সেলিম উদ্দীন,ঈদগাঁও
সদরের ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজারগামী লোকজন সড়ক পথে শহরে প্রবেশ করতে দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার লোকজন। আর এজন্য ভোগান্তির
পাশাপাশি সময় ও অর্থ উভয়ের অপচয় হচ্ছে শহরমুখী লোকজনদের। গত ৭ জুন ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস ক্লাবের নব নির্বাচিতদের পরিচিতি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ফিরোজ আহমদ ও ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি অভিন্ন সুরে এ অভিযোগ করেন। যাত্রী সাধারণকে ঈদগাঁও বাস ষ্টেশন থেকে ঈদগাঁও থেকে ঈদগাঁও লাইন সার্ভিস ও সী লাইন সার্ভিসের বাস যোগে কক্সবাজার মাত্র ৩২ কিলোমিটারের এ পথ পাড়ি দিতে যাত্রী সাধারনকে প্রথমে লার পাড়াস্থ বাস টার্মিনালে নেমে যেতে হয় । আর এজন্য যাত্রীদের ভাড়া গুনতে হয় ৩৫ টাকা। সেখান থেকে ইজি বাইক , সিটি বাস বা সিএনজি যোগে যাত্রীরা আবারও ১০ টাকা ভাড়া গুনে প্রবেশ করতে পারেন শহর অভ্যন্তরে। স্বল্প দুরত্বের এ পথ পাড়ি দিতে বাসের সর্বোচ্চ সময় লাগে ৩০ মিনিট। ১ বছর আগে ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার যেতে ভাড়া যাত্রী প্রতি ভাড়া দিতে হত ২০ টাকা। দুরত্ব আগের চেয়ে ২ কিলোমিটার কমে এলেও তেলের দাম বৃদ্ধির ধোঁয়া তুলে এক শ্রেণীর অসাধু বাস মালিক পাল্লা দিয়ে দফায় দফায় ভাড়া বাড়িয়ে ৩২ কি:মি: পথ পাড়ি দিয়ে শেষ পর্যন্ত ভাড়া দিচ্ছে হচ্ছে একজন যাত্রীকে ৩৫ টাকা+ শহরে প্রবেশের জন্য ১০ টাকাসহ মোট ৪৫ টাকা গুনতে একজন যাত্রীকে। আসতেও ওই একই দশা। যাত্রী আবু নোমান, আকলিমা, ছৈয়দ করিম এবং মকবুল সাহেব জানালেন ভাই একটিবার হলেও আমাদের কষ্টের কথাটি আপনাদের পত্রিকায় দয়া করে লিখুন যাতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি একবার ভেবে দেখেন। এছাড়া নিয়মিত যাত্রী আইনজীবি সহকারী সিরাজ জানান শুধুমাত্র গাড়ি ভাড়া ও ভেতরে প্রবেশের দুভোর্গের জ¦ালা সহ্য করতে না পেরে তিনি সেখানে বাসা নিতে বাধ্য হয়েছেন। আশা করি কর্র্তৃপক্ষ যাত্রীদের দুভোর্গের কথাটি মাথায় এনে ভাড়ার রেইট নির্ধারণ ও বাস শহরে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে যাত্রীদের হয়রানি থেকে রক্ষা করবেন এমন প্রত্যাশা ঈদগাঁওবাসীর।
সদরের ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজারগামী লোকজন সড়ক পথে শহরে প্রবেশ করতে দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার লোকজন। আর এজন্য ভোগান্তির
পাশাপাশি সময় ও অর্থ উভয়ের অপচয় হচ্ছে শহরমুখী লোকজনদের। গত ৭ জুন ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস ক্লাবের নব নির্বাচিতদের পরিচিতি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ফিরোজ আহমদ ও ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি অভিন্ন সুরে এ অভিযোগ করেন। যাত্রী সাধারণকে ঈদগাঁও বাস ষ্টেশন থেকে ঈদগাঁও থেকে ঈদগাঁও লাইন সার্ভিস ও সী লাইন সার্ভিসের বাস যোগে কক্সবাজার মাত্র ৩২ কিলোমিটারের এ পথ পাড়ি দিতে যাত্রী সাধারনকে প্রথমে লার পাড়াস্থ বাস টার্মিনালে নেমে যেতে হয় । আর এজন্য যাত্রীদের ভাড়া গুনতে হয় ৩৫ টাকা। সেখান থেকে ইজি বাইক , সিটি বাস বা সিএনজি যোগে যাত্রীরা আবারও ১০ টাকা ভাড়া গুনে প্রবেশ করতে পারেন শহর অভ্যন্তরে। স্বল্প দুরত্বের এ পথ পাড়ি দিতে বাসের সর্বোচ্চ সময় লাগে ৩০ মিনিট। ১ বছর আগে ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার যেতে ভাড়া যাত্রী প্রতি ভাড়া দিতে হত ২০ টাকা। দুরত্ব আগের চেয়ে ২ কিলোমিটার কমে এলেও তেলের দাম বৃদ্ধির ধোঁয়া তুলে এক শ্রেণীর অসাধু বাস মালিক পাল্লা দিয়ে দফায় দফায় ভাড়া বাড়িয়ে ৩২ কি:মি: পথ পাড়ি দিয়ে শেষ পর্যন্ত ভাড়া দিচ্ছে হচ্ছে একজন যাত্রীকে ৩৫ টাকা+ শহরে প্রবেশের জন্য ১০ টাকাসহ মোট ৪৫ টাকা গুনতে একজন যাত্রীকে। আসতেও ওই একই দশা। যাত্রী আবু নোমান, আকলিমা, ছৈয়দ করিম এবং মকবুল সাহেব জানালেন ভাই একটিবার হলেও আমাদের কষ্টের কথাটি আপনাদের পত্রিকায় দয়া করে লিখুন যাতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি একবার ভেবে দেখেন। এছাড়া নিয়মিত যাত্রী আইনজীবি সহকারী সিরাজ জানান শুধুমাত্র গাড়ি ভাড়া ও ভেতরে প্রবেশের দুভোর্গের জ¦ালা সহ্য করতে না পেরে তিনি সেখানে বাসা নিতে বাধ্য হয়েছেন। আশা করি কর্র্তৃপক্ষ যাত্রীদের দুভোর্গের কথাটি মাথায় এনে ভাড়ার রেইট নির্ধারণ ও বাস শহরে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে যাত্রীদের হয়রানি থেকে রক্ষা করবেন এমন প্রত্যাশা ঈদগাঁওবাসীর।

0 Comments