ডেস্ক রিপোর্ট
জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদকে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীর পরিবর্তে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে। লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ফিরলে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গতকাল দুপুরে হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এ তথ্য জানান। এদিন মিরপুর পল্লবীর সাড়ে ১১ নম্বরে ২৪/৪ নম্বর বাসায় এ বিষয়ে বৈঠকে বসেন হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আহসান
হাবীব, মা আয়েশা ফয়েজসহ বোন ও পরিবারের অন্য সদস্যরা। বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানা গেছে। হুমায়ূন আহমেদকে নুহাশ পল্লীতে দাফন করার থাকলেও তা হচ্ছে না। এর আগে সকালে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, হুমায়ূন আহমেদ ক্যান্সারে নয়, ভাইরাস সংক্রমণে মারা গেছেন।
এদিকে বাংলাদেশ সময় গতকাল রোববার সকাল ৯টায় নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে জনপ্রিয় এই কথাশিল্পীর মরদেহ নিয়ে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন স্বজনরা।
স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, শাশুড়ি তহুরা আলী, দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিত, শ্যালিকা সেজুতি এম আফরোজ এবং অন্য প্রকাশের স্বত্ত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলামও একই বিমানে ফিরছেন।
হুমায়ূনকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে জড়ো হয়েছিলেন কয়েকশ প্রবাসী বাংলাদেশী। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেনও ছিলেন তাদের সঙ্গে। মোমেন জানান, এমিরেটসের ফ্লাইটটি দুবাই হয়ে সোমবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার শাহজালাল আস্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু গত শনিবার জানান, সোমবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই লেখকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবে সর্বস্তরের মানুষ। এরপর বেলা আড়াইটায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে বারডেমের হিমঘরে রাখা হবে মরদেহ। মঙ্গলবার বাদ জোহর গাজীপুরে হুমায়ূনের গড়া নুহাশ পল্লীতেই তাকে সমাহিত করা হবে।
৯ মাস ক্যান্সারে ভোগার পর বৃহস্পতিবার রাতে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে মারা যান হুমায়ূন। তার অবস্থার অবনতির খবরে দিন দশেক আগেই নিউইয়র্কে এসেছিলেন তার ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং তার স্ত্রী ইয়াসমীন হক। রোববারই তাদের দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
লেখকের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিনও ছিলেন নিউইয়র্কে। প্রকাশ্যে তাকে হাসপাতাল কিংবা অন্য কোথায়ও দেখা না গেলেও তবে নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূনের দাফনের সময় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে। পরিবারের একটি সূত্র জানিয়েছে, আজ সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে গুলতেকিনের।
জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদকে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীর পরিবর্তে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে। লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ফিরলে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গতকাল দুপুরে হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এ তথ্য জানান। এদিন মিরপুর পল্লবীর সাড়ে ১১ নম্বরে ২৪/৪ নম্বর বাসায় এ বিষয়ে বৈঠকে বসেন হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আহসান
হাবীব, মা আয়েশা ফয়েজসহ বোন ও পরিবারের অন্য সদস্যরা। বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানা গেছে। হুমায়ূন আহমেদকে নুহাশ পল্লীতে দাফন করার থাকলেও তা হচ্ছে না। এর আগে সকালে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, হুমায়ূন আহমেদ ক্যান্সারে নয়, ভাইরাস সংক্রমণে মারা গেছেন।
এদিকে বাংলাদেশ সময় গতকাল রোববার সকাল ৯টায় নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে জনপ্রিয় এই কথাশিল্পীর মরদেহ নিয়ে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন স্বজনরা।
স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, শাশুড়ি তহুরা আলী, দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিত, শ্যালিকা সেজুতি এম আফরোজ এবং অন্য প্রকাশের স্বত্ত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলামও একই বিমানে ফিরছেন।
হুমায়ূনকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে জড়ো হয়েছিলেন কয়েকশ প্রবাসী বাংলাদেশী। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেনও ছিলেন তাদের সঙ্গে। মোমেন জানান, এমিরেটসের ফ্লাইটটি দুবাই হয়ে সোমবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার শাহজালাল আস্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু গত শনিবার জানান, সোমবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই লেখকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবে সর্বস্তরের মানুষ। এরপর বেলা আড়াইটায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে বারডেমের হিমঘরে রাখা হবে মরদেহ। মঙ্গলবার বাদ জোহর গাজীপুরে হুমায়ূনের গড়া নুহাশ পল্লীতেই তাকে সমাহিত করা হবে।
৯ মাস ক্যান্সারে ভোগার পর বৃহস্পতিবার রাতে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে মারা যান হুমায়ূন। তার অবস্থার অবনতির খবরে দিন দশেক আগেই নিউইয়র্কে এসেছিলেন তার ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং তার স্ত্রী ইয়াসমীন হক। রোববারই তাদের দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
লেখকের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিনও ছিলেন নিউইয়র্কে। প্রকাশ্যে তাকে হাসপাতাল কিংবা অন্য কোথায়ও দেখা না গেলেও তবে নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূনের দাফনের সময় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে। পরিবারের একটি সূত্র জানিয়েছে, আজ সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে গুলতেকিনের।


0 Comments