকানের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্থ ছিল আবু বকর ও আব্দুল মালেক। সেই সুযোগে ঈদগাঁও ইউনিয়নের চান্দের ঘোনা এলাকার এমতাজুল হকের পুত্র মোঃ আলমের নেতৃত্বে কতিপয় চোরের দল রাতারাতি পরিবহণ যোগে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যায়। এদিকে আবু বকর ও আব্দুল মালেক গাছ গুলি সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজতে গিয়ে কয়েকদিন পর এক ব্যবসায়ীর কাছে কিছু গাছ চিহ্নিত করতে পারে। পরে ঐ ব্যবসায়ীকে চোর সন্দেহ করলে সে মোহাম্মদ আলমকে দেখিয়ে দেয়। পরে মোহাম্মদ আলমকে আটক করলে সে ঘটনা স্বীকার করে এবং আবু বকর ছিদ্দিক সহ ব্যবসায়ীরা তা ভিডিও করে রাখে। এ ঘটনাটি বাংলাদেশে মোহাম্মদ আলমের পিতামাতাকে জানালে তারাও চুরিকৃত গাছ গুলি মোবাইলে পুত্রকে দিয়ে দিতে বলে এবং এতে তারাও সহযোগীতা করবে মোবাইলে জানায়। চতুর মোহাম্মদ আলম গাছ বিক্রয়ের টাকা দিয়ে স্বর্ণ ক্রয় ও অবশিষ্ট টাকা জমা রেখেছে তা আবু বকর ও বিচারকদের সামনে হাজির করার কথা বলে সু কৌশলে পালিয়ে যায়। সম্ভাব্য স্থানে তাকে খোঁজার পরও না পেয়ে ঐ দুই ব্যবসায়ী হতাশায় ভোগছে বলে জানা যায়। সফররত আবু বকরের অপর ছোটভাই আবুল কাসেম মোহাম্মদ আলমের পিতা-মাতাকে বিবাদী করে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

0 Comments