Advertisement

বার মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে চাল ও ডিম

উখিয়ানিউজ ডটকম
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের তালিকায় যুক্ত হয়েছে চাল ও ডিম। এতদিন ভোজ্যতৈল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রী পাচারের তালিকায় থাকলে সম্প্রতি তাতে যুক্ত হয়েছে চাল ও ডিম। খোঁদ মিয়ানমারের নাসাকা বাহিনী চাল ও ডিম পাচারের সাথে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় বিজিবি’র টহল জোরদার করা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে,মিয়ানমারে মংডু টাউনশীপের আওতাধীন মাংদেলী,শাহাব বাজার,বলীবাজার,ফকিরাবাজার,নাখপুরা,নাইছাদং,তমর্রু,ঢেকিবনিয়া সহ ৬৪টি গ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত ধানের সিংহভাগ সেখানকার লুন্ঠিন বাহিনীর সদস্যরা গুদামজাত করেছে। মিয়ানমারের রেওয়াজ অনুযায়ী ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের ধারাবাহিকতায় চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চাইতে অতিরিক্ত ধান চাল লুটপাট করে গুদামজাত করায় স্থানীয়ভাবে চাল সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের নাইছাদং গ্রামের আবুল হাসেম (৪৫),মনির আহমদ (৫৩) বলেন,লুন্ঠিন বাহিনীর সদস্যরা বাড়ি ঘরে তল্লাসী চালিয়ে ধান চাল লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার ফলে ওই এলাকায় খাদ্য সংকটে পড়েছে উল্লেখিত গ্রাম গুলোতে। তারা আরো জানান,বর্তমানে মিয়ানমারে ১কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশের ২৮টাকা সমপরিমান মিয়ানমার ২৪৩কিয়াট। তুলনা মূলক ভাবে এদেশে চালের দাম কম হওয়ার সুযোগে চাল পাচারে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরাচালানীরা। একইভাবে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে ডিম। উখিয়া সদর ষ্টেশন ও কোটবাজার ষ্টেশন থেকে বিপুল পরিমান ডিম মিয়ানমারে পাচার হয়ে যাচ্চে বলে সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত লোকজন জানায়। এতে স্থানীয় বাজারে চাল ও ডিমের মুল্য  সম্প্রতি বেড়েছে অপ্রত্যাশিতভাবে। বর্তমানে উখিয়ার বাজারে প্রতি হালি ডিম বিত্রি“ হচ্ছে ৪০ টাকা করে। গত সপ্তাহেও যে দাম ছিল ৩২ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যাবধানে বেড়েছে হালি প্রতি ৮ টাকা করে। সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি না থাকায় রাতের আধারে নিত্যপন্য পাচার হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানায়। এদিকে নিত্যপন্য পাচারে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীর সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। কারন বাংলাদেশের নিত্যপন্য তাদের বাজারে গেলে মিয়ানমারের জনগনই লাভবান হচ্ছে। তাই এতে তারা বাঁধা দিচ্ছেনা। এ ব্যাপারে বালুখালী বিজিবি’র সুবেদার মোজাম্মেল হক জানান,নাসাকা  সদস্য আটক হওয়ার  পর থেকে সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের সর্তকতা অবস্থায় রাখা হয়েছে। যেহেতু তারা যে কোন সময় এ দেশীয় নাগরিকদের ধরে নিয়ে হয়রানী করতে পারে।

Post a Comment

0 Comments