মহেশখালী সংবাদদাতা
মহেশখালী উপজেলার পর্যটনখ্যাত সোনাদিয়া দ্বীপের স্থানীয় জলদস্যুরা শীতের শুরুতে ফের বেপরুয়া হয়ে উঠেছে। প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের দস্যুতার তান্ডব লিলা। এতে অসহায় হয়ে পড়েছে, সোনাদিয়ার আশেপাশের মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত ফিশিং ট্রলারও জেলেরা।
সম্প্রতি গত ১২ই নভেম্বের চট্টগ্রামের তিনটি লাক্কো মাছ ধরার ট্রলার সোনাদিয়ার আশেপাশে ফিশিং করছিল। ফিশিং শেষে প্রচুর মাছ ধরে ট্রলার ভর্তি করে চট্টগ্রামের উদ্যেশ্যে রওনা হলে, স্থানীয় সোনাদিয়ার নাম করা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) উক্ত গডফাদার জলদস্যু স¤্রাটের নেতৃত্বে আগে থেকে উৎপেতে থাকা একদল জলদস্যু প্রচুর অ¯্রস্বস্ত্র নিয়ে হানা দেয় চট্টগ্রামের ট্রলার গুলিতে। উক্ত চট্টগ্রামের ফিশিং করা ট্রলার তিনটির মাঝি-মাল্লাসহ লুট করে সোনাদিয়া চ্যানেলের ছিরাদিয়ার মুখ নামক খালের মধ্যে এনে মুক্তিপনের জন্য চেষ্টা চালায় জলদস্যুরা। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তখন ট্রলারের মালিক চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাসিন্দা সনযত কারণে মালিকের নাম গোপন রাখা হলো। উক্ত মালিক জলদস্যুদের হুমকি দমকিতে, ফিশিং করা বোট ও মাঝি-মাল্লাদের উদ্ধারের জন্য হন্ন হয়ে খুঁজাখুজি করে। নিরুপায় হয়ে ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপনের বিনিময়ে উক্ত জলদস্যু সম্রাট বোট গুলি ছেড়ে দেয় ১৩ই নভেম্বর ভোর ৫টার সময়। উক্ত বোট অপহরণের কথা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতা আতংকের মধ্যে পড়ে যায়।
এ ব্যাপারে সোনাদিয়া এলাকার বর্তমান মেম্বার ও কুতুবজোম ইউনিয়নের আওয়ালীগের সভাপতি আব্দুল গফুর প্রকাশ নাগু মেম্বার বলেন, আমি সর্বাতক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি স্থানীয় জনগন নিয়ে জলদস্যুদের আইনের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। জলদস্যুদের নেটওর্য়াক শক্তিশালী হওয়ায় তাদের প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে পারছি না। আমি সব সময় প্রশাসনের পক্ষে আছি এবং থাকব।
মহেশখালী উপজেলার পর্যটনখ্যাত সোনাদিয়া দ্বীপের স্থানীয় জলদস্যুরা শীতের শুরুতে ফের বেপরুয়া হয়ে উঠেছে। প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের দস্যুতার তান্ডব লিলা। এতে অসহায় হয়ে পড়েছে, সোনাদিয়ার আশেপাশের মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত ফিশিং ট্রলারও জেলেরা।
সম্প্রতি গত ১২ই নভেম্বের চট্টগ্রামের তিনটি লাক্কো মাছ ধরার ট্রলার সোনাদিয়ার আশেপাশে ফিশিং করছিল। ফিশিং শেষে প্রচুর মাছ ধরে ট্রলার ভর্তি করে চট্টগ্রামের উদ্যেশ্যে রওনা হলে, স্থানীয় সোনাদিয়ার নাম করা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) উক্ত গডফাদার জলদস্যু স¤্রাটের নেতৃত্বে আগে থেকে উৎপেতে থাকা একদল জলদস্যু প্রচুর অ¯্রস্বস্ত্র নিয়ে হানা দেয় চট্টগ্রামের ট্রলার গুলিতে। উক্ত চট্টগ্রামের ফিশিং করা ট্রলার তিনটির মাঝি-মাল্লাসহ লুট করে সোনাদিয়া চ্যানেলের ছিরাদিয়ার মুখ নামক খালের মধ্যে এনে মুক্তিপনের জন্য চেষ্টা চালায় জলদস্যুরা। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তখন ট্রলারের মালিক চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাসিন্দা সনযত কারণে মালিকের নাম গোপন রাখা হলো। উক্ত মালিক জলদস্যুদের হুমকি দমকিতে, ফিশিং করা বোট ও মাঝি-মাল্লাদের উদ্ধারের জন্য হন্ন হয়ে খুঁজাখুজি করে। নিরুপায় হয়ে ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপনের বিনিময়ে উক্ত জলদস্যু সম্রাট বোট গুলি ছেড়ে দেয় ১৩ই নভেম্বর ভোর ৫টার সময়। উক্ত বোট অপহরণের কথা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতা আতংকের মধ্যে পড়ে যায়।
এ ব্যাপারে সোনাদিয়া এলাকার বর্তমান মেম্বার ও কুতুবজোম ইউনিয়নের আওয়ালীগের সভাপতি আব্দুল গফুর প্রকাশ নাগু মেম্বার বলেন, আমি সর্বাতক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি স্থানীয় জনগন নিয়ে জলদস্যুদের আইনের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। জলদস্যুদের নেটওর্য়াক শক্তিশালী হওয়ায় তাদের প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে পারছি না। আমি সব সময় প্রশাসনের পক্ষে আছি এবং থাকব।

0 Comments