Advertisement

আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বক্তারা ॥ উখিয়া আওয়ামীলীগ লুটেরাদের হাতে জিম্মি


প্রেস বিজ্ঞপ্তি
উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বক্তারা বলেন আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী একটি মহলের কাছে উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা জিম্মি হয়ে পড়েছে।
আওয়ামীলীগের গত সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে সরকারী অনুদান লুটপাট করে গাড়ী বাড়ীর মালিক হয়েছে। অথচ র্দূদিনে যারা দলের কান্ডারী কান্ডারী হিসাবে ঝুকি নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা অব্যাহত রেখে দলকে সুসংগঠিত করে রেখেছে তাদেরকে অবমূল্যায়ন ও ঘৃনা ভরে প্রত্যাখ্যাণ করা হচ্ছে। বক্তারা বলেন, যে সভাপতি সম্পাদক নিয়ে ২০০৩ সালে কমিটি গঠিত হয়েছে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সে কমিটির কোন বৈধতা নাই। তাই তাদের হাতে গড়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যে কমিটির গঠন করা হয়েছে সে সব কমিটির নেতৃস্থানীয় পদবীতে রাখা হয়েছে জামাত বিএনপি’র সমর্থিত লোকজন। মেয়াদোর্ত্তীণ এ কমিটির গড়া সমস্ত ওয়ার্ড কমিটি বাতিল করে পূনরায় নতুন করে কমিটি গঠন করা হবে। বক্তারা বলেন মেয়াদোর্ত্তীণ এ কমিটির ইন্দনে সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি উখিয়া উপজেলার ত্যাগী ৪০ জন নেতাকর্মীকে শপথ বাখ্য পাঠের মাধ্যমে সুখে দুখে তাদের সাথে থাকা অঙ্গীকার করেও কথা রাখেনি। উপরন্ত তার নির্দেশে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এ সমস্ত অনিয়ম দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা কবল থেকে উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগকে বাচিয়ে রাখার জন্য মাঠে ময়দানে ঘুরে ঘুরে আওয়ামী নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে দলকে শক্তিশালী করার আহবান জানান বক্তারা। বক্তারা বলেন, সাড়ে তিন বছরে উখিয়া উপজেলার বরাদ্দকৃত যেসব সরকারী বরাদ্দ লুটপাট করা হয়েছে তার খতিয়ান সংগ্রহ করে জনসম্মুখে তুলে ধরার জন্য তদন্ত টিম গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
গতকাল শনিবার বিকাল ৫টায় রতœাপালং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল মনছুর চৌধুরী, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা বাদশা মিয়া চৌধুরী, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাহ জাহান সিকদার, এডঃ খাইরুল আমিন, আক্তার কামাল মেম্বার, ইসকান্দর হোসেন চৌধুরী, মাষ্টার হামিদুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান, আমিনুল হক আমিন, কৃষক লীগের আহবায়ক কাজী আক্তার উদ্দিন টুনু, যুবলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা সালাহ উদ্দিন চৌধুরী। উক্ত সভায় জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডঃ আহাম্মদ হোছাইনকে দুই দফা উখিয়া মিয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি ভেঙ্গে দেওয়ার দাবী জানালেও রাহস্য জনক কারণে উক্ত কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয়নি বলে বক্তারা অভিযোগ করেন।

Post a Comment

0 Comments