কায়সার হামিদ মানিক
উখিয়া উপজেলার রতœাপালং বৌদ্ধ মন্দিরের পাশে ৪ দিন ব্যাপী বলি খেলার নামে জুয়ার আসর বসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে জুয়াড়ীরা।
প্রসাশনের বক্তব্য বলি খেলার ব্যাপাটি তারা জানেইনা।। যার ফলে উপজেলার আইন শৃঙ্খলা দিন দিন অবনতি হতে চলেছে। গত দুই মাস ধরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে উখিয়া থানা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চিহ্নিত জুয়াড়ীরা বলি খেলার নামে জুয়ার আয়োজন করছে ঘন ঘন। এ কারনে বিভিন্ন এলাকায় চুরি ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হচ্ছে। গতকাল ৪ মে দুপুর সাড়ে ৩টায় রতœাপালং ইউনিয়নের কোটবাজারের পশ্চিম পাশস্থ একটি খোলা জায়গায় তাবু টাঙিয়ে দিন দুপুরে চলছে জুয়ার আসর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বৃদ্ধ বলেন, ‘অবাজি হন যোগত আইল্লাম। যেত্তে বলি খেলা অইবার হথা এত্তে নঅই। এহন বলে বলি খেলায় বলি নাই জুয়া খেলা হদদ্দে’। ( অথ্যাৎ ও বাবা কোন যুগে আসলাম. সে সময় বলি খেলা হওযার কথা ছিল সে সময় হয়নি, এখন বলি খেলায় বলি নেই.জুয়া খেলা হচ্ছে)।
জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার রতœাপালং ইউনিয়নের কোটবাজারের পশ্চিম পাশে বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিগত দ্ইু মাস ধরে বৈশাখী মেলার নামে বলি খেলা চলে আসছে। এসব বলি খেলার নামে জুয়ার আসর থেকে রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের লোকজনকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ রেখে রমরমা জুয়ার আসর চালিয়ে যাচ্ছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জুয়াড়ীরা দলবদ্ধভাবে উপস্থিত হয়ে জুয়ার আসর বসিয়ে সাধারণ লোকজনকে প্রলোভন দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা। স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, জুয়াড়ী জসিমের নেতৃত্বে এ আসর বসানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, অসুবিধা কিসের? পুলিশকে টাকা দিয়ে জুয়ার আসর বসানো হয়েছে। এ ব্যাপারে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, বলি খেলার নামে জুয়া খেলার আসর বসানো হলে তা গুড়িয়ে দেওয়া হবে।

0 Comments